প্রকাশিত: ০১ আগস্ট, ২০২৬ ১০:৪১
সংগৃহীত ছবি
ইউরোপে ওয়ার্ক পারমিট ভিসায় পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে ১৮ লাখ টাকা আত্মসাৎ এবং তিনজনকে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বসিয়ে রেখে উধাও হওয়ার অভিযোগে এক প্রতারক চক্রের মূলহোতাকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-৯। গ্রেফতার ব্যক্তি হলেন আই এ মারুফ আহমদ (৩৪)। তিনি সিলেটের জালালাবাদ থানার পাইকরাজ এলাকার মৃত হাবীব আহমদের ছেলে।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) র্যাব-৯ এর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এর আগে বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে সিলেট নগরের আম্বরখানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
র্যাব-৯ সূত্রে জানা গেছে, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার মোস্তফানগর এলাকার বাসিন্দা আফতাব উদ্দিন তার ছেলে ও শ্যালকের ছেলেকে সার্বিয়ায় ওয়ার্ক পারমিট ভিসায় পাঠানোর জন্য আম্বরখানার ‘গোল্ডেন টাওয়ার’-এ অবস্থিত একটি ট্রাভেলস এজেন্সির সঙ্গে যোগাযোগ করেন। এজেন্সির প্রতিনিধিরা বৈধভাবে ইউরোপ ও আমেরিকায় লোক পাঠানোর আশ্বাস দিয়ে ১৮ লাখ টাকার বিনিময়ে চুক্তি করেন। পরে আফতাব উদ্দিন সম্পূর্ণ অর্থ পরিশোধ করেন।
চুক্তি অনুযায়ী ২০২৫ সালের ২০ নভেম্বর ভুক্তভোগীদের হাতে ভিসা তুলে দেওয়া হয়। এরপর একই বছরের ১৬ ডিসেম্বর আই এ মারুফ আহমদ ও তার সহযোগী কে এম জাকির আহমদ মনি তিনজনকে সার্বিয়াগামী ফ্লাইটে তুলে দেওয়ার কথা বলে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নিয়ে যান। সেখানে তাদের অপেক্ষা করতে বলে দুইজনই সটকে পড়েন। পরে ফোন করে জানানো হয়, ফ্লাইটের সময়সূচি পরিবর্তন হয়েছে। এ অজুহাতে তাদের সিলেটে ফিরে যেতে বলা হয়।
পরে অন্য একটি ট্রাভেলস এজেন্সির মাধ্যমে অনলাইনে যাচাই করে ভুক্তভোগীরা জানতে পারেন, তাদের দেওয়া ভিসাগুলো সম্পূর্ণ ভুয়া। বিষয়টি বুঝতে পেরে তারা টাকা ফেরত চাইলে অভিযুক্তরা ভয়ভীতি ও বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেন।
এ ঘটনায় আফতাব উদ্দিন বাদী হয়ে কোম্পানীগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার পর র্যাব-৯ ছায়া তদন্ত ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মামলার এক নম্বর এজাহারভুক্ত আসামি আই এ মারুফ আহমদকে গ্রেফতার করে।
র্যাব জানিয়েছে, গ্রেফতার আসামিকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কোম্পানীগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
সূত্র: যুগান্তর .কম
এমডি
সিলেট থেকে আরো পড়ুন