প্রকাশিত: ০৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২২:৪৪
‘অপপ্রচার’ দাবি পঞ্চায়েত সদস্যদের, ৫১ জনের প্রত্যয়ন শান্তিগঞ্জ অফিস
শান্তিগঞ্জ উপজেলার পূর্ব পাগলা ইউনিয়নের দামোধরতপী মাহমুদপুর মসজিদের ১৭ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তবে এ অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও মানহানিকর বলে দাবি করেছেন স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্যরা। দাবির পক্ষে ৫১ জন পঞ্চায়েত সদস্যের নাম, মোবাইল নম্বর ও স্বাক্ষর সংবলিত একটি লিখিত প্রত্যয়নপত্রও প্রদান করা হয়েছে।
গত ৩০ আগস্ট শান্তিগঞ্জ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আসির মিয়া বাদী হয়ে আমিরুল হকের বিরুদ্ধে মসজিদের ১৭ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করেন। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিষয়টি নিয়ে প্রচার চালানো হয়। তবে গ্রামবাসীর দাবি, মামলাটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও অসত্য। এমন মানহানিকর ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন তারা।
গত ৪ সেপ্টেম্বর দেওয়া পঞ্চায়েতের লিখিত প্রত্যয়নপত্রে উল্লেখ করা হয়— দামোধরতপী মাহমুদপুর মসজিদ কমিটি গ্রাম পঞ্চায়েতের মাধ্যমে যথাযথভাবে গঠিত হয়েছে। মসজিদের যাবতীয় আয়—ব্যয়ের হিসাব সরাসরি মসজিদ পরিচালনা কমিটিই নিয়ন্ত্রণ করে। অভিযুক্ত আমিরুল হক মসজিদ পরিচালনা কমিটির কোনো পদে বা দায়িত্বে নেই। ফলে তার বিরুদ্ধে ওঠা অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ কাল্পনিক ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে আমিরুল হক বলেন, আমার বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যে অপপ্রচার চালানো হয়েছে, তার তীব্র নিন্দা জানাই। মসজিদের টাকা—পয়সার কোনো লেনদেন বা হিসাবের সঙ্গে আমার নূন্যতম কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
উল্লেখ্য, বিষয়টি নিয়ে ফেসবুকে অভিযোগ তোলা আসির মিয়া বর্তমানে অন্য কোনো ঘটনায় কারাগারে থাকায় এ বিষয়ে তার কোনো বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
উপজেলার খবর থেকে আরো পড়ুন