প্রকাশিত: ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২২:১৭
বন্ধ গ্যাস-তেল সরবরাহ, ভোগান্তিতে যানবাহন চালকরা
কার্যক্রম নিষিদ্ধ জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি নুরুল হুদা মুকুট ও সদস্য সজীব রঞ্জন দাসের মালিকানাধীন সিনথিয়া সিএনজি পেট্রোল পাম্পে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছে পাওনাদার দাবি করা ফয়সাল আহমদ সাকিলসহ কয়েকজন।
বুধবার সন্ধ্যা ৬ টার দিকে কয়েকজন যুবকের একটি দল এসে গ্যাস পাম্পের অফিস কক্ষ, কন্ট্রোল কক্ষ ও পেট্রোল পাম্পের অফিস কক্ষ থেকে কর্মকর্তা কর্মচারীদের বের করে দিয়ে ফটকে তালা লাগিয়ে দেন। পাম্প বন্ধ থাকায় ভোগান্তিতে পড়েন পরিবহন শ্রমিকরা। পাম্পে এসে ফিরে যান মোটরসাইকেল চালক ও সিএনজি সহ অন্যান্য গাড়ির চালকরা। ক্ষোভ প্রকাশ করে তারা বলেন, দুইদিন পর পর এই পাম্পে ঝামেলা হয়। এমনিতেই শহরে মাত্র দুইটি পাম্প এর মধ্যে একটি বন্ধ থাকলে গাড়ি চালানো কঠিন হয়ে যায়।
.jpeg)
পেট্রোল পাম্পের কর্মচারী অসীম বলেন, হঠাৎ কয়েকজন এসে পাম্পে তালা দিয়েছেন। আমাদের বলেছেন, তেল সরবরাহ বন্ধ রাখতে, আমরা বন্ধ রেখেছি। বাকিটা কতৃর্পক্ষ জানে কি করবেন না করবেন।
গ্যাস পাম্পের ইঞ্জিনিয়ার বিন্দু বলেন, আমি বাইরে ছিলাম। এসে দেখি অফিস তালা মারা, কর্মচারীরা বাইরে।
তালা দেয়া কেউ ক্যামেরায় কথা বলতে চাননি। তবে তারা জানিয়েছেন একাধিক মানুষের কাছ থেকে পাম্পের চেক দিয়ে টাকা আনা হয়েছে। টাকা ফেরত দেওয়া হয় নি।
তালা মারার আধা ঘন্টার মধ্যে কর্মকর্তা কর্মচারীসহ সবাই তেল ও গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে পাম্পের আলো নিভিয়ে পাম্প থেকে চলে যান।
পাম্পের মালিক সজীব রঞ্জন দাসের এক শুভাকাঙ্ক্ষী জানান, এই পাম্পের মালিক সজীব রঞ্জন ও পরিচালনার দায়িত্বে থাকা ইঞ্জিনিয়ার ও সাবেক ম্যানেজার জুয়েলের মধ্যে আর্থিক বিষয় নিয়ে টানাপোড়েন আছে। হিসাবের গরমিল রয়েছে। এ নিয়ে বিচার সালিশ হলে মালিকপক্ষ ও ইঞ্জিনিয়ারের মধ্যে বিরোধ তৈরি হয়। এর জের ধরেই বুধবার দখলের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় মালিক পক্ষ মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
ফয়সাল আহমদ সাকিল বললেন, পাম্পের সাবেক ম্যানেজার জুয়েল মালিকপক্ষের সজীব রঞ্জন দাসের স্বাক্ষর করা চেক দিয়ে টাকা নিয়েছে। এখন টাকা দিচ্ছে না। এজন্য জুয়েলই তালা দিয়েছে। আমি কেবল ওখানে উপস্থিত ছিলাম। পাওনাদার আরও অনেকে ছিলেন।
সুনামগঞ্জ সদর থানার ওসি (তদন্ত) আরিফ উল্লাহ্ বলেন, দুই পক্ষকে থানায় ডাকা হয়েছে।
উপজেলার খবর থেকে আরো পড়ুন