যে ৫ অভ্যাসে বাড়ছে ফুসফুস ক্যানসারের ঝুঁকি

প্রকাশিত: ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০৬

সংগৃহীত ছবি 

শুধু ধূমপান নয়, দৈনন্দিন জীবনের আরও কিছু অভ্যাস ফুসফুসের ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে। পরোক্ষ ধূমপান, রান্নার ধোঁয়া, ধুলোবালির মধ্যে সুরক্ষা ছাড়া চলাফেরা, দীর্ঘদিনের কাশিকে অবহেলা এবং ঘরে নিয়মিত মশার কয়েল বা ধূপ জ্বালানোর মতো অভ্যাস ফুসফুসের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। তাই এসব বিষয়ে সতর্ক থাকা জরুরি।

 

 

ধূমপান না করলেও ফুসফুস পুরোপুরি ঝুঁকিমুক্ত নয়। তামাকজাত দ্রব্যের নেশা না থাকলেও প্রতিদিনের কিছু অভ্যাসের কারণে ফুসফুস ক্ষতিকর ধোঁয়া ও রাসায়নিকের সংস্পর্শে আসতে পারে। দীর্ঘদিন এমন পরিস্থিতিতে থাকলে ফুসফুসের বিভিন্ন সমস্যার পাশাপাশি ক্যানসারের ঝুঁকিও বাড়তে পারে।

 

পরোক্ষ ধূমপান

 

নিজে ধূমপান না করলেও পাশে থাকা ব্যক্তির সিগারেট বা বিড়ির ধোঁয়া শ্বাসের সঙ্গে ফুসফুসে ঢুকতে পারে। এই ধোঁয়ায় থাকা বিভিন্ন ক্ষতিকর রাসায়নিক শ্বাসনালি ও ফুসফুসে পৌঁছে কোষের ক্ষতি করতে পারে। এর ফলে ফুসফুসের কোষে অস্বাভাবিক পরিবর্তন ও জিনগত পরিবর্তন ঘটার আশঙ্কা থাকে। তাই ধূমপানের ধোঁয়া থেকে নিজেকে দূরে রাখা জরুরি।

 

রান্নার ধোঁয়া

 

বদ্ধ জায়গা বা পর্যাপ্ত বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা নেই—এমন রান্নাঘরে গ্যাস বা অন্যান্য জ্বালানি ব্যবহারের সময় বিভিন্ন ক্ষতিকর গ্যাস ও ধোঁয়া তৈরি হতে পারে। রান্নার সময় তেল বা মশলা পোড়ার ধোঁয়াতেও বেঞ্জিন, ফরম্যালডিহাইডের মতো রাসায়নিক থাকতে পারে। দীর্ঘদিন এসব ধোঁয়ার সংস্পর্শে থাকলে ফুসফুসের জন্য ঝুঁকি বাড়তে পারে।

 

ধুলোবালির জায়গায় মাস্ক না পরে যাওয়া

 

শিল্পাঞ্চলের ধোঁয়া, ধুলা ও রাসায়নিক কণার সংস্পর্শে দীর্ঘসময় থাকলে ফুসফুস ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। পেশাগত কারণে যাঁদের নিয়মিত ধুলোবালি বা ধোঁয়ার মধ্যে কাজ করতে হয়, তাদের সুরক্ষার জন্য মাস্ক ব্যবহার করা জরুরি। নির্মাণস্থলের আশপাশে অবস্থান বা সেখান দিয়ে যাতায়াতের সময়ও মাস্ক ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়।

 

দীর্ঘদিনের কাশিকে অবহেলা

 

দীর্ঘদিন ধরে কাশি বা শ্বাসকষ্ট থাকলেও অনেকেই বিষয়টি সাধারণ সর্দি-কাশি ভেবে এড়িয়ে যান। কিন্তু দীর্ঘস্থায়ী শুকনো কাশি বা শ্বাসকষ্টের কারণ জানা জরুরি। ফুসফুসের কোষে পরিবর্তন বা কোষের অনিয়ন্ত্রিত বিভাজন শুরু হলে এমন উপসর্গ দেখা দিতে পারে। তাই দীর্ঘদিনের কাশি বা শ্বাসকষ্ট থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

 

ঘরে মশা মারার ধূপ বা কয়েল

 

মশা তাড়ানোর কয়েল বা ধূপ দীর্ঘসময় জ্বললে এর ধোঁয়া ঘরের বাতাসে মিশে যায়। বদ্ধ ঘরে এই ধোঁয়া ফুসফুসের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। একইভাবে সুগন্ধি মোমবাতি পোড়ানোর ধোঁয়াতেও ফরম্যালডিহাইড, বেঞ্জিনসহ বিভিন্ন রাসায়নিক থাকতে পারে। গবেষণায় দাবি করা হয়েছে, বদ্ধ ঘরে একটি মশার কয়েল জ্বালালে প্রায় ১০০টি সিগারেটের সমান ধোঁয়া ও বিষাক্ত কণা নির্গত হতে পারে, যা ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
সূত্র: যুগান্তর .কম
এমডি

বিশেষ সংখ্যা থেকে আরো পড়ুন


সম্পাদক মণ্ডলীর উপদেষ্টা : স্বপন কুমার দেব, কুমার সৌরভ

সম্পাদক ও প্রকাশক : পঙ্কজ কান্তি দে

অনলাইন সম্পাদক : মাহবুবুল হাছান শাহীন

সম্পাদক কর্তৃক অক্ষর মুদ্রণ অফসেট প্রেস, জোয়াহের রাজা ট্রেড সেন্টার, পুরাতন বাসস্টেশন, সুনামগঞ্জ।

মোবাইল : ০১৭১৮৩৪৫৯৭৫

বিজ্ঞাপন : ০১৩২৫৪৬২৪৯৫

ই-মেইল : [email protected]

সুনামগঞ্জের খবর পরিবার