হরমুজ ছাড়িয়ে যুদ্ধের বিস্তার বিশ্বজুড়ে, তবে কি চরম সংকটে ইরানের অর্থনীতি?

প্রকাশিত: ২৭ জুলাই, ২০২৬ ১২:৩৪

সংগৃহীত ছবি 

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র মধ্যস্থতার মাধ্যমে পুনরায় আলোচনা শুরু করেছে এবং তাদের সামরিক তৎপরতা সাময়িকভাবে স্থগিত রয়েছে। তবে, এই যুদ্ধ হরমুজ প্রণালি ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক নৌপথের পাশাপাশি ইরানের অভ্যন্তরীণ বাজারগুলোতেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। মধ্যস্থতার চেষ্টা অব্যাহত থাকলেও, আন্তর্জাতিক জলপথগুলোতে বিঘ্ন ঘটার ঝুঁকি বাড়ায় চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

 

 

কৌশলগত এই জলপথের প্রায় পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাওয়া, ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীদের দ্বারা লোহিত সাগরে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি এবং কাস্পিয়ান সাগরে একটি ইরানি জাহাজে ইউক্রেনের হামলা—সব মিলিয়ে উত্তেজনা চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে।

 

 

এরই মধ্যে মার্কিন সামরিক বাহিনী দ্বিতীয়বারের মতো ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় বন্দরগুলোতে নৌ-অবরোধ কার্যকর করেছে। ফলে ব্যাপক সামাজিক ও অর্থনৈতিক অসন্তোষের মধ্যে সম্ভাব্য জ্বালানির দাম বাড়ানোর মতো কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হতে পারে ইরান সরকারকে।

 

 

শনিবার (২৫ জুলাই) ইরানের জ্বালানি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, যুদ্ধের সময় তারা ১ হাজার ১৫০ কোটি ডলারের অপরিশোধিত জ্বালানি তেল বিক্রি করেছে (তবে এর সুনির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ করা হয়নি)। এছাড়া গত মাসে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্বাক্ষরিত একটি সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ) আওতায় আরও ৬৫০ কোটি ডলারের তেল বিক্রি করা হয়েছে, যা বর্তমানে স্থগিত রয়েছে। মন্ত্রণালয়ের মতে, এই সম্মিলিত আয় বাজেটে নির্ধারিত বার্ষিক তেল রাজস্ব লক্ষ্যের ৬০ শতাংশ।

 

 

গত ১৭ জুনের সমঝোতা স্মারকটি স্বাক্ষরের পর হরমুজ প্রণালি আংশিকভাবে খুলে দেওয়া হয় এবং ইরানের ওপর থেকে মার্কিন নৌ-অবরোধ তুলে নেওয়া হয়। এতে বিশ্বব্যাপী তেলের বাজারে কিছুটা স্বস্তি আসে এবং ইরানের আঞ্চলিক জলসীমায় অপেক্ষমাণ সুপারট্যাঙ্কারগুলো থেকে তেল রপ্তানির সুযোগ তৈরি হয়। জ্বালানি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে বছরের প্রথমার্ধে প্রায় ৩০০ কোটি ডলার অতিরিক্ত আয় হয়েছে। মার্কিন নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও এখন পর্যন্ত ১ হাজার ১০০ কোটি ডলার সরকারি কোষাগারে জমা হয়েছে।

 

 

গত ১৩ এপ্রিল আরোপিত আগের অবরোধটি দুই মাসের কিছু বেশি সময় ধরে চলেছিল। ওই সময়ে ইরানের অপরিশোধিত তেল রপ্তানি প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছিল বলে কর্তৃপক্ষ স্বীকার করে। দীর্ঘস্থায়ী দ্বিতীয় অবরোধের কারণে ইরানের রপ্তানি আয় আরও কমার এবং খার্গ দ্বীপের ওপর চাপ বাড়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। 

 

 

উল্লেখ্য, ইরানের অপরিশোধিত তেল রপ্তানির প্রায় ৯০ শতাংশই এই দ্বীপ দিয়ে হয়ে থাকে। এছাড়া অন্যান্য সংরক্ষণ ও রপ্তানি কেন্দ্রগুলোও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে, যা পেট্রোকেমিক্যাল প্ল্যান্টগুলোর উৎপাদন ব্যাহত করবে এবং পুনরায় উৎপাদন শুরু করাকে আরও ব্যয়বহুল ও ধীরগতির করে তুলবে।

