জিরো টলারেন্সেও টলছে না মাদকের দাপট

প্রকাশিত: ৩০ আগস্ট, ২০২৬ ২৩:৪৬

সীমান্তজুড়ে প্রশাসনিক কড়াকড়ি আর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণার পরও থামানো যাচ্ছে না সীমান্ত জেলা সুনামগঞ্জের মাদক ও চোরাচালান কারবার। সুনির্দিষ্ট তথ্য ও সমন্বিত অভিযানের মাধ্যমে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো প্রতিনিয়ত কোটি কোটি টাকার অবৈধ মালামাল জব্দ করলেও কিছুতেই রাশ টানা যাচ্ছে না এসব অপরাধের। চলতি বছর পুলিশ ও বিজিবির পৃথক অভিযানে মোট ১৪ কোটি ৬৯ লক্ষ ৯৬ হাজার ৮১১ টাকার মাদক ও চোরাচালানি পণ্য জব্দ হওয়ার তথ্য সামনে এসেছে, যা এই অঞ্চলের চোরাচালান সিন্ডিকেট বিস্তারের স্পষ্ট চিত্র তুলে ধরে।

 


জানা গেছে, মাদকের ভয়াবহ বিস্তার রোধে সরকার ঘোষিত জিরো টলারেন্স নীতি এখন মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়িত হচ্ছে। সমন্বিতভাবে সারাদেশে এই বিশেষ অভিযান চলছে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণে বিদ্যমান আইনি কাঠামোয় অপরাধীর সর্বোচ্চ সাজার বিধানও রয়েছে। বর্তমানে মাদক সংক্রান্ত সকল অপরাধের বিচার মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ অনুযায়ী পরিচালিত হচ্ছে। এই আইনে সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ফাঁসি পর্যন্ত হয়। কিন্ত এতো কিছুর পরও সুনামগঞ্জে চোরাচালান বা মাদকের বিস্তার কমানো যাচ্ছে না। 

 


মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের প্রথম তফসিলে মাদককে তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে। ‘ক’ শ্রেণিতে আছে সবচেয়ে ভয়ঙ্কর মাদক। যেমন— হেরোইন, কোকেন, ইয়াবা (অ্যামফিটামিন), পেথিডিন, আফিম, কোকা গাছ, প্রিকারসর কেমিক্যালস। এই শ্রেণির জন্য শাস্তি সবচেয়ে বেশি। ‘খ’ শ্রেণিতে গাঁজা, ভাং, চরস ইত্যাদি। ‘গ’ শ্রেণি হলো— অ্যালকোহল, বিয়ার, দেশি মদ, রেকটিফাইড স্পিরিট ইত্যাদি।

 


চলতি বছরের জানুয়ারি—জুলাই অর্থাৎ ৭ মাসে জেলার বিভিন্ন থানা পুলিশ ৫৯৫ টি মামলায় ৭৮৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। এছাড়াও ৫ কোটি ৬৭ লক্ষ ৭১ হাজার ৯৪৫ টাকার চোরাচালান ও মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়।  
এরমধ্যে ৯৮টি চোরাচালান মামলায় ৮৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। জব্দকৃত মালামালের মোট আনুমানিক মূল্য ৩ কোটি ৪৭ লক্ষ ৪০ হাজার ৮৬০ টাকা। জব্দকৃত মালামালের মধ্যে রয়েছে — ১২০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ১৫,৯২৩ কেজি ভারতীয় ফুচকা, ১৪,৬২৪ কেজি ভারতীয় জিরা, ৬,৭৩৫ কেজি ভারতীয় কয়লা, ৫,১১৮ কেজি ভারতীয় চিনি, ২১৪ কেজি ভারতীয় কিসমিস, ৭,৯৫০ কেজি ভারতীয় ভুট্টা, ২,০৯৯ বোতল বিদেশি মদ, ঔষধ সামগ্রী ২,০৬০ পিস, ৫৪ পিস ভারতীয় কম্বল, ৬২৫ পিস ভারতীয় শাল, ১,০৯৭ পিস ভারতীয় শাড়ি, ৫২৫ পিস ভারতীয় ওড়না, ১০ পিস ভারতীয় স্যুট কাপড়, ২ পিস লেহেঙ্গা, ৬,০০০ পিস ভারতীয় ব্লেড, ১২,০০০ পিস ভারতীয় পান, ১০০ কেজি বিভিন্ন ধরনের মসলা, ৯৬ কেজি বাদাম, বিভিন্ন ধরনের ৩২ প্যাকেট বিস্কুট, ৬০ কেজি ভারতীয় চাল, এয়ারগান ৩টি, শিশা (কার্তুজ) ৯৬৬ পিস, ৯টি ভারতীয় গরু, ২৪,২১৬ পিস বিভিন্ন ধরনের প্রসাধনী সামগ্রী এবং ১৯,০৩,৪০০ শলাকা বিভিন্ন ধরনের ভারতীয় বিড়ি।

