প্রকাশিত: ২৬ আগস্ট, ২০২৬ ১৯:০২
ছাতকে বালু উত্তোলন ও সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের প্রধান উপদেষ্টা রহিম উদ্দিনের ওপর সশস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় দায়ের করা হত্যাচেষ্টা মামলায় পৌর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য কবিরুল হাছান আঙ্গুর ও আলী রাজ (৩৪) কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। উভয়েই ছাতক পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ড চরেরবন গ্রামের মৃত মোশাহিদ আলীর ছেলে।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, জায়গা—জমি নিয়ে রহিম উদ্দিনের সাথে আসামিদের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ ও আদালতে মামলা চলছিল। গত ২৪ আগস্ট মামলার নির্ধারিত হাজিরার জের ধরে ২৫ আগস্ট রাতে আসামিরা তাঁকে গালিগালাজ ও প্রাণনাশের হুমকি দেয়।
এরই প্রতিবাদ করায় ২৬ আগস্ট রাত পৌনে ১টার দিকে চরেরবন্দ এলাকার জলাল মিয়ার মুদি দোকানের সামনের পাকা সড়কে রহিম উদ্দিনের পথরোধ করে পূর্বপরিকল্পিতভাবে হামলা চালানো হয়। আসামিরা দা, চাকু, ছুরি, লোহার রড ও বাঁশের লাঠিসহ দেশীয় অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ও পিটিয়ে তাঁকে গুরুতর জখম করে।
হামলায় রহিম উদ্দিনের মাথা, মুখ ও বুকসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাত লাগে। স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে ছাতক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। তিনি বর্তমানে সেখানেই চিকিৎসাধীন।
এ ঘটনায় আহত রহিম উদ্দিনের ছেলে তোফায়েল আহমদ (২৩) বাদী হয়ে ৯ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৪—৫ জনকে আসামি করে ছাতক থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে এজাহারনামীয় দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করে।
ছাতক থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, এ ঘটনায় জড়িত অন্যান্য আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
উপজেলার খবর থেকে আরো পড়ুন