প্রকাশিত: ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২২:৩৫
একদিকে কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন আটতলা ভবন পড়ে আছে অসমাপ্ত অবস্থায়। অন্যদিকে একটি ভাড়া বাসায় গাদাগাদি করে চলছে মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের সীমিত কার্যক্রম। পর্যাপ্ত কক্ষ নেই, নেই পূর্ণাঙ্গ ওটি, কেবিন ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা—সুবিধা। ফলে প্রসূতি মা, শিশু ও কিশোরীদের জন্য নির্ধারিত ২০ শয্যার পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্যসেবা চালু করা যাচ্ছে না। দীর্ঘদিনের এই অচলাবস্থায় সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন নিম্নবিত্ত ও সাধারণ পরিবারের মানুষ।
.jpg)
সোমবার সকালে সরেজমিনে দেখা যায়, শহরের হাসনগর ময়নার পয়েন্ট সংলগ্ন একটি আবাসিক ভবনে চলছে মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের কার্যক্রম। চারপাশে বনজঙ্গল ও ঝোপঝাড়ে ঘেরা ভবন। একটি ছোট কক্ষে দুইটি শয্যা পেতে নরমাল ডেলিভারির ব্যবস্থা করা হয়েছে। আরেকটি কক্ষ ব্যবহৃত হচ্ছে লেবার রুম হিসেবে। ভবনের সিঁড়িঘর ডিসপেন্সারি এবং থাকার কক্ষ হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। ছোট ছোট কক্ষগুলোতে ঠাসাঠাসি করে রাখা হয়েছে চেয়ার—টেবিল, খাতাপত্র ও চিকিৎসাসামগ্রী। চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী ও রোগীদের জন্য নেই পর্যাপ্ত বসার জায়গা। একটি কক্ষে চিকিৎসক বহির্বিভাগের সেবা দেন। অন্য একটি কক্ষে কয়েকজন স্বাস্থ্যকর্মীকে একসঙ্গে বসে কাজ করতে হয়। রোগীদের অপেক্ষা ও চিকিৎসার জন্যও পর্যাপ্ত জায়গা নেই। এভাবেই প্রায় তিন বছর ধরে চলছে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম। অথচ ২০ শয্যার পূর্ণাঙ্গ সেবা চালুর লক্ষ্যেই নির্মাণ করা হচ্ছে নতুন ভবন। নির্মাণকাজ শেষ না হওয়ায় নতুন ভবনে সেবা চালু করা যাচ্ছে না। একারণে নিজস্ব অবকাঠামো নির্মাণের উদ্যোগ নিলেও সেখানে চিকিৎসাসেবা নেই, আর যেখানে সেবা চলছে সেখানে নেই প্রয়োজনীয় অবকাঠামো।
মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের অন্যতম বড় সংকট হলো— পূর্ণাঙ্গ ওটি না থাকার কারণে প্রায় তিন বছর ধরে এখানে সার্জিক্যাল অপারেশন বন্ধ রয়েছে। জটিল রোগীদের অন্যত্র রেফার করতে হচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, কাগজে—কলমে বিভিন্ন সেবার ব্যবস্থা থাকলেও বাস্তবে প্রয়োজনীয় সব সেবা পাচ্ছেন না রোগীরা। বিনামূল্যের ওষুধও নিয়মিত পাওয়া যায় না বলে অভিযোগ রয়েছে।
শহরের ডিএস রোড এলাকায় সুনামগঞ্জ মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের পুননির্মাণকাজ শুরু হয় ২০২৩ সালের ৫ মে। স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর সিলেটের অধীনে আটতলা ভবনে ২০ শয্যার এ কেন্দ্র নির্মাণে ব্যয় ধরা হয় ১৪ কোটি ৮৮ লাখ ১৪ হাজার ৭৫৬ টাকা। দরপত্র অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৬ জুলাইয়ের মধ্যে নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ হয়নি। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে নির্মাণকাজ বন্ধ রয়েছে। সাততলা পর্যন্ত ছাদ ঢালাই ও গাঁথুনির কাজ শেষ হলেও অষ্টম তলার ছাদ ও ফিনিশিংয়ের কাজ অসমাপ্ত রয়েছে।