 


এছাড়াও একই সময়কালে মাদকদ্রব্যের ৪৯৭টি মামলায় ৬৯৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। জব্দকৃত মাদকদ্রব্যের মোট আনুমানিক মূল্য ২ কোটি ২০ লক্ষ ৩১ হাজার ৮৫ টাকা। জব্দকৃত মাদকদ্রব্যের মধ্যে রয়েছে — ১১৮ গ্রাম হেরোইন, ২১,৭৪৮ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ০.৩০ গ্রাম ইয়াবার গুড়া, ১ পুড়িয়া গাঁজা, ৪৩০ কেজি ৭৮৩ গ্রাম গাঁজা, ৭টি গাঁজা গাছ, ৩,৪৪৫ বোতল বিদেশি মদ, ১৮০ বোতল ফেনসিডিল, ১০ বোতল রেক্টিফাইড স্পিরিট মদ, ১৬ লিটার কেরু মদ, ৩,৪৮৩ লিটার চোলাইমদ এবং ৯,৬৫০ লিটার চোলাইমদ তৈরির উপকরণ (ওয়াশ)।

 


সুনামগঞ্জ জেলা একটি সীমান্তবেষ্টিত জেলা হওয়ার কারণে এখানে চোরাচালান এবং মাদকের কিছুটা প্রভাব রয়েছে উল্লেখ করে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) সুজন সরকার বলেন, জানুয়ারি থেকে আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত আমরা ৯৮টি মামলা করেছি চোরাচালানের ক্ষেত্রে এবং এক্ষেত্রে আমাদের গ্রেপ্তার হয়েছে ৮৯ জন। যদি এটি আমরা টাকার অংকে হিসাব করি, তাহলে এটি ৩ কোটি ৪৭ লক্ষ ৪০ হাজার ৮৬০ টাকা মূল্যের ভারতীয় পণ্য আমরা জব্দ করেছি। অন্যদিকে ৪৯৭টি মাদক মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছে ৬৯৫ জন। আনুমানিক বাজারমূল্য জব্দ হয়েছে ২ কোটি ২০ লক্ষ ৩১ হাজার ৮৫ টাকার মাদকদ্রব্য।

 


তিনি বলেন, সুনামগঞ্জ জেলা পুলিশ এই চোরাচালান এবং মাদক নির্মূল করার জন্য এটি সবসময় কাজ করে যাচ্ছে। আমরা নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছি যাতে এর সাথে যারা জড়িত, তাদেরকে আমরা আইনের আওতায় নিয়ে আসতে পারি। চোরাকারবারিদেরকে গ্রেপ্তার করে আইনের হাতে তুলে দিচ্ছি। এজন্য আমাদের বিশেষ বিশেষ অভিযান মাঝে মাঝেই আমরা পরিচালনা করে, যাতে মাদক এবং চোরাচালান আমরা কঠোর হস্তে দমন করতে পারি।
মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, মাদকের সাথে যারাই জড়িত হোক, যেভাবে জড়িত থাকুক না কেন আমরা সুনামগঞ্জ জেলা পুলিশ আইনের আওতায় নিয়ে আসবো এবং আইনের হাতে সোপর্দ করব। আমাদের এই কার্যক্রম চলমান রয়েছে। 

