অল্প বয়সে জেন-জিদের চুল পড়ার যেসব কারণ চিহ্নিত করেছেন বিশেষজ্ঞরা

প্রকাশিত: ৩০ আগস্ট, ২০২৬ ১২:৪৪

সংগৃহীত ছবি 

চুল পড়া শুধু বয়স বাড়ার স্বাভাবিক লক্ষণ—এমন ধারণা এখন আর পুরোপুরি সত্য নয়। একসময় চুল পেকে যাওয়া, ঘনত্ব কমে যাওয়া কিংবা মাথার কিছু অংশে চুল পাতলা হয়ে যাওয়াকে বয়সের প্রভাব হিসেবে দেখা হলেও বর্তমানে ২০-এর কোঠায় থাকা অনেক তরুণ-তরুণীও একই সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন। অল্প বয়সেই চুলের ভলিউম কমে যাওয়া, ডগা ফেটে যাওয়া এবং অতিরিক্ত চুল পড়া নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে জেন-জি প্রজন্মের মধ্যে।

 

 

এই কারণে আগের প্রজন্মের তুলনায় ত্বক ও চুলের যত্নে বেশি সচেতন এবং আগ্রহী হয়ে উঠেছে তরুণরা। চুল পড়া রোধে নানা ধরনের প্রসাধনী ও হেয়ার কেয়ার পণ্যের ব্যবহারও বেড়েছে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, কেবল বাহ্যিক যত্ন নয়, এর পেছনে রয়েছে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ।

 

দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপ

 

বর্তমান প্রজন্মকে প্রতিনিয়ত পড়াশোনা, কর্মক্ষেত্র, আর্থিক অনিশ্চয়তা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয় থাকার চাপ সামলাতে হয়। এসব কারণে মানসিক চাপ বেড়ে গেলে তার প্রভাব শরীরের পাশাপাশি চুলের ওপরও পড়ে।

 

 

বিশেষজ্ঞদের মতে, অতিরিক্ত মানসিক চাপের কারণে ‘টেলোজেন এফ্লুভিয়াম’ নামের একটি অবস্থা তৈরি হতে পারে। এতে স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি সংখ্যক চুলের ফলিকল বিশ্রাম পর্যায়ে চলে যায় এবং দ্রুত চুল ঝরতে শুরু করে। আমেরিকান অ্যাকাডেমি অব ডার্মাটোলজি অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য অনুযায়ী, তীব্র মানসিক চাপ এ ধরনের সমস্যার অন্যতম কারণ হতে পারে।     

 

প্রয়োজনীয় পুষ্টির অভাব

 

দ্রুত ওজন কমানোর প্রবণতা কিংবা কঠোর ডায়েট অনুসরণ করাও চুল পড়ার ঝুঁকি বাড়ায়। শরীরে পর্যাপ্ত প্রোটিন, আয়রন, ভিটামিন ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদানের ঘাটতি দেখা দিলে চুলের গোড়া দুর্বল হয়ে পড়ে। ফলে চুল সহজেই ঝরে যেতে পারে। তাই প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় সুষম ও পুষ্টিকর খাবার রাখা জরুরি।

 

অতিরিক্ত স্টাইলিংয়ের ক্ষতি

 

চুল পড়ার সব কারণ ফলিকল দুর্বল হওয়া নয়। অনেক ক্ষেত্রে অতিরিক্ত হেয়ার স্টাইলিংও বড় ভূমিকা রাখে। নিয়মিত হিট স্টাইলিং, ব্লিচ, রাসায়নিক ব্যবহার, ঘন ঘন চুলে রং করা কিংবা খুব টাইট করে চুল বাঁধার কারণে চুল ভেঙে যেতে পারে।

 

 

এছাড়া হেয়ার এক্সটেনশন, স্লিকড-ব্যাক হেয়ারস্টাইল, স্ট্রেটনার বা কার্লিং আয়রনের অতিরিক্ত ব্যবহারও চুলের স্বাভাবিক গঠন নষ্ট করে দেয়, ফলে চুল মাঝখান বা ডগা থেকে ভেঙে যেতে শুরু করে।

 

আরও যেসব কারণে চুল পড়ে

 

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মাথার ত্বকের সংক্রমণ, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা, বংশগত বৈশিষ্ট্য এবং অনুপযুক্ত প্রসাধনী বা অতিরিক্ত কেমিক্যাল ব্যবহারের কারণেও চুল পড়ার সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই চুল পড়া দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকলে কারণ শনাক্ত করতে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।
সূত্র: যুগান্তর .কম
এমডি

বিশেষ সংখ্যা থেকে আরো পড়ুন


সম্পাদক মণ্ডলীর উপদেষ্টা : স্বপন কুমার দেব, কুমার সৌরভ

সম্পাদক ও প্রকাশক : পঙ্কজ কান্তি দে

অনলাইন সম্পাদক : মাহবুবুল হাছান শাহীন

সম্পাদক কর্তৃক অক্ষর মুদ্রণ অফসেট প্রেস, জোয়াহের রাজা ট্রেড সেন্টার, পুরাতন বাসস্টেশন, সুনামগঞ্জ।

মোবাইল : ০১৭১৮৩৪৫৯৭৫

বিজ্ঞাপন : ০১৩২৫৪৬২৪৯৫

ই-মেইল : [email protected]

সুনামগঞ্জের খবর পরিবার