স্কুল ফিডিং প্রকল্প শিশুদের হীনমন্যতা দূর করছে

প্রকাশিত: ২৭ জুলাই, ২০২৬ ২৩:২২

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের শ্রেণিকক্ষে বৈষম্য দূর ও ঝরে পড়া রোধে ‘স্কুল ফিডিং প্রকল্প’ অত্যন্ত মহৎ ভূমিকা রাখছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মো. আব্দুর রহিম। রবিবার রবিবার সুনামগঞ্জ পিটিআই ভবনে জেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকদের সাথে মতবিনিময় সভায় তিনি এই মন্তব্য করেন।


শিক্ষার্থীদের মানসিক বিকাশ ও পুষ্টির গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, অনেক সময় ধনী পরিবারের সন্তানরা টিফিন নিয়ে আসে, আর দরিদ্র পরিবারের সন্তানরা তা পায় না। এতে শিশুদের মনে হীনমন্যতা ও সংকোচ তৈরি হয়। সরকারের এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্যই হলো—সকল শিক্ষার্থীর জন্য সমান খাবারের ব্যবস্থা করে এই বৈষম্য ও হীনমন্যতা দূর করা। একই সাথে দুপুরের খাবারের পর যাতে শিক্ষার্থীরা ক্ষুধা মুক্ত থেকে মনোযোগ দিয়ে পরের ক্লাসগুলো করতে পারে, তা নিশ্চিত করা।

 


সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো বিভিন্ন নেতিবাচক সংবাদ ও ভিডিওর প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, হাজার হাজার ভালো খাবারের মাঝে সামান্য কোনো অনিচ্ছাকৃত ভুলত্রুটি হলে সেটাকে বড় করে দেখানোর প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। যেমন—১০০টি ডিমের মধ্যে ৯৫টি ভালো এবং ৫টি নষ্ট হলে, ঠিকাদার তা পরিবর্তন করে দিচ্ছে। এটি ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গিতে দেখা উচিত। ভুলত্রুটি ইচ্ছাকৃত না কি অনিচ্ছাকৃত, তা বিচার করা প্রয়োজন। তবে কোনো ঠিকাদার যদি বেশি লাভের আশায় অসৎ উদ্দেশ্যে খারাপ খাবার সরবরাহ করে, তবে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরও জানান, মন্ত্রী ও সচিব মহোদয়সহ দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা এসকল বিষয পর্যবেক্ষণ করছেন। আমাদের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী মহোদয় স্কুল ফিডিং প্রকল্পের প্রথম প্রোগ্রাম দিয়েছেন সুনামগঞ্জে। আমরা মনে করি, সেজন্য সুনামগঞ্জবাসীর গর্ববোধ করা উচিত, মাননীয় প্রতিমন্ত্রী মহোদয়ও এখানেই চলে এসেছেন।

উপজেলার খবর থেকে আরো পড়ুন


সম্পাদক মণ্ডলীর উপদেষ্টা : স্বপন কুমার দেব, কুমার সৌরভ

সম্পাদক ও প্রকাশক : পঙ্কজ কান্তি দে

অনলাইন সম্পাদক : মাহবুবুল হাছান শাহীন

সম্পাদক কর্তৃক অক্ষর মুদ্রণ অফসেট প্রেস, জোয়াহের রাজা ট্রেড সেন্টার, পুরাতন বাসস্টেশন, সুনামগঞ্জ।

মোবাইল : ০১৭১৮৩৪৫৯৭৫

বিজ্ঞাপন : ০১৩২৫৪৬২৪৯৫

ই-মেইল : [email protected]

সুনামগঞ্জের খবর পরিবার