সরেজমিনে নির্মাণাধীন ভবনে দেখা যায়, বিভিন্ন তলায় ছড়িয়ে—ছিটিয়ে রয়েছে বাঁশ, কাঠের তক্তাসহ বিভিন্ন নির্মাণসামগ্রী। দীর্ঘদিন ধরে কাজ বন্ধ থাকায় ভবনটি অসম্পূর্ণ অবস্থায় পড়ে আছে। নতুন ভবনের কাজ শেষ না হওয়ায় সেখানে ২০ শয্যার পূর্ণাঙ্গ সেবা চালু করা যাচ্ছে না। এই পরিস্থিতিতে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের একটি অংশকে অন্য হাসপাতালে যেতে হচ্ছে। বিশেষ করে যেসব রোগীর অস্ত্রোপচার, পর্যবেক্ষণ বা বাড়তি চিকিৎসা—সুবিধা প্রয়োজন, তাদের জন্য বর্তমান অস্থায়ী ব্যবস্থা যথেষ্ট নয়।
রোগীর স্বজন নুরুল আমিন বলেন, একটি রোগী নিয়ে চিকিৎসার জন্য সিলেট—ঢাকায় ছুটতে হয়। এতে দরিদ্র মানুষের অনেক ভোগান্তি হয়। নতুন কেন্দ্রটি চালু হলে সুনামগঞ্জের সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে দরিদ্র পরিবারগুলো উপকৃত হতো। দ্রুত প্রতিষ্ঠানটি চালু করার দাবি জানান তিনি।
পথচারী সুবল বিশ্বাস বলেন, মাতৃমঙ্গল কেন্দ্রটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হলে গরিব মানুষের অনেক সুবিধা হতো। সাধারণ মানুষ চিকিৎসাসেবা পেত। দ্রুত এটি চালু করার প্রত্যাশা করেন তিনি।
স্থানীয় ব্যবসায়ী দেলোয়ার বলেন, দীর্ঘদিন ধরে মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রটি বন্ধ থাকায় গরিব ও অসহায় মানুষ চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। বিশেষ করে সিজার বা জটিল চিকিৎসার জন্য বাইরে যেতে হয়। বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গেলে অনেক টাকা খরচ হয়। প্রতিষ্ঠানটি চালু হলে দরিদ্র মানুষ কম খরচে বা বিনামূল্যে সেবা পেতেন।
শহরের নতুনপাড়ার বাসিন্দা বিধান চন্দ্র দাস বলেন, দীর্ঘদিন ধরে মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে চলছে না। এর কারণে সুনামগঞ্জের মানুষ চিকিৎসাসেবা নিতে গিয়ে হয়রানির শিকার হচ্ছেন। দ্রুত নির্মাণকাজ শেষ করে প্রতিষ্ঠানটির পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম চালুর দাবি জানান তিনি।
কিশোর সংগঠন খেলাঘর আসরের সাধারণ সম্পাদক মো. রাজু আহমেদ বলেন, হাসনগর ময়নার পয়েন্ট সংলগ্ন একটি ভাড়া বাসায় অস্থায়ীভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। কিন্তু এভাবে যথাযথভাবে স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। কর্তৃপক্ষ চাইলে আরও বড় পরিসরের একটি অস্থায়ী কার্যালয় নিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারেন। কারণ শহরের অনেক মানুষ এবং শহরের পার্শ্ববর্তী এলাকার বাসিন্দারাও বর্তমান অস্থায়ী কেন্দ্রটির অবস্থান সম্পর্কে জানেন না।
তিনি বলেন, মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের কার্যক্রম দীর্ঘদিন ধরে স্থবির থাকায় স্থানীয়ভাবে গড়ে উঠা বেসরকারি চিকিৎসাকেন্দ্রগুলোর উপর নির্ভরতা বাড়ছে। সাধারণ পরিবারের মানুষ যারা আগে মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র থেকে সেবা নিতেন, তারা দীর্ঘদিন ধরে সেই সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
রাজু আহমেদ বলেন, মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের ওপর যে চাপ ছিল, সেটির একটি বড় অংশ এখন সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালের উপর পড়ছে। সদর হাসপাতালে এমনিতেই রোগীর চাপ রয়েছে। এর সঙ্গে মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের সেবাপ্রত্যাশী রোগীদের চাপ যুক্ত হওয়ায় স্বাস্থ্যসেবার উপর বাড়তি চাপ তৈরি হচ্ছে। দ্রুত নির্মাণকাজ শেষ করে মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম চালুর দাবি জানান তিনি। পাশাপাশি বর্তমান অস্থায়ী কার্যালয়ে স্বাস্থ্যসেবা দেওয়ার পরিবেশ আরও উন্নত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজর দেওয়ার আহ্বান জানান।