 


এদিকে মধ্যনগর উপজেলার বংশীকুন্ডা উত্তর ইউনিয়নের মহিষখলা, কাইটাকোনা, কড়ইবাড়ী, গঙ্গানগর, ঘিলাগড়া, বাঙালভিটা সীমান্ত এলাকা দিয়ে ভারতীয় পণ্য ঢুকছে বাংলাদেশে আর বাংলাদেশি পণ্য পাচার হচ্ছে ভারতে। এসব চোরাচালানের সাথে জড়িত উপজেলার ভারতের সীমান্তবর্তী বংশীকুন্ডা উত্তর ও বংশীকুন্ডা দক্ষিণ ইউনিয়নের একাধিক সংবদ্ধ চক্র। ভারতের মেঘালয় সীমান্তঘেঁষা দোয়ারাবাজার উপজেলাও চোরাচালানের রুট হিসেবে পরিচিত। চোরাচালানে ব্যবহৃত এলাকাগুলোর মধ্যে রয়েছে— বাংলাবাজার ইউনিয়নের কলাউরা (১২৩৬ পিলার), শিমুলতলা, বাঁশতলা, পেকপাড়া, বোগলাবাজার ইউনিয়নের বাগানবাড়ি, গাছগড়া, ইদুকোনা, লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নের ভাংগাপাড়া, মাঠগাঁও, দৌলতপুর এবং নরসিংপুর ইউনিয়নের শ্যামারগাঁও (১২৩৯ পিলার), শ্রীপুর (১২৪০ পিলার) ও চাইরগাঁও (১২৪১ পিলার)। এছাড়াও জেলার সলুকাবাদ, চিনাকান্দি ও ডলুরা সীমান্ত, ট্যাকেররঘাট এবং চারাগাঁও সীমান্ত, নারায়নতলা ও মাটিরবন, নারায়নতলা, লাউড়েরগড়, চাঁনপুর, বালিয়াঘাট, বাগানবাড়ি, বাঁশতলা দিয়ে ভারতীয় চোরাচালানি পণ্য আসছে ও বাংলাদেশী পণ্য পাচার হচ্ছে। 

 


বিজিবি সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরের আট মাসে অর্থাৎ, জানুয়ারি থেকে ২৮ আগস্ট পর্যন্ত জেলায় ৯ কোটি ২ লক্ষ ২৪ হাজার ৮৬৬ টাকার মাদকদ্রব্য ও চোরাচালানি মালামাল জব্দ করেছে বিজিবি। মাদকদ্রব্য ৫৮ লক্ষ ৫ হাজার ৮০০ টাকার ও ৮ কোটি ৪৪ লক্ষ ১৬ হাজার ৬৬ টাকার চোরাচালানি মালামাল জব্দ করা হয়েছে। 
জানুয়ারি মাসে ১৭টি গরু, মদ—৬৩৬ বোতল ও বিয়ার—১৪ বোতলসহ ভারতীয় বিড়ি, কয়লা, চিনি, স্মার্ট মোবাইল, পান মসলা, জিরা, কফি, চকলেট, কসমেটিক্স সামগ্রী, মটর সাইকেল পার্টস, বিস্কুট, আগরবাতি, হলুদ, সুপারি, কমলা, সাবান, চা—পাতা, ছাগল ও কম্বল জব্দ করা হয়। যার মূল্য ৬৪ লক্ষ ৯৮ হাজার ৫৫০ টাকা। 

 


