প্রকাশিত: ০৩ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:৩২
সংগৃহীত ছবি
টালিউড অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তীর বিয়ের সানাই বাজতে আর তর সইছে না। এতদিন যিনি নিজের ব্যক্তিগত জীবনকে লাইমলাইটের আড়ালে সযত্নে লুকিয়ে রেখেছিলেন, সেই তিনি মন জয় করে নিয়েছেন কলকাতারই এক মহাপুরুষের। এ খবর সামাজিক মাধ্যমে চাউর হতেই নেটিজেনদের মধ্যে তোলপাড়।
নেটপাড়ায় শুরু হয়েছিল জোর জল্পনা— কে সেই পাত্র? একাংশের মতে, তিনি নাকি ভারতীয় নৌসেনার উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা। কিন্তু আসল তথ্য তা নয়। তিনি নৌসেনার জওয়ান কিংবা অফিসার নন, পেশায় একজন আন্তর্জাতিক স্তরের সফল মেরিন ইঞ্জিনিয়ার, নাম তার সিদ্ধার্থ।
পড়াশোনা শহরের খ্যাতনামা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ‘কলকাটা বয়েজ স্কুল’ থেকে। এরপর নৌ-প্রকৌশল বা মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে পড়াশোনা শেষ করে আন্তর্জাতিক মার্চেন্ট নেভি দুনিয়ায় পা রাখেন তিনি। ২০০৮ সালের মার্চ মাস থেকে টানা যুক্ত রয়েছেন যুক্তরাজ্যের নামজাদা আন্তর্জাতিক শিপিং সংস্থা 'Shell Ship Management Limited'-এর সঙ্গে।
শিক্ষানবিস হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করে দীর্ঘ বছরের অভিজ্ঞতা ও দক্ষতায় আজ তিনি সেই বহুজাতিক সংস্থার দায়িত্বশীল সিনিয়র মেরিন ইঞ্জিনিয়ার। বিশাল আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক জাহাজের ইঞ্জিন রুম সামলানো এবং বিশ্বজুড়ে সমুদ্রে ভেসে বেড়ানোই তার পেশা।
জানা গেছে, মিমি চক্রবর্তীর বিয়ের প্রস্তুতি ইতোমধ্যে তুঙ্গে। নিকটাত্মীয় ও বন্ধুবান্ধবদের কাছে নাকি খবর পৌঁছে গেছে। আগামী নভেম্বর মাসেই আইনি রেজিস্ট্রি সারবেন মিমি ও সিদ্ধার্থ। এরপর কনকনে শীতে; অর্থাৎ ডিসেম্বর মাসে পাহাড়ি শৈলশহর কালিম্পংয়ে বসবে তাদের চোখধাঁধানো ‘ডেস্টিনেশন ওয়েডিং’-এর আসর।
এতদিন কাজ আর পোষ্যদের নিয়ে ব্যস্ত থাকা মিমির জীবনে এখন নতুন বসন্ত। সমুদ্র আর জাহাজ সামলানো সিদ্ধার্থের সঙ্গে টালিউড কুইনের এ রূপকথার বাঁধন দেখতে এখন অধীর আগ্রহে প্রহর গুনছেন তার ভক্ত-অনুরাগীরা।
বিনোদন জগতের আলো-ঝলমলে পরিবেশের থেকে সিদ্ধার্থের জীবন সম্পূর্ণ আলাদা। তবে রুপালি পর্দার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত না থাকলেও, টালিপাড়ার ভেতরের বেশ কয়েকজন তারকা বন্ধুর ঘনিষ্ঠ বৃত্তে তার যাতায়াত ছিল।
বিশেষ করে গত বছরের দুর্গাপূজার আড্ডায় বন্ধুদের ভিড়ে মিমি চক্রবর্তীর পাশাপাশি হাসিমুখে দেখা মিলেছিল এই সিদ্ধার্থের! অনুরাগী ও মিডিয়ার নজর এড়িয়ে এতদিন বিষয়টি গোপন থাকলেও সম্প্রতি দুজনের সম্পর্কের রসায়ন প্রকাশ্যে এসেছে।
তবে জানতে অবাক হবেন, এখনো সিদ্ধার্থকে ইনস্টাগ্রামে ফলো করেন না মিমি চক্রবর্তী। অন্তত নিজের ভ্যারিফায়েড প্রোফাইল থেকে ডুবে ডুবে জল খেতেই যে সেই বন্দোবস্ত তা আর বলতে!
সূত্র: যুগান্তর .কম
সাহিত্য ও সংস্কৃতি থেকে আরো পড়ুন