সুনামগঞ্জ পরিবেশ রক্ষা আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক ফজলুল করিম সাঈদ বলেন, মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রটি দীর্ঘদিন ধরে নির্মাণাধীন অবস্থায় পড়ে আছে। এতদিন ধরে নির্মাণকাজ শেষ না হওয়া সুনামগঞ্জের মানুষের জন্য কষ্টের বিষয়। বিশেষ করে নিম্নবিত্ত ও অসহায় মানুষই এই কেন্দ্র থেকে বেশি সেবা নিতেন। তিনি বলেন, বর্তমানে ভাড়া নেওয়া অল্প কয়েকটি কক্ষে যে কার্যক্রম চলছে, তাতে সুনামগঞ্জের সাধারণ মানুষ কাঙ্ক্ষিত স্বাস্থ্যসেবা পাচ্ছেন না। ধনী বা সামর্থ্যবান মানুষ প্রয়োজনে সিলেট কিংবা ঢাকায় গিয়ে চিকিৎসা নিতে পারেন। কিন্তু নিম্নবিত্ত ও দরিদ্র মানুষের পক্ষে দূরে গিয়ে চিকিৎসা নেওয়া কঠিন।
ফজলুল করিম সাঈদ বলেন, এখানে যে দু—একজন রোগী আসছেন, তাদের অনেককেই সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতাল অথবা সিলেটে রেফার করা হচ্ছে। এতে মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রটির পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম না থাকায় সাধারণ মানুষ কাঙ্ক্ষিত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
তিনি সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসন ও সংসদ সদস্যদের দ্রুত উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, নির্মাণকাজ দ্রুত শেষ করে এখানে প্রয়োজনীয় চিকিৎসক, নার্স ও কারিগরি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। যাতে সুনামগঞ্জের সাধারণ মানুষ এই কেন্দ্র থেকেই প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা নিতে পারেন।
শহীদ জগৎজ্যোতি পাবলিক লাইব্রেরির সাধারণ সম্পাদক খলিল রহমান বলেন, মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের ২০ শয্যার ভবন নির্মাণের কাজ আটকে আছে। এটি একটি জনসেবামূলকপ্রতিষ্ঠান। এখন ভাড়া নেওয়া ছোট একটি ভবনে কার্যক্রম চলছে। সেখানে মানুষ প্রয়োজনীয় সেবা পাচ্ছেন না।
তিনি বলেন, দ্রুত নতুন ভবনের কাজ শুরু করে কার্যক্রম সেখানে স্থানান্তর করা উচিত। বর্তমানে যে জায়গায় ভাড়া ভবনে মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের কার্যক্রম চলছে, সেটি অনেকেই জানেন না। ফলে অনেক মানুষ সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
সুনামগঞ্জ জেলা সুজনের (সুশাসনের জন্য নাগরিক) সভাপতি নুরুল হক আফিন্দি বলেন, নতুন ভবন নির্মাণের সময় মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের কার্যক্রম কিছুটা বিঘ্নিত হয়েছিল। পরে দীর্ঘদিন ধরে এর কার্যক্রম কার্যত বন্ধ রয়েছে। কেন এতদিনেও এটি চালু হচ্ছে না বা কোথায় ব্যর্থতা রয়েছে, তা তিনি পুরোপুরি জানেন না। তবে মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রটি অত্যন্ত জরুরি একটি প্রতিষ্ঠান।
তিনি বলেন, মায়েদের স্বাস্থ্যসেবার জন্য এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি কেন্দ্র। এখানে গর্ভবতী মায়েদের চেকআপ থেকে শুরু করে প্রসব পর্যন্ত সেবা দেওয়ার কথা। দীর্ঘদিন ধরে প্রতিষ্ঠানটি স্বাভাবিকভাবে চালু না থাকায় বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক।
