প্রকাশিত: ০১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০০:৪০
মধ্যনগরের বাঙালভিটায় মিছিল করার ঘটনায় নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের ৪৮ জনকে আসামি করে মামলা হয়েছে। আসামিদের সকলেই বিগত জাতীয় নির্বাচনে সুনামগঞ্জ—১ (ধর্মপাশা, জামালগঞ্জ, তাহিরপুর ও মধ্যনগর) আসনের সংসদ সদস্য সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রঞ্জিত চন্দ্র সরকারের কর্মী—সমর্থক। এদের বেশির ভাগেই তাহিরপুর উপজেলার বাসিন্দা। রবিবার রাতে মধ্যনগর থানায় মামলাটি দায়ের করেন— বংশিকুন্ডা (উত্তর) বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক মো. শাজাহান।
মামলায় এক নম্বর আসামি করা হয়েছে, তাহিরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাবেক এমপি রঞ্জিত চন্দ্র সরকারের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত এখলাছুর রহমান তারা মিয়াকে।
অন্য আসামিরা হলেন— আওয়ামী লীগ নেতা মো. আজিজ, এমরান হোসেন বিপক, জেলা ছাত্রলীগ নেতা রাজন মিয়া, জেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি রাজন চন্দ ও রোমন মিয়া, তাহিরপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি সাজিদ মিয়া, ইউনিয়ন যুবলীগের সদস্য সুজন মিয়া, আওয়ামী লীগ নেতা জুয়েল আখঞ্জি, যুবলীগ কর্মী মো. সুজিত, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহদপ্তর সম্পাদক শাহীন মিয়া, আওয়ামী লীগ নেতা ইমন, বালিজুরি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি জিয়া উদ্দিন, দলের নেতা মহিবুর, নজির হোসেন, দৈনিক কালবেলার তাহিরপুর প্রতিনিধি সৈকত, আওয়ামী লীগের কর্মী আল আমিন, বালু খেকো হিসেবে পরিচিত মুশাহিদ হোসেন রানু, আওয়ামী লীগ কর্মী হাসান, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি জাবের আহমেদ জাবেদ, তাহিরপুরের উত্তর শ্রীপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি শামীম মিয়া, যুবলীগের নেতা সেলিম মিয়া, আওয়ামী লীগের সমর্থক শাকিল আহমদ, জুনায়েদ মিয়া, দক্ষিণ বড়দল ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম সম্পাদক কাদের পাশা, যুবলীগের কর্মী আলী হোসেন,উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য শাহজাহান চৌধুরী, যুবলীগ নেতা জাহাঙ্গীর মিয়া, ইকবাল হোসেন, ছাত্রলীগের নেতা সোহাগ, আওয়ামী লীগ নেতা রাসেল, ফারুক মিয়া, কবির মিয়া, সাজ্জাত, সাখাওয়াত হোসেন শিপন, আঙ্গুর মিয়া, যুবলীগের নেতা এমরুল হাসান ওরফে এমরান, আওয়ামী লীগ নেতা মিয়া হোসেন, লিমন মিয়া, মো. লিক্সন মিয়া, মো. আব্দুল আমিন, জিলানি, মো. জাহেদ মিয়া, জোটন রায় জনি, বংশিকুন্ডা দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান রাসেল আহমদ, আওয়ামী লীগের কর্মী মো. কবির মিয়া ও সজীব।
গেল ২৮ আগস্ট বিকেলে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের নেতা কর্মীরা মধ্যনগরের বাঙালভিটা এলাকায় মিছিল করার ঘটনায় রবিবার রাতে বিশেষ ক্ষমতা আইনে এই মামলা গ্রহণ করে পুলিশ।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিয়া) সুজন সরকার জানালেন, এই মামলার কোন আসামি এখনো (সোমবার বিকাল পর্যন্ত) গ্রেপ্তার হয় নি। পুলিশ আসামি গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান করছে।
উপজেলার খবর থেকে আরো পড়ুন