অভিজাতপাড়া

প্রকাশিত: ২২ জুলাই, ২০২৫ ২২:৪০

কানাইঘাটের অভিজাতপাড়া পল্লি নারাইনপুর, 
ওলি-দরবেশের  কণ্ঠ শুনে হইতো যেথায় ভোর।


শিক্ষা-দীক্ষায় এগিয়ে সবার দেখিনি কোন জুড়ি,
যোগ-বিয়োগে ভুবনজয়ী বাইশে নাকি কুড়ি।
যে দিকে চোখ অট্টালিকা, মধ্যে আমার বাড়ি, 
এক সময়ে ছিলো যে তাহা মিষ্টি রসের হাঁড়ি। 
পাশেই বাড়ির জলপ্রবাহের ছোট্ট একখান খাল,
বৃষ্টি হলেই মাছ শিকারে পাতিয়ে দিতাম জাল।

 


মধ্যে গোপাট দু'ধারে তার বাড়ি সারি সারি,
একুশটি ব্রিজ উভয় পাশের করছে খবরদারি। 
খালটি মোরা দিতাম পাড়ি বাঁশের সাঁকো বেয়ে,
অক্ষম যারা থাকতো তারা ভেলার পানে চেয়ে।
সেই জলেই কাটতো সাঁতার টেংরা-পুটি মাছ, 
এখনো যেন ভাসছে চোখে খলসে মাছের নাচ।


মাছ শিকারে থাকতো সাথে কচিকাঁচার দল,
কার্যসিদ্ধি করতে তারা  করতো ঘোলা জল।
আমির মিয়ার বরই গাছে থাকতো সবার চোখ, 
বরই তার খায়নি এমন পাইনি খুঁজে লোক। 
ইউসুফ চাচার আঙিনাতে জমতো যখন মেলা,
আগ্রহীরা আসতে হেথায়  কেউ করেনি হেলা।

 


পুকুরে তাঁর  কই-মাগুরের উপচে পড়া ভিড়,
বঁড়শি হাতে যেতাম সেথায় শূন্য করে নীড়।
খালে যখন জমতো পানি বানিয়ে নিতাম ভেলা, 
পিছন থেকে ঠেলে দিতে সঙ্গী ছিলো মেলা।
বৃষ্টি হলেই চলার পথে জমতো শত কাদা,
পাঠশালাতে চাইলে যেতে হাঁটতে দিতো বাধা।

 


পড়ার ফাঁকে নদীর বাঁকে কাটছে মজার তিথি,
কৈশোরের সেই দৃশ্যগুলো কেবলই এখন স্মৃতি।
বাড়িতে আর হয়নি যাওয়া বিষণ্ণ মনের ক্ষতে,
ভুলিনি তবু শৈশবকালে হেঁটেছি যে সব পথে। 
হায়রে অতীত!সোনালি সেদিন আসতো যদি ফিরে,
আপন ঘরে আদর করে রাখতাম তারে শিরে।

বিশেষ সংখ্যা থেকে আরো পড়ুন


সম্পাদক মণ্ডলীর উপদেষ্টা : স্বপন কুমার দেব, কুমার সৌরভ

সম্পাদক ও প্রকাশক : পঙ্কজ কান্তি দে

অনলাইন সম্পাদক : মাহবুবুল হাছান শাহীন

সম্পাদক কর্তৃক অক্ষর মুদ্রণ অফসেট প্রেস, জোয়াহের রাজা ট্রেড সেন্টার, পুরাতন বাসস্টেশন, সুনামগঞ্জ।

মোবাইল : ০১৭১৮৩৪৫৯৭৫

বিজ্ঞাপন : ০১৩২৫৪৬২৪৯৫

ই-মেইল : [email protected]

সুনামগঞ্জের খবর পরিবার