‘অন্তবর্তীর ভিসির অনাচারে’ সুবিপ্রবি

প্রকাশিত: ২৯ জুন, ২০২৬ ২২:১৮

বিশ্ববিদ্যালয় আইনের পরিপন্থী সিদ্ধান্ত নিয়ে নিজের মতো নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ ও নিয়োগ দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে প্রায় দেড় বছর যাবত আটকে আছে সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (সুবিপ্রবি) গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তা—কর্মচারী নিয়োগ। নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে অসঙ্গতি থাকায় সিন্ডিকেট সদস্যদের প্রতিবাদ ও ভুক্তভোগী চাকরি প্রার্থীদের দ্বারা মন্ত্রণালয়ে অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে এই নিয়ে একাধিকবার নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি বদলের পরেও শূন্য আছে পদগুলো।  

 


২০২০ সালে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর থেকে দীর্ঘদিন যাবত এসব পদ শূন্য থাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক কার্যক্রমে ব্যাঘাত ঘটছে। অভিযোগ আছে, বিগত অন্তবর্তী সরকার আমলে নিযুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ভিসি) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন নিজের পছন্দ মতো লোক নিয়োগ দেওয়ার উদ্দেশ্যে বার বার নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ব্যাঘাত ঘটানোর চেষ্টা করছেন। বিষয়টি ‘অন্তবর্তী ভিসির অনাচার’ বলে অভিহিত হচ্ছে। এ বিষয়ে খোদ সিন্ডিকেট থেকে তার বিরুদ্ধে আপত্তি উঠেছে। তবে এ আপত্তির নিষ্পত্তি তাকে অপসারণের মাধ্যমে হবে বলে সূত্র নিশ্চিত করেছে।

 


বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) সূত্র বলেছে, দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে অন্তবর্তী সরকার আমলে নিয়োগ পাওয়া সব ভিসি পরিবর্তন করা হয়েছে কেবল অদক্ষতার কারণে। নির্বাচিত সরকার আমলে সিলেট অঞ্চলের যে কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি পরিবর্তন হয়নি, সেগুলো ‘জুন ফাইনাল’ বা ‘জুন ক্লোজ’ হিসাবের কারণে ঝুলে আছে। জুন মাস শেষেই বিশ্ববিদ্যালয়টিতে নতুন ভিসি নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরুর মাধ্যমে অন্তর্বর্তী ভিসির কর্মকালের অবসান হবে। 
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্র ঘেটে দেখা যায়, ২০২৫ সালের ১৩ এপ্রিল (স্মারক নং: সুবিপ্রবি/প্রশা/নিয়োগ—৭৩২ এর মাধ্যমে) একটি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এই বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে শিক্ষক, কর্মকর্তা—কর্মচারী পদে মোট ২৭টি পদের জন্য চাকরিপ্রতাশীদের থেকে দরখাস্ত আহ্বান করা হয়। পদগুলো হচ্ছে একজন সহকারী অধ্যাপক, রেজিস্ট্রার, পরিচালক (অর্থ ও হিসাব), পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন), উপ—পরিচালক (অর্থ ও হিসাব), ডেপুটি রেজিস্ট্রার, সহকারী পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, সেকশন অফিসার, লিয়াজো ও প্রটোকল কর্মকর্তা, সহকারী প্রোগ্রামার, জনসংযোগ কর্মকর্তা, অডিট অফিসার, সহকারী নিরাপত্তা কর্মকর্তা, উপ—সহকারী প্রকৌশলী, সহকারী হিসাব—রক্ষণ কর্মকর্তা, ক্যাটালগার, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর, অফিস সহকারী কাম—কম্পিউটার টাইপিস্ট, প্লাম্বার, ইলেক্ট্রিশিয়ান, গাড়ি চালক, বাবুর্চি, অফিস সহায়ক। এই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে দেখা যায় রেজিস্ট্রার, পরিচালক (অর্থ ও হিসাব) এবং পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) ৩টি পদই গ্রেড—৩ এর। কিন্তু রেজিস্ট্রার ও পরিচালক (অর্থ ও হিসাব) পদে ১৫ বছরের অভিজ্ঞতা চাওয়া হলেও পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) পদে চাওয়া হয়েছে ১৬ বছরের অভিজ্ঞতা। চাকরি প্রত্যাশিদের অভিযোগ এই পদে পছন্দমতো একজনকে বসানোর জন্যই অভিজ্ঞতার এরকম তাররম্য করা হয়েছে। 