 

 

মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, জুলাইয়ের মাঝামাঝি থেকে জারি করা এই অবরোধ ভাঙার চেষ্টা করা ১২টি বাণিজ্যিক জাহাজকে শনিবার পর্যন্ত ঘুরিয়ে দেওয়া হয়েছে। নির্দেশ অমান্য করায় দুটি জাহাজকে বিকল করা হয়েছে এবং সম্পূর্ণ অনুবর্তিতা নিশ্চিত করতে দুটিতে তল্লাশি চালানো হয়েছে।

 

 

মার্কিন সামরিক বাহিনী একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে, যেখানে দেখা যায়—ভারি অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত সেনারা হেলিকপ্টার থেকে দড়ি বেয়ে চারমিনার নামক একটি তেলবাহী ট্যাংকারের ডেকে নামছেন। শামখানি নেটওয়ার্কের অংশ হওয়ার অভিযোগে গত বছর থেকে ইরানের সঙ্গে যুক্ত এই জাহাজটির ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। 

 

 

যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, ইরানি তেল ব্যবসায়ী মোহাম্মদ হোসেইন শামখানি ইরান ও রাশিয়ার গোপন নৌবহর পরিচালনায় কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করেন।

 

অন্যদিকে, প্রণালিটি বন্ধ রাখতে ইরান প্রতিদিন একাধিক জাহাজ ঘুরিয়ে দিচ্ছে বলে জানিয়েছে। দেশটির সশস্ত্র বাহিনী স্পষ্ট করে জানিয়েছে, তারা কোনো চাপের কাছে মাথা নত করবে না। রোববার ইরানি গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, হরমুজ প্রণালিতে নৌ-মাইন বা জলবোমার আঘাতে একটি জাহাজ বিস্ফোরিত হয়েছে।

 

 

এতকিছুর পরও, সেন্টকম পরপর দুই রাত ইরানে ব্যাপক বোমাবর্ষণ বন্ধ রেখেছে। জাতিসংঘে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক ওয়াল্টজ জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তেহরানের সঙ্গে আলোচনার জন্য কিছুটা সময় দিচ্ছেন।

 

 

ইরানও অঞ্চলজুড়ে তাদের পাল্টা হামলা বন্ধ রেখেছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালি পুনরায় খোলার বিষয়ে ওমানের সঙ্গে আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে।

 

অভ্যন্তরীণ চিত্র

 

তেল রপ্তানির এ সীমাবদ্ধতা ইরানের বিদ্যমান অর্থনৈতিক সংকটকে আরও বাড়িয়ে তুলছে। বছরের পর বছর ধরে চলা কঠোর নিষেধাজ্ঞা, অভ্যন্তরীণ কাঠামোগত সমস্যা এবং অব্যবস্থাপনাই মূলত এর জন্য দায়ী।

 

 

ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের শুরু করা এই যুদ্ধে ইরানের অবকাঠামো ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সংঘাত আরও বাড়লে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে।

 

গত মাসে সরকার জানিয়েছে, যুদ্ধপূর্ববর্তী সময়ে ইরানের দৈনিক প্রাকৃতিক গ্যাস উৎপাদনের পরিমাণ ছিল প্রায় ৬৫ কোটি ঘনমিটার। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলি হামলায় এর মধ্যে প্রায় ২৩ কোটি ঘনমিটার উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে, যা বিদ্যুৎ ও পেট্রোকেমিক্যাল সংকটকে আরও ঘনীভূত করেছে।

 

পার্স স্পেশাল ইকোনমিক এনার্জি জোনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাখাওয়াত আসাদি রোববার আশা প্রকাশ করে বলেন, আগামী কয়েক মাসের মধ্যে দৈনিক ১০ কোটির বেশি ঘনমিটার হারানো উৎপাদন ক্ষমতা পুনরুদ্ধার করতে সক্ষম হবে ইরান।

 

 

দেশটি এখন প্রতিদিন ২ কোটি লিটারেরও বেশি পেট্রোল ঘাটতির সম্মুখীন, যা মোকাবিলায় কর্তৃপক্ষ হিমশিম খাচ্ছে। সীমিত কিন্তু ব্যয়বহুল আমদানি, জ্বালানি উপাদানের মিশ্রণ, যুদ্ধের আগে মজুত করা জ্বালানি ব্যবহার এবং নাগরিকদের ব্যবহার কমানোর বারবার অনুরোধের মাধ্যমে এই সংকট সামাল দেওয়ার চেষ্টা চলছে।

