প্রকাশিত: ২১ আগস্ট, ২০২৬ ০০:০৬
তাহিরপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নবনির্মিত ভবন হস্তান্তরের পূর্বেই ছাদ চুষে পানি পড়ছে ও ছাদের স্থানে স্থানে ঢালাই উঠে যাচ্ছে।
তাহিরপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র অভিভাবক আমিনুল ইসলাম জানান, নতুন নির্মাণাধীন ভবনের ছাদে স্থানে স্থানে পলেস্তারা উঠে যাচ্ছে। যে কারণে নতুন ভবনে পাঠদান শুরু করার আগেই ছাদ চুইয়ে পানি পড়ছে। তিন প্রস্ত রঙ দেয়ার কথা থাকলেও রঙ দেয়া হয়েছে মাত্র একবার। যে কারণে রঙ করার মাত্র মাস খানেকের মধ্যেই ভবনের চারদিকে শেওলার স্তর পড়ে গেছে। এছাড়াও দরজা ও জানালার কাঁচ খুলে পড়ে যাচ্ছে।
.jpg)
প্রকৌশলীরা বিদ্যালয়ে না এসে কাজকর্ম না দেখেই ভবন হস্তান্তর ফরমে সাইন করে দিয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের সাইন নেয়ার জন্য কাগজ পাঠিয়েছেন।
বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক হোসেন আহমদ তৌফিক বলেন, নির্মাণ কাজের উদ্বোধনের পর থেকে উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তরের কোন প্রতিনিধিকে নির্মাণ কাজের আশেপাশে দেখতে পান নি। যে কারণে ভবন নির্মাণে সীমাহীন ত্রুটি হয়েছে।
তাহিরপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রওশনারা বেগম বলেন, নতুন ভবন নির্মাণ কাজের অসংখ্য ত্রুটি রয়েছে। তিনি জানান, ছাদে ঢালাই কাজের পলেস্তারাসহ রঙ এর কাজে নানা ত্রুটি রয়েছে। এছাড়াও ছাদ চুষে পানি পড়ছে। এমতাবস্থায় ঠিকাদার আসছে আমার প্রত্যয়ন নিতে। তিনি তাদের ত্রুটিযুক্ত কাজ সম্পন্ন করে প্রত্যয়ন নিতে আসতে বলে দিয়েছেন।
নির্মাণ কাজের অনিয়মের বিষয়ে ঠিকাদার মিল্টন মিয়ার সাথে একাধিকবার মোবাইলে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তিনি কল রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয় নি।
স্থানয়ি সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) তাহিরপুর উপজেলা প্রকৌশলী জাহিদুল ইসলাম বলেন, তাহিরপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে নবনির্মিত ভবনের যে ত্রুটি আছে তা লিখিতভাবে জানালে, ঠিকাদার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন বলে জানান।
উপজেলার খবর থেকে আরো পড়ুন