প্রকাশিত: ১৯ আগস্ট, ২০২৬ ২২:৩৯
সরকারি অনুমোদন ছাড়া সাধারণ যাত্রীবাহী বাসের কাঠামো পরিবর্তন করে স্লিপার কোচ হিসেবে পরিচালনার অভিযোগে বিভিন্ন পরিবহনকে সতর্ক করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে টিকিট বিক্রির প্রমাণ পাওয়ায় ইম্পেরিয়াল এক্সপ্রেসকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
বুধবার দুপুরে শহরের নতুন ও পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকার বিভিন্ন বাস কাউন্টারে বিআরটিএ’র সহযোগিতায় অভিযান পরিচালনা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় স্লিপার বাস হিসেবে চলাচলকারী বিভিন্ন পরিবহনের সংশ্লিষ্টদের সরকারি অনুমোদন ছাড়া এসব বাস না চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
অভিযানে ইম্পেরিয়াল এক্সপ্রেসের কাউন্টারে গিয়ে দেখা যায়, অনুমোদন না থাকা সত্ত্বেও স্লিপার বাসের টিকিট বিক্রি করা হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্টরা অস্বীকার করলেও টিকিট বিক্রির প্রমাণ পাওয়ায় ইম্পেরিয়াল এক্সপ্রেসকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
.jpg)
ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার (শিক্ষা ও কল্যাণ শাখা, তথ্য ও অভিযোগ শাখা, ক্রীড়া ও সংস্কৃতি শাখা) মো. সাব্বির হোসেন শাওন এ জরিমানা করেন।
এ সময় বিআরটিএ পরিদর্শক হাসিব ইসলাম হিমেলসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
বিআরটিএ সূত্রে জানা যায়, ইম্পেরিয়াল এক্সপ্রেস, শ্যামলী পরিবহন, বেঙ্গল পরিবহন, ইউরোচ ও সেন্ট মার্টিন পরিবহনের কিছু বাস সাধারণ যাত্রীবাহী বাসের কাঠামো পরিবর্তন করে স্লিপার বাস হিসেবে পরিচালনা করছে। এসব বাস সুনামগঞ্জ থেকে রাজধানী ঢাকায় যাত্রী পরিবহনে ব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির হোসেন শাওন বলেন, নতুন ও পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় স্লিপার বাস পরিচালনাকারীদের সতর্ক করা হয়েছে। সরকারি অনুমোদন ছাড়া এসব বাস সড়কে চালানো যাবে না। ইম্পেরিয়াল এক্সপ্রেসের কাউন্টারে অনুমোদন না থাকা সত্ত্বেও টিকিট বিক্রির প্রমাণ পাওয়ায় প্রতিষ্ঠানটিকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। ভবিষ্যতে সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে এসব বাস চালানো হলে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উপজেলার খবর থেকে আরো পড়ুন