 

 

জ্বালানি মন্ত্রণালয় সতর্ক করে বলেছে, এই ভারসাম্যহীনতা চলতে থাকলে মাসিক জ্বালানি ব্যবহারের সীমা আরও কমানো হতে পারে। সরকার চলতি সপ্তাহে জানিয়েছে, তারা সাধারণ মানুষের জন্য বরাদ্দকৃত মাসিক পেট্রোল কোটার তৃতীয় স্তরের দাম দ্বিগুণ করার বিষয়টি গভীরভাবে বিবেচনা করছে।

 

 

এর আগে ডিসেম্বরে পেট্রোলের দাম এক দফা বাড়ানো হয়েছিল, যার কয়েক সপ্তাহ পরই জানুয়ারিতে দেশজুড়ে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে এবং সরকারি দমন-পীড়নে হাজার হাজার মানুষ নিহত হয়। ২০১৯ সালের নভেম্বরেও রাতারাতি জ্বালানির দাম বৃদ্ধির ফলে দেশব্যাপী মারাত্মক বিক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছিল।

 

 

রাজধানী তেহরানসহ দেশের বিভিন্ন শহর লোডশেডিংয়ের কবলে পড়েছে, যা পানি সরবরাহ ও যোগাযোগ ব্যবস্থাতেও বিঘ্ন ঘটাচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমবাজারকে আরও উসকে দেওয়া এড়াতে প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান আগামী সেপ্টেম্বর পর্যন্ত শিল্প কারখানাগুলোতে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন না করার নির্দেশ দিয়েছেন।

 

 

হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় চীনের সঙ্গে ইরানের বাণিজ্যও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। চীন ইরানের সবচেয়ে বড় বাণিজ্য অংশীদার এবং তেল ক্রেতা। তবে যুদ্ধের পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে চীন সার্বিকভাবে ইরান থেকে অপরিশোধিত তেল আমদানি উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়ে দিয়েছে।

 

 

চীনা কাস্টমসের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধের শুরু থেকেই চীনের সঙ্গে ইরানের তেল-বহির্ভূত বাণিজ্যও কমেছে, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় মার্চ ও জুনে ৭৫ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।

 

 

কর্তৃপক্ষের নির্দেশে জানুয়ারির বিক্ষোভ এবং পরবর্তীতে যুদ্ধের সময় প্রায় পুরোপুরি ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল, যা এ বছর ইরানের অর্থনীতিকে আরও শোচনীয় করে তুলেছে। দীর্ঘস্থায়ী মূল্যস্ফীতি এবং জনগণের ক্রয়ক্ষমতা দ্রুত হ্রাসের বিরুদ্ধে লড়ছে দেশটি।

 

 

ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত পেনশন তহবিলের অধিভুক্ত থিংক ট্যাংক 'সাবা পেনশন স্ট্র্যাটেজিস ইনস্টিটিউট'-এর গত বছরের একটি প্রতিবেদনে দেখা গেছে, পাঁচ বছর আগে যেখানে ৩০ শতাংশের সামান্য বেশি ইরানি দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করত, এ বছর তা ৪৫ শতাংশে পৌঁছাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে—এবং এই হার ক্রমাগত বেড়েই চলেছে।

 

বাব আল-মানদেব ও কাস্পিয়ান সাগরে সংঘাতের বিস্তার

 

যুদ্ধ তীব্রতর হলে লোহিত সাগর পর্যন্ত সামুদ্রিক প্রতিবন্ধকতা ছড়াতে পারে বলে ইরানের বারবার হুমকির পর, গত সপ্তাহে ইয়েমেনের হুতিরা সৌদি আরবের বিরুদ্ধে অবরোধ ঘোষণা করে। বাব আল-মানদেব প্রণালির কাছাকাছি চলাচলকারী জাহাজগুলোকে তারা হয় ঘুরিয়ে দিচ্ছে নয়তো আক্রমণ করছে। পাশাপাশি তারা সৌদি তেলের স্থাপনাগুলোতে বোমা হামলাও চালিয়েছে।

 

 