নিজের অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে নুরুল হক আফিন্দি বলেন, ১৯৬০ সালে পুরোনো মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে তার জন্ম হয়েছিল। ফলে প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে তার একটি আত্মিক সম্পর্ক রয়েছে। মায়েদের গর্ভকালীন সেবার জন্য মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রতিষ্ঠান।
তিনি বলেন, দীর্ঘসূত্রতার অবসান ঘটাতে প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে জবাবদিহির আওতায় এনে নির্মাণকাজ দ্রুত শেষ করতে হবে। একই সঙ্গে প্রশাসনকে দায়িত্ব নিয়ে অবিলম্বে কাজ সম্পন্ন করে মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রটি পুনরায় পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করার উদ্যোগ নিতে হবে।
মেডিকেল অফিসার (ক্লিনিক) ডা. প্রিয়াঙ্কা পাল চৌধুরী বলেন, বর্তমান ভবনে আরও কয়েকটি কক্ষ থাকলে আলাদা ওটি, পোস্ট—অপারেটিভ সেবা ও রোগীদের জন্য পৃথক কেবিনের ব্যবস্থা করা যেত। কিন্তু জায়গার অভাবে এসব সেবা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। সীমিত পরিসরের মধ্যেও পরিচ্ছন্নতা ও রোগীদের সেবা নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
তিনি জানান, বর্তমানে একটি কক্ষে বহির্বিভাগের সেবা দেওয়া হয়। একটি কক্ষে কয়েকজন স্বাস্থ্যকর্মী বসেন। আরেকটি কক্ষে ভিজিটরের জায়গার সঙ্গে দুটি শয্যা রয়েছে। সেখানে নরমাল ডেলিভারির পর রোগীদের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়। পৃথক একটি লেবার রুম রয়েছে। অফিস সহকারীর কার্যক্রমও সীমিত জায়গায় চলছে। ডা. প্রিয়াঙ্কা বলেন, যেসব রোগীকে এখানে রাখা সম্ভব হয় না, তাদের সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতাল বা ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়।
জেলা স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী হুসনুল করিম বলেন, সুনামগঞ্জ মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের নির্মাণকাজ একটি প্রকল্পের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হচ্ছিল। ২০২৪ সালে ওই প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় কাজ অসমাপ্ত থেকে যায়। তখন প্রায় ৫০ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছিল।
তিনি বলেন, অসমাপ্ত কাজ বর্তমানে নতুন ডিপিপির মাধ্যমে শেষ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ডিপিপিটি ইতোমধ্যে মন্ত্রণালয়ে অনুমোদন হয়েছে এবং টেন্ডার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
কাজ শেষ হতে কতদিন সময় লাগবে—এমন প্রশ্নের জবাবে হুসনুল করিম বলেন, নতুন প্রকল্প শুরু হলে এর মেয়াদ কতদিন দেওয়া হবে, তা প্রকল্প অনুমোদন ও কার্যাদেশ হওয়ার পর জানা যাবে। অসমাপ্ত কাজের মধ্যে প্রায় ৫০ শতাংশ কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আগের কার্যাদেশের মূল্য ছিল ১৪ কোটি ৪৪ লাখ টাকা। এর মধ্যে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে ৬ কোটি ৮৬ লাখ টাকা বিল পরিশোধ করা হয়েছে। বাকি প্রায় ৮ কোটি টাকা অপরিশোধিত রয়েছে। অবশিষ্ট কাজ সম্পন্ন করার পর নিয়ম অনুযায়ী বাকি অর্থ পরিশোধ করা হবে।
উপজেলার খবর থেকে আরো পড়ুন