প্রকাশিত: ০২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৭:৫০
দোয়ারাবাজারে মূলহোতা কুদ্দুস পলাতক
দোয়ারাবাজারে নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অপরাধে চারজনকে আটক করে মোট ২ লাখ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। তবে অভিযানের সময় অবৈধ বালু উত্তোলন ও স্থানীয়ভাবে চিহ্নিত মাদক কারবারের মূলহোতা কুদ্দুস মিয়া পালিয়ে গেছে।
বুধবার উপজেলার বাংলাবাজার ইউনিয়নের বাঘমাড়া এলাকায় এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ধরমপুর গ্রামের বাদসা মিয়ার ছেলে শামসু মিয়া ও জহির মিয়ার ছেলে কুদ্দুস মিয়া দীর্ঘদিন ধরে রাতের আঁধারে ভাড়াটে শ্রমিকদের মাধ্যমে নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে আসছিলেন। বালু খেকো হিসেবে পরিচিত এই কুদ্দুস মিয়ার বিরুদ্ধে এলাকায় মাদক ব্যবসারও অভিযোগ রয়েছে।
ঘটনার দিন স্থানীয় গ্রামবাসীরা বালু উত্তোলনের সময় চারজনকে হাতেনাতে আটক করে উপজেলা প্রশাসনকে খবর দেন। সংবাদের ভিত্তিতে দোয়ারাবাজার উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রাশেদুল ইসলামের নেতৃত্বে ঘটনাস্থলে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। প্রশাসনের উপস্থিতি টের পেয়ে ঘটনার মূলহোতা কুদ্দুস মিয়া চম্পট দেয়।
পরবর্তীতে বালু উত্তোলনের দায়ে আটককৃত চারজনকে ৫০ হাজার টাকা করে মোট ২ লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে প্রত্যেককে ২ মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন— আব্দুল করিম, জাহাঙ্গীর আলম, ইমন ও আলতাব আলী। তারা দোয়ারাবাজার ও পাশাপাশি কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে অনিয়ন্ত্রিতভাবে বালু উত্তোলনের ফলে নদীর তীর, পার্শ্ববর্তী ফসলি জমি ও সামগ্রিক পরিবেশ মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে। তারা স্থায়ীভাবে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে প্রশাসনের নিয়মিত অভিযান ও কঠোর নজরদারির জোর দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে দোয়ারাবাজার উপজেলা প্রশাসন নিশ্চিত করেছে যে, নদী ও পরিবেশ রক্ষা এবং যে কোনো অনিয়ম—অপকর্মের বিরুদ্ধে এই ধরনের ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
উপজেলার খবর থেকে আরো পড়ুন