 


নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে ‘অনাচার’
প্রথমবার নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর ২০২৫ সালের ২৬ মে মো. জামাল হোসেন নামে এক চাকরিপ্রত্যাশী ‘সচেতন সুনামগঞ্জবাসী’ পক্ষে বাংলাদেশ সচিবালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগে উক্ত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিকে অসংগতিপূর্ণ শর্তযুক্ত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি আখ্যা দিয়ে বাতিলপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানান। আবেদনপত্রে উল্লেখিত অসংগতিগুলো হচ্ছে : কর্মচারীর ক্ষেত্রে ৫ম গ্রেড থেকে ২০তম গ্রেড সকল ক্ষেত্রে সকল পরীক্ষায় সিজিপিএ ৩.০০ থাকতে হবে, যা সরকারি কর্ম কমিশনের নিয়োগ—নীতিমালা পরিপন্থী। ৯ম—১০ম গ্রেডে সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৩২, ৭ম গ্রেডে সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৩৩, ৫ম গ্রেডে সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৪০ দেওয়া হয়েছে। ৩য় গ্রেডে রেজিস্ট্রার এবং অর্থ পরিচালক পদে মোট অতিজ্ঞতা ১৫ বছর চাওয়া হলেও একই গ্রেডের প্ল্যানিং ডিরেক্টর পদে অভিজ্ঞতা ১৬ বছর চাওয়া হয়েছে। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয় ও সরকারি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে ৫ম গ্রেডের ডেপুটি রেজিস্ট্রার/সমমান পদে সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৪৫ হলেও প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে ৪০ বছর চাওয়ায় শর্তটি পূরণ হয়নি। হাওরাঞ্চলের নব—প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে পুরাতন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অবস্থানগত কারণে হাওর অঞ্চলের জনগোষ্ঠির কর্মসংস্থান তৈরি এবং দক্ষ ও অভিজ্ঞ জনবল পাওয়ার স্বার্থে নিয়োগের শর্ত শিথিল করা হয়নি।

 


জানা গেছে, ওই আবেদনের পর ২০২৫ সালের ২৯ জুন ৬ষ্ঠ সিন্ডিকেট সভার (জরুরি) সিধান্ত অনুযায়ী স্মারক নং: সুবিপ্রবি/৮১৬ এর মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ ব্যাতীত ওই বিজ্ঞপ্তির সকল কার্যক্রম স্থগিত করা হয়। পাশাপাশি একই সিন্ডিকেট সভার (জরুরি) ২ নম্বর সিদ্ধান্ত (খ) অনুযায়ী অত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারীবৃন্দের (গ্রেড—০৩ থেকে গ্রেড—২০ পর্যন্ত) নিয়োগ (বয়স, শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা), পদোন্নতি ও শৃঙ্খলামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ সংক্রান্ত পদ্ধতি ও শর্তাবলী নির্ধারণ সংবিধি আকারে প্রণয়নের জন্য শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা এবং অন্যান্য শর্তাবলী যোগপোযোগী করে সুপারিশ প্রদানের জন্য অধ্যাপক ড. হারুন—অর—রশিদকে সভাপতি করে ৫ সদস্যের একটা কমিটি গঠন করা হয়।

 


