প্রকাশিত: ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২৩:০৭
ঘোড়াডুম্বুরে দুর্ধর্ষ চুরি। লাগাতার এমন ঘটনার অভিযোগ
শান্তিগঞ্জ উপজেলার পূর্ব পাগলা ইউনিয়নের ঘোড়াডুম্বুর গ্রামের পয়েন্টে দোকান ঘরে দুর্ধর্ষ চুরির অভিযোগ উঠেছে। এসময় গেদি বেগম নামের এক বৃদ্ধার দোকানও চুরি হয়েছে। বুধবার ভোর রাতে এমন ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী আদনান আহমদ ও গেদি বেগম। আদনান পূর্ব পাগলা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য মৃত. চমক আলীর ছেলে ও গেদি বেগম একই গ্রামের বাসিন্দা। এ ঘটনায় এসআই নুরুজ্জামানের নেতৃত্বে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে শান্তিগঞ্জ থানা পুলিশের একটি দল। অভিযোগ আছে, গত তিন মাসে লাগাতার চুরির ঘটনা ঘটে চলেছে ঘোড়াডুম্বুর গ্রামে।
আদনান হোসেন ও আজমির হোসেন জানিয়েছেন, ২০২৩ সালের একটি মামলাজনিত কারণে ঘোড়াডুম্বুর গ্রামের পয়েন্টে নয় ভাই এন্টারপ্রাইজ নামের দোকানটি বন্ধ রাখা হয়েছে। একই কারণে গেদি বেগমের সুমন ভেরাইটিজ স্টোরও বন্ধ থাকে। মঙ্গলবার রাতের যে কোনো সময় দোকান দুইটি চুরি হয়। দোকানে থাকা আসবাবপত্র, স্টিলের বড় দরজা, জানালা, ইলেকট্রনিক সুইচ বোর্ড, বৈদ্যুতিক মিটার এমনকি দোকানে থাকা ওয়্যারিং পর্যন্ত নিয়ে গিয়েছে চুরেরা। পাশের গেদি বেগমের দোকানেরও একই অবস্থা। দেয়াল ভেঙে এসব নিয়ে গিয়েছে চোর চক্র।
তারা জানান, গ্রামে ইদানিং ক্রমাগত ছোট বড় চুরির ঘটনা ঘটেই চলেছে। কিছু দিন আগে ২টি সিএনজি চুরির ঘটনা ঘটেছে এই গ্রামে। দেড় মাস আগে জসিম উদ্দিন নামের একজনের ঘর চুরি হয়। আবদুল গনি নামের আরেক জনের ঘরও চুরি হয়েছে। বাবুল নামের একজনের ঘর চুরি হয়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন সময় ছোট বড় চুরির ঘটনা ঘটেই চলেছে। এখন আমাদের আশঙ্কা, কখন যেনো দোকানের চালের টিন খুলে নিয়ে যায়। সাধারণ মানুষ চুরির ভয়ে সব সময় তটস্থ থাকেন।
বুধবার সকালে সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, ঘোড়াডুম্বুর গ্রামের পয়েন্টে দু’টি দোকান ঘরের দরজা, জানালা কিছুই নেই। দেয়ালের বেশ কিছু অংশ ভাঙা। বৈদ্যুতিক স্লুইচ বোর্ড নাই, তারগুলোও কাটা। সদ্য দরজা, জানালা খুলে নেওয়ার দৃশ্য স্পষ্ট।
এস আই নুরুজ্জামান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। ওসি স্যারকে অবগত করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
উপজেলার খবর থেকে আরো পড়ুন