চীনা সুপারট্যাঙ্কারসহ ডজন ডজন পণ্যবাহী জাহাজ এখনো এই প্রণালি দিয়ে যাতায়াত করছে। তবে যুদ্ধ-ঝুঁকির প্রিমিয়াম বেড়ে যাওয়ায় সবার জন্যই আমদানি ও বীমার খরচ বৃদ্ধি পেয়েছে।

 

ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারকে সমর্থনকারী জোটের নেতৃত্বদানকারী সৌদি কর্তৃপক্ষ, হুতিদের বিরুদ্ধে ইয়েমেনজুড়ে বড় ধরনের বিমান হামলা চালিয়ে এর কড়া জবাব দিয়েছে।

 

 

আরও উত্তরে, ইউক্রেন নিশ্চিত করেছে যে তারা কাস্পিয়ান সাগরে একটি জাহাজে হামলা চালিয়েছে। প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির অভিযোগ, জাহাজটিতে ইরানের সঙ্গে যুক্ত সামরিক সরঞ্জাম বহন করা হচ্ছিল।

 

 

তবে ইরানি কর্তৃপক্ষের দাবি, এটি একটি বাণিজ্যিক জাহাজ ছিল, যা রাশিয়ার ভলগা নদীর বন্দর আস্ট্রাখান থেকে লোহা নিয়ে উত্তর ইরানের বন্দর আনজালির দিকে যাচ্ছিল। হামলায় এক নাবিক নিহত ও তিনজন আহত হয়েছেন বলে তারা জানিয়েছে। এ ঘটনার কড়া প্রতিবাদ জানাতে এবং এই কাজ বিনা জবাবে পার পাবে না—এমন হুঁশিয়ারি দিতে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তেহরানে নিযুক্ত কিয়েভের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্সকে তলব করেছে।

 

 

এই ঘটনাটি এমন একটি উদ্বেগ তৈরি করেছে যে, কাস্পিয়ান সাগর—যা আগে নিরাপদে বাণিজ্যের জন্য ব্যবহৃত হতো—তাও আরও বেশি সামরিক সংঘাতের ক্ষেত্র হয়ে উঠতে পারে।

 

 

কাস্পিয়ান সাগরে ইরানের বাণিজ্য মূলত রাশিয়া, কাজাখস্তান, তুর্কমেনিস্তান এবং আজারবাইজানের সঙ্গে হয়ে থাকে। দেশটি গম, ভুট্টা, বার্লি, পশুখাদ্যের মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যসহ কাঠ ও সার আমদানি করে। উত্তরের এই সামুদ্রিক পথ দিয়ে ইরানের রপ্তানি পণ্যের মধ্যে রয়েছে নির্মাণ সামগ্রী, ইস্পাত পণ্য, কৃষিজাত পণ্য এবং কিছু পরিশোধিত পেট্রোকেমিক্যাল সামগ্রী।

 

 

যুদ্ধের এই প্রসারিত বাধাগুলো রাষ্ট্রের সঙ্গে যুক্ত কট্টরপন্থি বিশ্লেষকদের চীন ও রাশিয়ার সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠ কৌশলগত অংশীদারিত্বের পক্ষে অবস্থান নিতে প্ররোচিত করেছে।

 

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের সঙ্গে যুক্ত রাজনৈতিক বিশ্লেষক মাহদি খারাতিয়ান রোববার সামাজিক মাধ্যম এক্সে লিখেছেন, আমরা এখন বলতে পারি যে, মধ্যপ্রাচ্য এবং ইউক্রেনের যুদ্ধের ফ্রন্টগুলো ক্রমশ একে অপরের সঙ্গে জড়িয়ে যাচ্ছে।
সূত্র: যুগান্তর .কম
এমডি

আন্তর্জাতিক থেকে আরো পড়ুন


সম্পাদক মণ্ডলীর উপদেষ্টা : স্বপন কুমার দেব, কুমার সৌরভ

সম্পাদক ও প্রকাশক : পঙ্কজ কান্তি দে

অনলাইন সম্পাদক : মাহবুবুল হাছান শাহীন

সম্পাদক কর্তৃক অক্ষর মুদ্রণ অফসেট প্রেস, জোয়াহের রাজা ট্রেড সেন্টার, পুরাতন বাসস্টেশন, সুনামগঞ্জ।

মোবাইল : ০১৭১৮৩৪৫৯৭৫

বিজ্ঞাপন : ০১৩২৫৪৬২৪৯৫

ই-মেইল : [email protected]

সুনামগঞ্জের খবর পরিবার