যাতায়াত ভাতা পাননি সহকারী প্রিজাইডিং ও পুলিং অফিসার 

প্রকাশিত: ০৯ জানুয়ারি, ২০২৪ ০৭:২১

সুনামগঞ্জ-১ আসনটি তাহিরপুর-জামালগঞ্জ-ধরমপাশা ও মধ্যনগর উপজেলা নিয়ে গঠিত। নির্বাচনে দায়িত্বপালন করতে গিয়ে এই আসনের ধর্মপাশা উপজেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা যাতায়াত ভাতা জনপ্রতি ২ হাজার টাকা করে পেলেও তাহিরপুর উপজেলায় দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট গ্রহণে দায়িত্ব পালনকারী প্রিজাইডিং সহকারী প্রিজাইডিং ও পুলিং অফিসারগণ যাতায়াত ভাতা পাননি। এ নিয়ে নির্বাচনে দায়িত্ব পালনকারীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। তাহিরপুর উপজেলায় দায়িত্বপালনকারী কর্মকর্তারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লেখালেখি করছেন। অনেকেই লিখেছেন, পার্শ্ববর্তী ধর্মপাশা ও বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার নির্বাচনে দায়িত্ব পালনকারীরা যাতায়াত ভাতা ২ হাজার টাকা করে পেলেও আমরা কেনো বঞ্চিত হলাম। আবার অনেকেই মৌখিকভাবে গণমাধ্যম কর্মীদেরকে বিষয়টি অবহিত করেছেন।


জানা গেছে, তাহিরপুর উপজেলায় ৫৩টি ভোট কেন্দ্রে সর্বমোট ১ হাজার ৬১ জন প্রিজাইডিং, সহকারী প্রিজাইডিং ও পুলিং অফিসার ভোট গ্রহণ কাজে নিয়োজিত ছিলেন।


নির্বাচনে দায়িত্ব পালনকারী সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার তাহিরপুর উপজেলার মুকসেদপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দীপঙ্কর ভট্টাচার্য কাঞ্চু ফেসবুক স্ট্যাটাসে লিখেছেন, তাহিরপুর উপজেলা নির্বাচনে দায়িত্ব পালনকারী শিক্ষক কর্মচারী কেউ কি যাতায়াত ভাতা পেয়েছেন? এর মধ্যে তাহিরপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রনদা গাঙ্গুলী লিখেন, না কেউ পায়নি। তবে বিশ্বম্ভরপুর পেয়েছে। লাউড়েরগড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহাদাৎ হোসেন জানান, এখন আর পেতে চাই না। জালিয়াতির তীব্র প্রতিবাদ চাই।


বীরেন্দ্রনগর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে দায়িত্বপালনকারী বারুঙ্কা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নারায়ণ চক্রবর্তী বলেন, ব্ল্যাঙ্ক কাগজে স্বাক্ষর নেয়া হয়েছে। কিন্তু যাতায়াত ভাতা দেয়া হয় নি। ওই ভোট কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার বাদাঘাট সরকারী ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক মৃদুল কান্তি কর বললেন, ইউএনও স্যারের নির্দেশে আমি ব্ল্যাঙ্ক ভাউচারে নির্বাচনে দায়িত্বপালনকারী কর্মকর্তাদের নিকট থেকে স্বাক্ষর রেখেছি।


তাহিরপুর উপজেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি বাদাঘাট পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রের সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার অজয় কুমার দে বলেন, নির্বাচনে ডিউটির জন্য দুর্গম ও হাওরাঞ্চলের জন্য যাতায়াত ভাতা জনপ্রতি ২ হাজার টাকা করে দেয়ার কথা চিঠিতে উল্লেখ রয়েছে। কিন্তু তাহিরপুর উপজেলার কাউকেই কোন যাতায়াত ভাতা দেয়া হয়নি।


তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সালমা পারভিন বলেন, বিধি মোতাবেক তিনি নির্বাচনে কর্তব্যরত কর্মকর্তাদের ভাতাদি দিয়েছেন। বিশ্বম্ভরপুর উপজেলাতে কি করছে তা আমি জানি না। 


তিনি আরও বলেন, তাহিরপুরে প্রিজাইডিং অফিসারদের নিকট সহকারী প্রিজাইডিং ও পুলিং অফিসারদের স্বাক্ষর দেয়া ব্ল্যাঙ্ক ভাউচারগুলো জমা রাখার জন্য তিনি উপজেলা নির্বাচন অফিসারকে নির্দেশ দিয়েছেন।

উপজেলার খবর থেকে আরো পড়ুন


সম্পাদক মণ্ডলীর উপদেষ্টা : স্বপন কুমার দেব, কুমার সৌরভ

সম্পাদক ও প্রকাশক : পঙ্কজ কান্তি দে

অনলাইন সম্পাদক : মাহবুবুল হাছান শাহীন

সম্পাদক কর্তৃক অক্ষর মুদ্রণ অফসেট প্রেস, জোয়াহের রাজা ট্রেড সেন্টার, পুরাতন বাসস্টেশন, সুনামগঞ্জ।

মোবাইল : ০১৭১৮৩৪৫৯৭৫

বিজ্ঞাপন : ০১৩২৫৪৬২৪৯৫

ই-মেইল : [email protected]

সুনামগঞ্জের খবর পরিবার