প্রকাশিত: ১৫ আগস্ট, ২০২৬ ১৩:০৬
সংগৃহীত ছবি
পুষ্টিবিদ দীপশিখা জৈন এমন পাঁচটি খাবারের কথা জানিয়েছেন, যেগুলো নিয়মিত খাদ্যতালিকায় রাখা যেতে পারে। এগুলো হলো—ব্রকলি, চিয়া সিড, রাস্পবেরি, ডার্ক চকলেট ও ব্ল্যাক কফি।
ইনস্টাগ্রামে দেওয়া এক পোস্টে দীপশিখা জৈন বলেন, ব্রকলি ও অন্যান্য ক্রুসিফেরাস সবজিতে সালফোরাফেন নামের একটি উপাদান রয়েছে। এটি শরীরে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমাতে এবং প্রদাহ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করতে পারে।
চিয়া সিডে রয়েছে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, প্রচুর ফাইবার ও প্রয়োজনীয় অ্যামিনো অ্যাসিড। এসব পুষ্টি উপাদান শরীরের প্রদাহ কমাতে সহায়ক হতে পারে।
তৃতীয় খাবার হিসেবে তিনি রাস্পবেরির কথা উল্লেখ করেন। এতে পলিফেনল ও ফাইবার রয়েছে। পলিফেনলসমৃদ্ধ বেরি জাতীয় ফল শরীরের প্রদাহ কমাতে ভূমিকা রাখতে পারে।
ডার্ক চকলেটেও রয়েছে উপকারী উপাদান। এতে থাকা কোকোতে প্রচুর ফ্ল্যাভোনয়েড থাকে, যা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে এবং প্রদাহ কমাতে সহায়ক হতে পারে।
তবে ডার্ক চকলেট বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে বেশি কোকো এবং কম চিনি থাকা পণ্যকে অগ্রাধিকার দেওয়া ভালো।
পঞ্চম খাবার হিসেবে ব্ল্যাক কফির কথা বলেছেন দীপশিখা। কফিতে থাকা বিভিন্ন অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান প্রদাহ নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হতে পারে। তবে অতিরিক্ত কফি পান না করে পরিমিত গ্রহণ করাই ভালো।
শুধু প্রদাহ কমাতে সহায়ক খাবার খাওয়াই যথেষ্ট নয়; প্রদাহ বাড়াতে পারে এমন খাবারও কমানো জরুরি। স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট হেলথলাইন জানিয়েছে, অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত খাবার, যেমন—পটেটো চিপস ও ফাস্টফুড, নিয়মিত খাওয়া কমানো উচিত। একইভাবে সাদা পাউরুটি, সাদা ভাত ও বিস্কুটের মতো পরিশোধিত খাবারও সীমিত করার পরামর্শ দেওয়া হয়।
এ ছাড়া ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, ভাজা মুরগি ও মোজারেলা স্টিকের মতো ভাজাপোড়া খাবার এবং কোমল পানীয়, অতিরিক্ত চিনি দেওয়া চা ও স্পোর্টস ড্রিংকের মতো মিষ্টি পানীয়ও নিয়মিত গ্রহণ না করাই ভালো।
সুষম খাদ্যাভ্যাসের পাশাপাশি নিয়মিত শরীরচর্চা, পর্যাপ্ত ঘুম ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
সূত্র: যুগান্তর .কম
এমডি
বিশেষ সংখ্যা থেকে আরো পড়ুন