প্রকাশিত: ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২২:১১
ধর্মপাশা উপজেলার গাছতলা বাজার এলাকায় একটি জরাজীর্ণ সরু সেতু নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন পণ্যবাহী যান চালক ও যাত্রীসাধারণ। ধর্মপাশা—মধ্যনগর সড়কের গাছতলা বাজারের উত্তর পাশে অবস্থিত এই সেতুর দুই প্রান্তের রাস্তা পাকাকরণ থেকে বাদ পড়ায় ঝুঁকি মাথায় নিয়েই চলাচল করছে অসংখ্য যানবাহন।
স্থানীয়রা জানালেন, গাছতলা বাজারের উত্তর প্রান্ত থেকে দক্ষিণ প্রান্ত পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার সড়ক আরসিসি ঢালাইয়ের মাধ্যমে সংস্কার করা হয়েছে। শুধু সেতুর সামনে পেছনের অংশ সংষ্কার হয়নি। ফলে সেতুর দুই মাথায় তৈরি হয়েছে বিপজ্জনক গর্ত ও অসমতল রাস্তা। যা দিয়ে প্রতিনিয়ত বাস, ট্রাক, পিকআপ, ইজিবাইক ও মোটরসাইকেলসহ নানা যানবাহন চলাচল করছে।
.jpg)
নেত্রকোনা সড়ক ও জনপদ বিভাগের অধীন এই সড়কটি ধর্মপাশা ও মধ্যনগর উপজেলার মধ্যে অন্যতম প্রধান যোগাযোগমাধ্যম। যা দিয়ে নেত্রকোনা ও সুনামগঞ্জের বিভিন্ন এলাকার মানুষ ও পণ্যবাহী যান নিয়মিত চলাচল করে। দীর্ঘদিন ধরে নড়বড়ে অবস্থায় থাকা সেতুটিতে ইতিমধ্যে একাধিক দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটেছে বলে জানান এলাকাবাসী। সম্প্রতি ধান বোঝাই একটি হ্যান্ড ট্রলি সেতুর ঝুঁকিপূর্ণ অংশে উল্টে পাশের খালে পড়ে যাওয়ার ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক আরও বেড়েছে।
পথচারীদের অভিযোগ, সেতুটি অত্যন্ত দুর্বল এবং যেকোনো মুহূর্তে বড় দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে।
গাছতলা বাজারের ব্যবসায়ী জালাল উদ্দিন বলেন, বহু পুরনো এই সেতুর অবস্থা মোটেও ভালো নয় এবং সামনে পেছনের রাস্তাও ঝুঁকিপূর্ণ। তাঁর মতে দুর্ঘটনার অপেক্ষায় না থেকে এখনই পরিদর্শন করে সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া উচিত।
পিকআপ চালক পলাশ মিয়া বলেন, নতুন সেতু হবে এই কারনে সেতুর দুই পাশে পাকা হয়নি। এখন পাকা না হওয়ায় ঝুঁকি নিয়েই চলতে হচ্ছে। আমরা ডাবল ঝুঁকিতে। আগে ছিল শুধু সেতুর ঝুঁকি এবার নতুন করে সেতুর দুই প্রান্তের অসমতল সড়ক ও গর্ত বেশি ঝুঁকিতে ফেলছে। যত তাড়াতাড়ি সংষ্কার হবে ততই আমাদের জন্য মঙ্গল।
এ বিষয়ে নেত্রকোনা সড়ক ও জনপদ বিভাগের প্রকৌশলী মো. ইলিয়াস ফারুক জানান, সেতু নির্মাণ কাজের জন্য ইতোমধ্যে ঠিকাদার নিয়োগ করা হয়েছে এবং শিগগিরই কাজ শুরু হবে।
উপজেলার খবর থেকে আরো পড়ুন