পরবর্তীতে ২০২৫ সালের ১০ ডিসেম্বর (স্মারক নং: সুবিপ্রবি/প্রশা/নিয়োগ—৯৭৮)—এর মাধ্যমে ১৩টি পদের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। যার মধ্যে পূর্বে প্রকাশিত বিতর্কিত পদগুলোর যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতায় পরিবর্তন দেখা যায়। পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) পদে অভিজ্ঞতা ১৬ বছর থেকে কমিয়ে ১৫ বছরে আনলেও সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৫০ বছর থেকে বাড়িয়ে ৫৫ বছর করা হয়। একই সাথে উপ—পরিচালক (অর্থ ও হিসাব), ডেপুটি রেজিস্ট্রার ও সহকারী পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক পদে সিজিপিএ ৩.০০ থেকে কমিয়ে ২.৫০ করার পাশাপাশি সর্বোচ্চ বয়সসীমা ও ৫ বছর করে বাড়ানো হয়। অন্যদিকে নির্বাহী প্রকৌশলী (সিভিল) পদে ৩বার নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পরেও এখন পর্যন্ত শূন্য পরে আছে পদটি। বিজ্ঞপ্তি সিজিপিএ সহ ডিপ্লোমা ডিগ্রিধারীদের বাদ দেওয়ার মতো পরিবর্তনও আনা হয়েছে। চাকরিপ্রত্যাশিদের ধারণা পছন্দের প্রার্থীকে নিয়োগ না দিতে পারায় বার বার এরকম পরিবর্তন আনা হচ্ছে।

 


বিশ্ববিদ্যালয় আইন কী বলে?


বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনে আছে ১১তম হইতে ২০তম গ্রেডের কর্মচারী নিয়োগের সিলেকশন কমিটির সভাপতি হবেন কোষাধ্যক্ষ। যদি কোনো কারণে কোষাধ্যক্ষ পদটি শূন্য থাকে তাহলে সিন্ডিকেটে আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি আচার্যকে জানাতে হবে এবং সে অনুযায়ী ব্যাবস্থা নিতে হবে। কিন্তু এক্ষেত্রে সুবিপ্রবির সিলেকশন কমিটির চিত্র ভিন্ন। কোষাধ্যক্ষের অনুপস্থিতিতে উপাচার্য নিজেই সকল সিলেকশন কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। শুধু নিয়োগ প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ করার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই সুবিপ্রবির উপাচার্য। এসবের পাশাপাশি দীর্ঘদিন যাবত একাই বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদ দখল করে আছেন তিনি। একাই উপাচার্য, কোষাধ্যক্ষ, প্লানিং ডাইরেক্ট (পিডি), ফ্যাকাল্টি অব ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ডিন ও আইকিউএসির পরিচালকের দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। দীর্ঘদিন যাবত এসব শূন্য পদ পূরণের ব্যাপারে কোনো কার্যকরী পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি। সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন—২০২০ অনুযায়ী কোষাধ্যক্ষের পদ শূন্য হলে বা কোষাধ্যক্ষ অনুপস্থিত থাকলে সিন্ডিকেট বিষয়টি আচার্য (রাষ্ট্রপতি) কে অবহিত করবে এবং আচার্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। ভিসি নিজে ট্রেজারার পদে কাউকে বসানোর ক্ষমতা রাখেননা। 

 


ভিসির বক্তব্যে ‘অনাচার’ স্পষ্ট


অন্তর্বর্তী সরকার আমলে নিযুক্ত হওয়ায় এমন অনাচার করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তবে ভিসি অধ্যাপক ড. মো. নিজাম উদ্দিন তা মানতে নারাজ। মন্ত্রণালয়ে চাকরি প্রত্যাশী একজনের অভিযোগে ভিত্তিতে নিয়োগ কার্যক্রম স্থগিত কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমাদের কাছে কোনো অভিযোগ আসে নাই। এমনকি মন্ত্রণালয়ও আমাদের অভিযোগের ব্যাপারে কোনো কিছু জানায়নি। এ ব্যাপারে যে ব্যক্তি অভিযোগ করেছেন তিনি ভালো জানবেন। এই অভিযোগ সম্পর্কে আমরা অফিসিয়ালি কোনো কিছুই জানি না ‘

 


