প্রকাশিত: ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ ২২:১১
হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন আহতরা। -সংগৃহীত ছবি
গাইবান্ধায় যৌথবাহিনীর অভিযানে সাঘাটা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাঘাটা ইউপি চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন সুইটসহ ৫ জনকে আটক করা হয়েছে। মঙ্গলবার ভোরে ভরতখালী হাট এলাকার সুইট চেয়ারম্যানের নিজ বাড়ি থেকে তাদের আটক করা হয়। আটককৃতদের মধ্যে দুজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
আটক অন্য চারজন হলেন, ভরতখালী ইউনিয়নের গোবিন্দি গ্রামের মৃত আব্দুল মালেকের ছেলে শফিকুল ইসলাম (৪৫), বাঁশহাটা গ্রামের ছেঁড়ায়েত আলীর ছেলে সাহাদত হোসেন পলাশ (৪৫), উত্তর সাতালিয়া গ্রামের শফিকুল ইসলামের ছেলে রিয়াজুল ইসলাম রকি (২৮) এবং গোবিন্দি গ্রামের মৃত রুস্তম আলীর ছেলে সোহরাব হোসেন আপেল (৩৫)।
এদের মধ্যে শফিকুল ইসলামকে (৪৫) গুরুতর আহত অবস্থায় বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার সকাল ১১টার দিকে তিনি মারা যান। এছাড়া সোহরাব হোসেন আপেলকে (৩৫) আহত অবস্থায় গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা চিকিৎসাধীন অবস্থায় একইদিন তিনিও মারা যান।
নিহতদের স্বজনরা জানান, গতকাল সোমবার দিবাগত গভীর রাতে সেনাবাহিনী ও পুলিশ সাঘাটা ইউপি চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন সুইটের বাড়িতে অভিযান চালায়। এ সময় সুইটের ভাতিজা সোহরাব হোসেন আপেল ও তার বাড়ির কাজের ছেলে শফিকুল, শাহাদৎ হোসেন ও রিয়াজুল ইসলাম রকিসহ ৫ জনকে শারীরিক নির্যাতন করা হয়। এতে তারা গুরুতর আহত হন। মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় চেয়ারম্যানের ভাতিজা সোহরাব হোসেন আপেল ও বগুড়া শহিদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চেয়ারম্যানের বাড়ির কাজের লোক শফিকুল ইসলাম মারা যায়। বর্তমানে সুইট চেয়ারম্যান গুরুতর আহত অবস্থায় গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের পুরুষ ওয়ার্ডের ৩৮ নম্বর বেডে এবং ৩৫ নম্বর বেডে শাহাদৎ হোসেন পলাশ চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ খবর নিশ্চিত করেছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইবনে মিজান। তিনি বলেন, সোমবার রাতে যৌথবাহিনীর অভিযানে সাঘাটা থেকে ইউপি চেয়ারম্যান সুইটসহ ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের মধ্যে দু’জন শারীরিক অসুস্থতার কারণে মারা যান। এ বিষয়ে পরবর্তীতে বিস্তারিত বলা হবে।
এ ব্যাপারে গাইবান্ধায় সেনাবাহিনীর দায়িত্বশীল কর্মকর্তা মেজর জাভেদের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
সূত্র: সমকাল.কম
টিডি
জাতীয় থেকে আরো পড়ুন