কফির কার্যকারীতা বেশি পেতে মেনে চলুন এই ৩ টিপস

প্রকাশিত: ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১১:৩১

সংগৃহীত ছবি 

এক কাপ কফি না খেলে কি আপনার দিন শুরুই হয় না? আপনি একা নন। অনেক মানুষ ঘুমঘুম ভাব কাটাতে এবং দীর্ঘসময় কাজ করতে কফি বেছে নেন। 

 

কফি এত কার্যকর হওয়ার প্রধান কারণ হলো এর মধ্যে থাকা ক্যাফেইন। ক্যাফেইন কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রকে উদ্দীপ্ত করে এবং অ্যাডেনোসিন নামের একটি নিউরোট্রান্সমিটারের কার্যক্রমকে বাধা দেয়। অ্যাডোনোসিন শরীরে ঘুমঘুম ভাব তৈরি করে। এর কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হওয়ার ফলে ক্যাফেইন ডোপামিন ও নরএপিনোফ্রিনের মতো অন্যান্য নিউরোমিটারের মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করে। এতে মেজাজ ভালো হতে পারে, শক্তি বাড়ে এবং কাজের আগ্রহ আসে। 

 

 

তবে কফি পান করার পরে যদি একটা ছোট ন্যাপ নেওয়া যায় তাহলে এর কার্যকারিতা আরো বহুগুণ বেড়ে যায়। চলুন জেনে নিই এই হ্যাক কিভাবে কাজ করে—

 

প্রথমে এটা অদ্ভুত মনে হতে পারে, কিন্তু সঠিক সময়টাই আসল পার্থক্য বলে দেয়। কফি পান করার ঠিক পরেই একটি ছোট ঘুম দেওয়া, যাকে প্রায়শই কফি ন্যাপ, ন্যাপুচিনো, বা নাপ্পা লাতে বলা হয়। কর্মক্ষমতা বাড়ানোর একটি অত্যন্ত কার্যকর কৌশল। এর কারণ হলো ক্যাফেইন এবং আপনার মস্তিষ্কের ঘুমের রাসায়নিক প্রক্রিয়ার মধ্যে এক নিখুঁত জৈবিক সমন্বয় ঘটে।

 

 

আপনি যখন কফি পান করেন, তখন ক্যাফেইন সঙ্গে সঙ্গে আপনার মস্তিষ্কে পৌঁছায় না। এটিকে আপনার পাকস্থলী ও ক্ষুদ্রান্ত্র পার হয়ে রক্তপ্রবাহে প্রবেশ করতে হয় এবং মস্তিষ্কে পৌঁছাতে হয়। এতে প্রায় ২০ থেকে ৩০ মিনিট সময় লাগে। এই সময়ের মধ্যে, যদি আপনি একটি ছোট ঘুম দেন বিশেষত উদ্দীপক প্রভাব শুরু হওয়ার প্রায় ২০ মিনিট আগে, তবে আপনি কফি এবং ছোট ঘুম উভয়েরই সুবিধা নিতে পারবেন।

 

 

একটি ছোট ঘুম আপনার মস্তিষ্ককে বিশ্রাম ও পুনরুজ্জীবিত হওয়ার সুযোগ দেয়, যা ক্লান্তি কমায়। ঘুম থেকে ওঠার পর, ক্যাফেইনের প্রভাব শুরু হয়ে যায়, যা আপনার সজাগতা বাড়িয়ে তোলে এবং আপনাকে আরও বেশি সতেজ অনুভব করায়।

 

ইফেক্টিভ কাজ করতে ফলো করুন এই তিনটি টিপস—

 

প্রথমে কফি পান করুন: প্রথমে যেকোনো এক কাপ কফি পান করুন। এটি হতে পারে ব্ল্যাক কফি, আইসড কফি বা এসপ্রেসো। 

 

২০ মিনিটের জন্য অ্যালার্ম সেট করুন: ৩০ মিনিটের বেশি ঘুমাবেন না। যদি আপনি গভীর ঘুমে চলে যান, তাহলে ঘুম থেকে উঠে আপনার শরীর ঝিমুনি করবে এবং আপনি দিশেহারা বোধ করবেন, যা এই কৌশলটিকে নষ্ট করে দেবে।

 

 

শুধু বিশ্রাম নিন: আপনি পুরোপুরি ঘুমিয়ে পড়তে না পারলেও শুধু চোখ বন্ধ করে একটি শান্ত, অর্ধ-ঘুমন্ত অবস্থায় প্রবেশ করাও অ্যাডেনোসিন দূর করতে এবং আপনার মনকে বিশ্রাম দিতে সাহায্য করে।

 

 

এই সংমিশ্রণটি অল্প সময়ের ঘুমের (ন্যাপ) পুনরুদ্ধারকারী প্রভাবকে কাজে লাগানোর পাশাপাশি ক্যাফেইনের উদ্দীপক বৈশিষ্ট্যকেও ব্যবহার করে, যার ফলে সজাগ থাকার অবস্থা বৃদ্ধি পায় এবং জ্ঞানীয় কর্মক্ষমতা উন্নত হয়। যারা কার্যকরভাবে ঘুমের সমস্যা দূর করতে চান, তাদের জন্য এটি একটি শক্তিশালী কৌশল। 
সূত্র: যুগান্তর .কম
এমডি

বিশেষ সংখ্যা থেকে আরো পড়ুন


সম্পাদক মণ্ডলীর উপদেষ্টা : স্বপন কুমার দেব, কুমার সৌরভ

সম্পাদক ও প্রকাশক : পঙ্কজ কান্তি দে

অনলাইন সম্পাদক : মাহবুবুল হাছান শাহীন

সম্পাদক কর্তৃক অক্ষর মুদ্রণ অফসেট প্রেস, জোয়াহের রাজা ট্রেড সেন্টার, পুরাতন বাসস্টেশন, সুনামগঞ্জ।

মোবাইল : ০১৭১৮৩৪৫৯৭৫

বিজ্ঞাপন : ০১৩২৫৪৬২৪৯৫

ই-মেইল : [email protected]

সুনামগঞ্জের খবর পরিবার