ফেব্রুয়ারি মাসে ৩৮টি গরু, মদ—২২০ বোতলসহ ভারতীয় বিড়ি, কয়লা, চিনি, পাথর, ঘোড়া, জিরা, কফি, বেলচা, কসমেটিক্স, জিলেট ব্লেড, এলাচ, সুপারি, বাঁশ, আদা, পেঁয়াজ, আমুল দুধ ও ডাল জব্দ হয়। যার মূল্য ৭৭ লক্ষ ১১ হাজার ৪১৮ টাকা। 
মার্চ মাসে ৫টি গরু, মদ—৬৩৯ বোতল ও বিয়ার—৯ বোতলসহ ভারতীয় বিড়ি, খাসি, কয়লা, চিনি, পাথর, কম্বল, ঔষধ, টিন, কীটনাশক, জিরা, প্যান্ট, চকলেট, গ্রি পিস, জুতা, কসমেটিক্স, পান গেঞ্জি, চাউল, এলাচ ছাদর, সুপারি, লেহেঙ্গা, ওড়না, চা—পাতা, হলুদ শাড়ি, সরিষা তেল, দুধ, কলা ও পেনসিল ব্যাটারি, কিসমিস জব্দ হয়। যার মূল্য ১ কোটি ৫ লক্ষ ৪৪ হাজার ১১২ টাকা।


এপ্রিল মাসে ২৪টি গরু, মদ ২৫০ বোতল ও বিয়ার—৩০ বোতলসহ ভারতীয় বিড়ি, কয়লা, চিনি, গেঞ্জি, পাথর, ছাগল, জুস, জিরা, চা—পাতা, বেলচা, কসমেটিক্স, সুপারি, নগদ টাকা, ঘুসকা, আমুল দুধ, কাঁঠাল ও পান জব্দ হয়। যার মূল্য ৫৪ লক্ষ ৪৩ হাজার ৭১১ টাকা। 

 


মে মাসে ১২টি গরু, মদ—৭৩৮ বোতল, বিয়ার—১৩ বোতল ও ইয়াবা—১৮৯০ পিসসহ ভারতীয় বিড়ি, কয়লা, চিনি, ফুটবল সু, বালু, পাথর, সান্গ্লাস, চানাচুর, জিরা, নুড়ুস, জুতা, বিভিন্ন প্রকার কসমেটিক্স, লবণ, এলাচ, সুপারি, ঔষধ, রাইস ব্রান তেল, ওড়না, স্যান্ডেল, জুতা, কফি, শাড়ি, ফুসকা, চকলেট, আমুল দুধ, কিসমিস, পান, মেটর সাইকেল ও হেলমেট জব্দ হয়। যার মূল্য ১ কোটি ১২ লক্ষ ৬৬ হাজার ৪৯৬ টাকা। 
জুন মাসে ৪৪টি গরু, মদ—১৪৪ বোতল ও বিয়ার—১৪ বোতলসহ ভারতীয় বিড়ি, কয়লা, চিনি, জুস, বালু, কাঠ, আতশবাজি, পাথর, চাউল, জিরা, বিভিন্ন প্রকার কসমেটিক্স, চকলেট, এলাচ, চুইজাল, সুপারি, বিস্কুট, ঘুসকা, চা—পাতা, আমুল দুধ, কিসমিস ও পান জব্দ হয়। যার মূল্য ১ কোটি ৩ লক্ষ ১৫ হাজার ২৫৯ টাকা। 

 


জুলাই মাসে ১০২টি গরু, মদ—২৪২ বোতল ও বিয়ার—১০ বোতলসহ বিড়ি, কয়লা, চিনি, জুস, বালু, কাঠ, পাথর, ঘোড়া, পান, জিরা, চুইংগাম, বিভিন্ন প্রকার কসমেটিক্স, চকলেট, টুথপেস্ট, লবণ, জেলি, চুইজাল, সুপারি, ঔষধ, বিস্কুট, টমেটো, কিসমিস, কোল্ড ড্রিংকস, চা—পাতা, আমুল দুধ, কেক ও বাঁশ জব্দ হয়। যার মূল্য ২ কোটি ৭৯ হাজার ১৬৫ টাকা।
আগস্ট মাসে ২টি গরু, মদ ৪৬৩ বোতল, বিয়ার—১৬ বোতল, ইয়াবা ট্যাবলেট—৮ পিস, গাঁজা—৯ কেজি ও ইস্কাপ সিরাপ ৩০২ বোতলসহ ভারতীয় চকলেট, সনপাপড়ি, জুস, কসমেটিক্স, বিস্কুট, কলম, চুইংগাম, টমেটো, কাজু বাদাম, কিসমিস, গরুর মাংস, কয়লা, জিরা, কাঠ, নাসপাতি, হরলিক্স, ট্যাংক, চিনি, দুধ, মোটরসাইকেল, বিড়ি, পাথর, বালু, বারকি নৌকা, সুপারি, মোবাইল, হেলমেট, ভ্যানগাড়ি, ইঞ্জিন চালিত নৌকা, চা—পাতা, ফুসকা, জেলি, আচার, লিচি ড্রিংকস ও বাংলাদেশি রসুন জব্দ করা হয়। যার মূল্য ১ কোটি ৮৩ লক্ষ ৬৬ হাজার ১৫৫ টাকা।