তাহলে ঠিক কী কারণে নিয়োগ কার্যক্রম স্থগিত হয়েছিল জানতে চাইলে আগের ভিসির ঘাড়ে দোষ চাপানোর চেষ্টা করেন। অধ্যাপক ড. মো. নিজাম উদ্দিন বলেন, ‘আগের ভিসির আমলে এই পদপগুলোর রিকোয়ারমেন্টগুলো সিন্ডিকেট কর্তৃক এপ্রোভাল ছিল। পরবর্তীতে সার্কোলার দেওয়ার পর দেখা গেলো এখানে কিছু ভুলত্রুটি রয়ে গেছে। এই ভুলত্রুটিগুলো সংশোধন করার জন্য তাৎক্ষণিকভাবে সিন্ডিকেট আহ্বান করা হয় এবং সর্বসম্মতিক্রমে সেটি স্থগিত করে দুটি কমিটি গঠন করা হয়। পরবর্তীতে সেই কমিটির রিপোর্ট সিন্ডিকেটে পাস হওয়ার পর আবার সার্কোলার দেওয়া হয়।’

 


নির্বাহী প্রকৌশলী (সিভিল) পদে তৃতীয়বার নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশে ও রিকোয়ারমেন্ট পরিবর্তনের ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘প্রথমবার যখন এই পদে সার্কুলার দেওয়া হয় তখন কোনো যোগ্যতাসম্পন্ন প্রার্থী ছিলো না। পরবর্তীতে সিন্ডিকেটে যখন যোগ্যতা শিথিল করা হয় তখন দেখা গেলো মাত্র একজনের মিনিমাম যোগ্যতা আছে। কিন্তু নিয়মমাফিক ভালো প্রার্থী পেতে গেলে প্রতিটি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নিয়োগ কার্যক্রম দরকার। সেক্ষেত্রে যদি শুধু একজন যোগ্য প্রার্থী থাকে তাহলে তো প্রতিদ্বন্দ্বিতায়পূর্ণ হয় না নিয়োগটা। তাই আরো যোগ্য প্রার্থী খোঁজার জন্য আমরা আবারো সার্কোলার দেই। কিন্তু তবুও আমরা দেখি যে এই একজনই শুধু যোগ্য প্রার্থী। তখন আমরা ইউজিসির সঙ্গে বিষয়টি আলোচনা করে শুধু ওই প্রার্থীরই পরীক্ষা নিই।’

 


কোষাধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন প্রসঙ্গে ভিসি বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় আইনে উল্লেখিত আছে যে আচার্য কর্তৃক ৪ বছরের জন্য কোষাধ্যক্ষ নিয়োগ দেওয়া হবে। কোনো কারণে সাময়িকভাবে কোষাধ্যক্ষ পদটি শূন্য হলে উপাচার্য বিষয়টি আচার্যকে জানাবেন। কিন্তু আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে এখন পর্যন্ত কোষাধ্যক্ষ নিয়োগ দেওয়া হয়নি। নিয়োগ না দেওয়ায় এখানে সাময়িকভাবে অনুপস্থিত থাকার বিষয়টি আসছে না। সেক্ষেত্রে আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর বিষয়টি সিন্ডিকেটে অবহিত করি এবং সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী উপাচার্যকে কোষাধ্যক্ষের দায়িত্ব দেওয়া হয়।’

 


তবে এ দায়িত্ব পালনও ভিসি অধ্যাপক ড. মো. নিজাম উদ্দিনের অনাচার স্পষ্ট। আইন অনুযায়ী তিনি আচার্যকে অবহিত করে এ দায়িত্ব পালন করছেন কি না, এ বিষয়ে কোনো তথ্য দিতে পারেননি।

উপজেলার খবর থেকে আরো পড়ুন


সম্পাদক মণ্ডলীর উপদেষ্টা : স্বপন কুমার দেব, কুমার সৌরভ

সম্পাদক ও প্রকাশক : পঙ্কজ কান্তি দে

অনলাইন সম্পাদক : মাহবুবুল হাছান শাহীন

সম্পাদক কর্তৃক অক্ষর মুদ্রণ অফসেট প্রেস, জোয়াহের রাজা ট্রেড সেন্টার, পুরাতন বাসস্টেশন, সুনামগঞ্জ।

মোবাইল : ০১৭১৮৩৪৫৯৭৫

বিজ্ঞাপন : ০১৩২৫৪৬২৪৯৫

ই-মেইল : [email protected]

সুনামগঞ্জের খবর পরিবার