প্রকাশিত: ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:৫২
ভাবীকে হত্যা ও নাতনীকে হত্যাচেষ্টা মামলা
দিরাইয়ে পৈতৃক সম্পত্তি বিক্রির বিরোধের জেরে ভাবীকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে হত্যা এবং ৪ বছরের শিশু (নাতনী) কে গুরুতর জখম করার অপরাধে আসামি মো. আজলু মিয়াকে (৪০) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ২ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। রবিবার সুনামগঞ্জের ১ম অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতের বিচারক মুহাম্মদ আকবর হোসেন এই আদেশ দিয়েছেন।
মামলা ও এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালের ১৪ ডিসেম্বর দিরাই পৌরসভার নতুন বাগবাড়ী এলাকায় এই নির্মম ঘটনাটি ঘটে। অভিযোগকারী নিহতের জামাতা মো. মফশি^র আলী জানান, পৈতৃক সম্পত্তি কম দামে বিক্রি করাকে কেন্দ্র করে আসামি আজলু মিয়ার সাথে বিরোধ সৃষ্টি হয়। ঘটনার দিন সন্ধ্যায় আসামি চাচা শ^শুর আজলু মিয়া বসতঘরে প্রবেশ করে লোভার হাতুড়ি দিয়ে শাশুড়ী হামিদা খানম (৬০) ও নাতনী রুমা আক্তার সীমা (৪)—এর উপর হামলা চালায়।
হাতুড়ির উপর্যুপরি আঘাতে ঘটনাস্থলেই শাশুড়ী হামিদা খানম মৃত্যুবরণ করেন এবং শিশু সীমা গুরুতর আহত হয়। পরবর্তীতে স্থানীয় বাসিন্দারা তাকে হাতুড়িসহ ঘটনাস্থল থেকে আটক করে এবং জখমপ্রাপ্তদের দিরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। পরবর্তিতে রুমা আক্তার সীমা কে সিলেট এম.এ.জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।
ঘটনার পরদিন অর্থাৎ ২০১৫ সালের ১৫ ডিসেম্বর দিরাই থানায় দণ্ডবিধির ৩০২/৩২৫/৩০৭ ধারায় একটি মামলা দায়ের করা হয় (মামলা নং—০৭)। মামলাটি তদন্ত শেষে বিজ্ঞ আদালত দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় আসামী আজলু মিয়াকে দোষী সাব্যস্ত করে এই রায় প্রদান করেন।
উপজেলার খবর থেকে আরো পড়ুন