শতভাগ ফেল

প্রকাশিত: ০১ নভেম্বর, ২০২৬ ০০:১২

প্রতিষ্ঠান প্রধানরা শিক্ষক সংকটের অজুহাত জানালেন

দোয়ারাবাজার ও দিরাই উপজেলার দুইটি স্কুল এন্ড কলেজের সকলে এবার এইচএসসি পরীক্ষায় ফেল করেছে। প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে দোয়ারাবাজার উপজেলার মিতালী স্কুল এন্ড কলেজ এবং দিরাই উপজেলার টঙ্গর এলাকার আলহাজ¦ আব্দুল মুত্তালিব হাইস্কুল এন্ড কলেজ।

 


দোয়ারাবাজার উপজেলার মিতালী স্কুল এন্ড কলেজ থেকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ২১ শিক্ষার্থীর কেউই পাস করতে পারে নি। এ কারণে প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার শূন্য শতাংশ।

 


এই কলেজের একাধিক অভিভাবক বলছেন, শিক্ষক সংকট, দক্ষ শিক্ষকের অভাব, নিয়মিত পাঠদান না হওয়া এবং শিক্ষার্থীদের শ্রেণিকক্ষে অনুপস্থিতিসহ বিভিন্ন কারণে এমন ফলাফল হয়েছে।
সুনামগঞ্জ জেলা যুবদলের শিল্পবিষয়ক সম্পাদক শিক্ষার্থী অভিভাবক আব্দুল কাইয়ুম বলেন, দক্ষ ও পর্যাপ্ত শিক্ষকের অভাবেই এমন ফলাফল হয়েছে। শিক্ষার মানোন্নয়নে দক্ষ শিক্ষক নিশ্চিত করার পাশাপাশি নিয়মিত পাঠদানের বিষয়ে আরও গুরুত্ব দিতে হবে।

 


মিতালী স্কুল ও কলেজের সাবেক সভাপতি ও সুনামগঞ্জ জজকোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম বলেন, কলেজটি নতুন। শিক্ষক সংকটসহ বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা ছিল। আমরা স্থানীয় নেতৃবৃন্দকে নিয়ে আলোচনা করে আগামীতে ভালো ফলাফল করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেব।
শিক্ষার্থী অভিভাবক ও ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি জুবায়ের আহমেদ বলেন, উপজেলার অন্যান্য কলেজে ভর্তির সুযোগ না পাওয়া অনেক শিক্ষার্থী শেষ পর্যন্ত উপায় না পেয়ে এই কলেজে ভর্তি হয়েছে। নিয়মিত ক্লাস হয়নি, পাশাপাশি শিক্ষক সংকটও ছিল। এসব কারণে ফলাফলে প্রভাব পড়েছে।
মিতালী স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ ময়না মিয়া বলেন, শিক্ষার্থীরা ভর্তি হওয়ার পর এক থেকে দুই মাস ক্লাস করেছে। এরপর তারা আর নিয়মিত ক্লাসে আসে নি। আমরা চেষ্টা করেও তাদের নিয়মিত ক্লাসে আনতে পারি নি।

 


দিরাই উপজেলার আলহাজ¦ আব্দুল মুত্তালিব হাইস্কুল এন্ড কলেজে ২০২৪ ইংরেজিতে একাদশ শ্রেণিতে মানবিক বিভাগে ছাত্র ভর্তি শুরু হয়। এই প্রতিষ্ঠানের ১৫ জন শিক্ষার্থী নির্বাচনী পরীক্ষায় পাস করে। চূড়ান্ত পরীক্ষায় অংশ নেয় ১৪ জন। এই ১৪ জনই ফেল করেছে।
স্থানীয় সাংবাদিক উমেদ আলী বললেন, এই স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষের যোগ্যতা নিয়েও স্থানীয়ভাবে কথা আছে। তিনি জানান, একজন শিক্ষার্থী জানিয়েছে, সে প্রশ্নই বুঝে নি।

 


প্রধান শিক্ষক লুৎফুর রহমান বললেন, স্কুলের ১১ জন শিক্ষক এবং দুইজন অতিথি শিক্ষক একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পাঠদান করেন। শিক্ষক সংকটের কারণেই ফলাফল খারাপ হয়েছে। স্কুলে শিক্ষা—দীক্ষার পরিবেশ নেই, একথা সত্য নয়। আমরা চেষ্টা করবো সামনের বছর ভালো ফল করার।

উপজেলার খবর থেকে আরো পড়ুন

বিজ্ঞাপন

সম্পাদক মণ্ডলীর উপদেষ্টা : স্বপন কুমার দেব, কুমার সৌরভ

সম্পাদক ও প্রকাশক : পঙ্কজ কান্তি দে

অনলাইন সম্পাদক : মাহবুবুল হাছান শাহীন

সম্পাদক কর্তৃক অক্ষর মুদ্রণ অফসেট প্রেস, জোয়াহের রাজা ট্রেড সেন্টার, পুরাতন বাসস্টেশন, সুনামগঞ্জ।

মোবাইল : ০১৭১৮৩৪৫৯৭৫

বিজ্ঞাপন : ০১৩২৫৪৬২৪৯৫

ই-মেইল : [email protected]

সুনামগঞ্জের খবর পরিবার