প্রকাশিত: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২৩:২৬
ছাতক—গোবিন্দগঞ্জ সড়ক সম্প্রসারণ, আধুনিকায়ন ও দুই লেন সড়ক নির্মাণ কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। শনিবার বিকালে গোবিন্দগঞ্জ পয়েন্ট সংলগ্ন এলাকায় গোবিন্দগঞ্জ থেকে ছাতক সুরমা ব্রিজ চত্বর পর্যন্ত সড়ক নির্মাণ কাজের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ছাতক—দোয়ারাবাজার আসনের সংসদ সদস্য ও ডাক, টেলিযোগাযোগ এবং তথ্য প্রযুক্তি সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি কলিম উদ্দিন আহমেদ মিলন বলেন, ছাতক শিল্পনগরী ও অর্থনৈতিক দিক থেকে অত্যন্ত সমৃদ্ধ একটি অঞ্চল। এখানকার পাথর, সিমেন্ট ও বিভিন্ন শিল্পপণ্য দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছে যায়। কিন্তু উন্নত সড়ক যোগাযোগের অভাবে ব্যবসা—বাণিজ্য ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি সাধারণ মানুষকে যাতায়াতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে। তিনি বলেন, এই সড়কের নির্মাণ কাজ শেষ হলে ছাতকের সঙ্গে সিলেট, সুনামগঞ্জ ও ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও দ্রুত ও সহজ হবে। এর ফলে স্থানীয় ব্যবসা—বাণিজ্যে নতুন গতি সঞ্চার হবে এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রসার ঘটবে।
কলিম উদ্দিন আহমেদ মিলন বলেন, এর আগে ১০০ কোটি টাকা ব্যয়ে ছাতক পৌরসভার অংশে এই সড়কেরই একটি অংশে চার লেন সড়ক নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করা হয়েছে। আশা করছি, পুরো সড়কের কাজ দ্রুত সময়ের মধ্যে শেষ করা হবে।
তিনি আরও বলেন, ছাতক—গোবিন্দগঞ্জ সড়ক সংস্কার ও আধুনিকায়ন ছিল এ এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের প্রাণের দাবি। শত বাধা—বিপত্তি পেরিয়ে জনগণের দোয়া ও সমর্থনে এই মেগা প্রকল্পের কাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করা সম্ভব হয়েছে। এটি কোনো একক ব্যক্তির সাফল্য নয়, বরং ছাতকের সর্বস্তরের মানুষের আমানত ও অধিকার পূরণের প্রতিফলন।
প্রকল্পের কাজে অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে সংসদ সদস্য বলেন, জনগণের ১৭৪ কোটি টাকার এই প্রকল্পের কাজে বিন্দুমাত্র অনিয়ম বা দুর্নীতি বরদাশত করা হবে না। প্রতিটি কাজের গুণগত মান যথাযথ রেখে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সড়ক নির্মাণ কাজ শেষ করতে হবে। স্থানীয় জনগণ ও রাজনৈতিক সহযোদ্ধারা প্রকল্পের কাজের তদারকিতে নজর রাখবেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সড়ক ও জনপথ বিভাগ (সওজ), সুনামগঞ্জের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জহিরুল ইসলাম, উপ—বিভাগীয় প্রকৌশলী (ছাতক) সাহাদাত হোসেন, কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক সহ—সম্পাদক আশিকুর রহমান আশিক, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ফারুক আহমদ ও নজরুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফরিদ উদ্দিন, পৌর বিএনপির আহ্বায়ক শামসুর রহমান শামছু, উপজেলা বিএনপির প্রথম যুগ্ম আহ্বায়ক ফজলুল করিম বকুল, যুগ্ম আহ্বায়ক শফিকুল আলম মতি, জেলা বিএনপির সাবেক শিল্প বিষয়ক সম্পাদক রুহুল আমিন, আহ্বায়ক কমিটির সদস্য কয়েছ আহমেদ, আতাউর রহমান এমরান, অ্যাডভোকেট আব্দুল কাহার, উপজেলা জাসাসের আহ্বায়ক আব্দুল আলিম, ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুর রউফ মাস্টার, আব্দুল হক, আজিজুর রহমান, আলা উদ্দিন, জাহেদুল ইসলাম আহবাব, জেলা যুবদলের সহ—সভাপতি আব্দুর রহিম, ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল হক, কামাল উদ্দিন, ইলিয়াস আহমদ, কবির আহমদ মধু, ছাতক পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আবুল হোসেন, বিএনপি নেতা আব্দুল হাই, জিল্লুল হক, কুতুব উদ্দিন, তাজুল ইসলাম তালুকদার, কুষকদল নেতা সাজ্জাদুর রহমান, ইব্রাহিম আলী রাসেল, শাহিনুর রহমান বাবুল, উপজেলা যুবদলের জহির উদ্দিন, মো. জাহাঙ্গীর আলম, মুহিবুর রহমান মুহিব, জুয়েল আহমেদ মেম্বার, জেলা ছাত্রদলের সহ—সভাপতি মাহবুব আহমদ, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক এমদাদুর রহমান ইমন এবং কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি মিয়া মোহাম্মদ সাদ।
উপজেলার খবর থেকে আরো পড়ুন