প্রকাশিত: ০১ মার্চ, ২০২৪ ২২:১৪
হাজী এমএ জাহের উচ্চ বিদ্যালয়
তাহিরপুরে হাজী এমএ জাহের উচ্চ বিদ্যালয়ে সহকারী প্রধান শিক্ষক নিয়োগে অনিয়ম ও দুনীর্তির বিষয়ে তদন্তে নেমেছেন সুনামগঞ্জ জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) হোসাইন মুহাম্মদ আল—মুজাহিদ স্বাক্ষরিত এক চিঠির মারফত এই তথ্য জানা গেছে।
জানা যায়, গত ২২ নভেম্বর তারিখে হাজী এমএ জাহের উচ্চ বিদ্যালয়ে সহকারী প্রধান শিক্ষক নিয়োগের লক্ষ্যে বিদ্যালয়ে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরীক্ষা অনিয়ম হওয়ায় উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ফলাফল সিটে স্বাক্ষর করেননি। পরে তাকে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কক্ষে আটকে রেখে বিক্ষোভ করছিল একদল যুবক। এরপর ইউএনও’র সহযোগিতায় সেখান থেকে ছাড়া পান তাহিরপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান। এ ঘটনাটি বিভিন্ন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হলে তৎকালীন ইউএনও’র মৌখিক নির্দেশে সহকারী প্রধান শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম স্থগিত রাখে পরিচালনা কমিটি। ১৬ জানুয়ারি মঙ্গলবার সকালে এমএ জাহের উচ্চ বিদ্যালয়ে সহকারী প্রধান শিক্ষক পদে ইমাদ আলী যোগদান করায় বিষয়টি জানাজানি হয়। নিয়োগ কমিটির সদস্য উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার স্বাক্ষর ছাড়া কিভাবে পরিচালনা কমিটি নিয়োগ দিলো এ নিয়ে এলাকাতে ব্যাপক আলোচনা সমালোচনা হয়।
হাজী এমএ জাহের উচ্চ বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি রহুল আমিন দারু মিয়া বলেন, নিয়োগ কমিটির ৫ সদস্যের ৪ জনেই স্বাক্ষর করেছেন। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা কেন স্বাক্ষর করলেন না তা আমার জানা নেই।
তাহিরপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান বলেন, নিয়োগ কমিটিতে আমি সদস্য ছিলাম। নিয়োগ প্রক্রিয়ায় পুরোটাই অনিয়ম ছিল। যে কারণে স্বাক্ষর না করায় তারা আমাকে আটকে রেখেছিলো। পরে শুনলাম ১৬ জানুয়ারি মঙ্গলবার তারা ইমাদ আলী নামে এক ব্যক্তিকে বিদ্যালয়ে যোগদান নিয়েছেন।
জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, সুনামগঞ্জ অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) কার্যালয় থেকে হাজী এমএ জাহের উচ্চ বিদ্যালয়ে সহকারী প্রধান শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়ম ও দুর্নিতির বিষয়ে তদন্তের প্রতিবেদন দেয়ার জন্য তাকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।
উপজেলার খবর থেকে আরো পড়ুন