প্রকাশিত: ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০০:১৪
কার্যক্রম নিষিদ্ধ জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি নুরুল হুদা মুকুট ও সদস্য সজীব রঞ্জন দাসের মালিকানাধীন সিনথিয়া সিএনজি পেট্রোল পাম্পে তালা ঝুলানোর ১৮ ঘণ্টা পর পুলিশের কাছ থেকে চাবি নিয়ে খোলা হয়েছে। পাম্পের ম্যানেজার কাজল দে জানিয়েছেন, পুলিশই তাকে ফোন দিয়ে চাবি দিয়ে পাম্প খোলার জন্য বলে দিয়েছে।
বুধবার সন্ধ্যা ৬ টার দিকে ফয়সাল আহমদ সাকিলসহ কয়েকজন যুবকের একটি দল এসে গ্যাস পাম্পের অফিস কক্ষ, কন্ট্রোল কক্ষ ও পেট্রোল পাম্পের অফিস কক্ষ থেকে কর্মকর্তা কর্মচারীদের বের করে দিয়ে ফটকে তালা লাগিয়ে দেন। পাম্প বন্ধ থাকায় ভোগান্তিতে পড়েন পরিবহন শ্রমিকরা। পাম্পে এসে ফিরে যান মোটরসাইকেল চালক ও সিএনজি সহ অন্যান্য গাড়ির চালকরা। তালা মারার আধা ঘন্টার মধ্যে কর্মকর্তা কর্মচারীসহ সবাই তেল ও গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে পাম্পের আলো নিভিয়ে পাম্প থেকে চলে যান।
পাম্পের মালিক সজীব রঞ্জন দাসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এই পাম্পের পরিচালনার দায়িত্বে থাকা সাবেক ম্যানেজার জুয়েলের সঙ্গে আর্থিক বিষয় নিয়ে টানাপোড়েন আছে। হিসাবের গরমিল রয়েছে। এ নিয়ে বিচার সালিশ হলে মালিকপক্ষ ও ম্যানেজারের মধ্যে বিরোধ তৈরি হয়। এর জের ধরেই বুধবার দখলের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় মালিক পক্ষ রাতে থানায় জিডি করেছে।
পাম্পের বর্তমান ম্যানেজার কাজল চন্দ্র দে বললেন, বুধবার রাতেই পুলিশ আমাদের লোকজনকে চাবি দিয়েছিলেন। তারা আনেন নি। সকালে আমাকে থানায় ফোন দিয়ে নিয়ে চাবি দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বেলা ২ টা থেকে আমরা পাম্প খুলেছি।
বৃহস্পতিবার রাতে শহরের তেঘরিয়ার বাসিন্দা ফয়সাল আহমদ সাকিল বলেছিলেন, পাম্পের সাবেক ম্যানেজার জুয়েল মালিকপক্ষের সজীব রঞ্জন দাসের স্বাক্ষর করা চেক দিয়ে টাকা নিয়েছে। এখন টাকা দিচ্ছে না। এজন্য জুয়েলই তালা দিয়েছে। আমি কেবল ওখানে উপস্থিত ছিলাম। পাওনাদার আরও অনেকে ছিলেন সেখানে।
সুনামগঞ্জ সদর থানার ওসি (তদন্ত) আরিফ উল্লাহ্ বলেন, দুইপক্ষকে থানায় ডাকা হয়েছিল। সুনামগঞ্জ চেম্বার অব কমার্সের সিনিয়র সহসভাপতি জুয়েল মিয়াসহ ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ ছিলেন। চেম্বারের নেতা জুয়েল মিয়া এক সপ্তাহের মধ্যে দুইপক্ষকে নিয়ে বসে বিষয়টি সমাধান করে দেবার দায়িত্ব নিয়েছেন।
উপজেলার খবর থেকে আরো পড়ুন