 


প্রসঙ্গত, জেলার ১২টি উপজেলার মধ্যে ছয়টি উপজেলার সঙ্গে ভারতের ১২০ কিলোমিটার সীমান্ত রয়েছে। এর মধ্যে মধ্যনগর উপজেলার ৭ কিলোমিটার নেত্রকোনা ব্যাটালিয়নে এবং ছাতক ও দোয়ারাবাজার উপজেলার ২৩ কিলোমিটার সিলেট ব্যাটালিয়নের অন্তর্ভুক্ত। এর বাইরে ৯০ কিলোমিটার সীমান্ত সুনামগঞ্জ বিজিবির ২৮ ব্যাটালিয়নের অধীন। সুনামগঞ্জ ব্যাটালিয়নের আওতাধীন ৯০ কিলোমিটার সীমান্তের মধ্যে ৮৯ কিলোমিটার স্থলসীমা ও ১ কিলোমিটার জলসীমা। ১৯ টি বিওপির সীমান্ত জুড়ে দায়িত্ব পালন করছে। সুনামগঞ্জ জেলার সীমান্তবর্তী এলাকাগুলো অত্যন্ত দুর্গম ও পাহাড়ি এলাকা। কিছু কিছু স্থান কাঁটাতারের বেড়াবিহীন রয়েছে।

 


এ বিষয়ে ২৮ বিজিবি অধিনায়ক লে. কর্ণেল জাকারিয়া কাদির বলেন, ভারত থেকে অবৈধভাবে চোরাচালানের মাধ্যমে আনা বিভিন্ন মালামাল প্রতিরোধে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সর্বদা সীমান্ত এলাকায় ২৪ ঘণ্টা নিরলসভাবে দায়িত্ব পালন করে আসছে। সীমান্তে কার্যকর নজরদারি ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবি স্থলপথের পাশাপাশি নদীপথেও নিয়মিত টহল কার্যক্রম পরিচালনা করছে। পাশাপাশি, বিজিবির আধুনিকায়ন ও প্রযুক্তিনির্ভর সীমান্ত ব্যবস্থাপনার অংশ হিসেবে নতুনভাবে সংযোজিত ড্রোনের মাধ্যমে সীমান্তবর্তী দুর্গম ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে। এর ফলে সীমান্ত এলাকায় সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ ও চোরাচালান প্রতিরোধ কার্যক্রম অধিকতর কার্যকর হচ্ছে।

উপজেলার খবর থেকে আরো পড়ুন


সম্পাদক মণ্ডলীর উপদেষ্টা : স্বপন কুমার দেব, কুমার সৌরভ

সম্পাদক ও প্রকাশক : পঙ্কজ কান্তি দে

অনলাইন সম্পাদক : মাহবুবুল হাছান শাহীন

সম্পাদক কর্তৃক অক্ষর মুদ্রণ অফসেট প্রেস, জোয়াহের রাজা ট্রেড সেন্টার, পুরাতন বাসস্টেশন, সুনামগঞ্জ।

মোবাইল : ০১৭১৮৩৪৫৯৭৫

বিজ্ঞাপন : ০১৩২৫৪৬২৪৯৫

ই-মেইল : [email protected]

সুনামগঞ্জের খবর পরিবার