প্রকাশিত: ০১ নভেম্বর, ২০২৬ ০০:১৬
ক্রমান্বয়ে সুনামগঞ্জ জেলায় পাশের হার, জিপিএ ৫ কমছে। ২০২৪ সালে পাশের হার ছিল ৮৬ দশমিক ৯৪ শতাংশ, ২০২৫ সালে ৪৭ দশমিক ৩৫ শতাংশ এবং এবার অর্থাৎ ২০২৬ সালে ৪৬.০০ শতাংশ। সিলেট শিক্ষাবোর্ড সূত্রে জানা গেছে, সুনামগঞ্জ জেলার ১২ উপজেলার ৭৩ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১৩ হাজার ৬৬৭ জন এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ৬ হাজার ২৮৫ জন। ফেল করেছে ৭৩৮২ জন, অর্থাৎ ৫৪.০০ শতাংশ। গতবার যা ছিল ৫২.৬৫ শতাংশ।
২০২৪ সালে জিপিএ—৫ পেয়েছিল ৪৩৬ জন, ২০২৫ সালে ৬০ জন এবং এবার অর্থাৎ ২০২৬ সালে জিপিএ ৫ পেয়েছে ৪৫ জন। এরমধ্যে সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজ সবোর্চ্চ ২২টি জিপিএ ৫ পেয়েছে। জিপিএ ৫ শূন্য বিশ্বম্ভরপুর, দোয়ারাবাজার, শাল্লা ও জামালগঞ্জ উপজেলা। পাশের হার ও জিপিএ—৫ প্রাপ্তির দিকে জেলায় এগিয়ে আছে সদর উপজেলা। সর্বনিম্ন পাশের হার দোয়ারাবাজার উপজেলায়, ২৬.৭৭ শতাংশ। ৩০ শতাংশের মধ্যে পাশের হার ২২টি প্রতিষ্ঠানের। অন্যদিকে পাশের হারে শীর্ষে তাহিরপুর উপজেলার আইডিয়াল ভিশন কলেজ। দিরাই উপজেলার আলহাজ্ব আবদুল মতলব হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ ও দোয়ারাবাজার উপজেলার মিতালি পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়ের কোন শিক্ষার্থী পাশ করতে পারেনি।
সুনামগঞ্জ সদর উপজেলায় ৯টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ২ হাজার ৪৮৮ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ১ হাজার ৩৯৮ জন। পাশের হার ৫৬.১৯। জিপিএ ৫— ২২টি। সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজ থেকে ৯১৩ জন অংশ নিয়ে পাশ করেছেন ৬৮৯ জন। পাশের হার ৭৫ দশমিক ৪৭ শতাংশ। এরমধ্যে জিপিএ—৫ পেয়েছেন ২২ জন। সুনামগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজ থেকে ৮৬৫ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাশ করেছেন ৪৪১ জন। পাশের হার ৫০ দশমিক ৯৮ শতাংশ। আলহাজ¦ মতিউর রহমান কলেজে ৮২ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ২৪ জন। পাশের হার ২৯.২৭ শতাংশ। আলহাজ¦ জামশেদ এশিয়া কলেজে ৬১ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ২৩ জন। পাশের হার ৩৭.৭০ শতাংশ। ইসলামগঞ্জ কলেজে ১১৯ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ৩৪ জন। পাশের হার ২৮.৫৭ শতাংশ।
লবজান চৌধুরী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে ২৯ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ৩ জন। পাশের হার ১০.৩৪ শতাংশ। পাশকৃত শিক্ষার্থীদের মধ্যে একজন জিপিএ ৪, একজন জিপিএ ৩ ও একজন জিপিএ ২ পেয়েছে। গত বছর এই প্রতিষ্ঠানের ২১ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ৬ জন পাশ করেছিল। মইনুল হক কলেজে ৩৫ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ২০ জন। পাশের হার ৫৭.১৪ শতাংশ। নর্থ ইস্ট আইডিয়াল কলেজে ৭০ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ৩৫ জন। পাশের হার ৫০.০০ শতাংশ। সুনামগঞ্জ পৌর কলেজে ৩১৪ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ১২৯ জন। পাশের হার ৪১.০৮ শতাংশ।
লবজান চৌধুরী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আব্দুস ছাত্তার বলেন, পাস করতে হলে তো শিক্ষার্থীদের নিয়মিত লেখাপড়া করতে হবে এবং কলেজে উপস্থিত থাকতে হবে। কিন্তু শিক্ষার্থীরা কলেজে অনুপস্থিত থাকে এবং অনেক সময় কল দিয়েও তাদের আনা সম্ভব হয় না, যা একটি বড় সমস্যা। অভিভাবকবৃন্দের সাথে যোগাযোগ করা সত্ত্বেও তাদের নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করা যাচ্ছে না। আরেকটি বড় সমস্যা হলো, এই প্রতিষ্ঠানের স্থানীয় ছাত্রীরা সাধারণত এখানে ভর্তি হতে চায় না, বেশিরভাগ শিক্ষার্থীই বাইরে থেকে আসে। এছাড়া অনেকেরই অল্প বয়সে বিয়ে—শাদি হয়ে যায়। বিয়ে হওয়ার পর অনেকেরই পড়াশোনার প্রতি আর আগ্রহ থাকে না। হাতেগোনা এক—দুজন হয়তো শহরের ভেতরের, তবে বাদবাকি সবাই শহরের বাইরের ও দূর—দূরান্ত থেকে আসা শিক্ষার্থী। আগামীতে ফলাফল ভালো করার বিষয়ে তিনি বলেন, রেজাল্ট বেটার করার জন্য আমরা চেষ্টা করব। অভিভাবকদের ডেকে কথা বলব, যদিও তাদের আগেও ডাকা হয়েছে। এখন শিক্ষার্থীরা যদি নিজেরা না পড়ে, তবে আমরা কী করতে পারি? বিষয়টি নিয়ে আমরাও কিছুটা হতাশাগ্রস্ত।
বিশ্বম্ভরপুর উপজেলায় ৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৬৫১ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ৩৪১ জন। পাশের হার ৫৪.৩৮ শতাংশ। দিগেন্দ্র বর্মন সরকারি কলেজে ৫৮৯ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ৩০৪ জন। পাশের হার ৫১.৬১ শতাংশ। পলাশ উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে ৩৪ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ১৭ জন। পাশের হার ৫০.০০ শতাংশ। রতারগাঁও উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে ২৮ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ২০ জন। পাশের হার ৭১.৪৩ শতাংশ।
ছাতক উপজেলায় ১১টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ২৮৪১ জন অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ১২২৮ জন। পাশের হার ৪৩.২২ শতাংশ। জিপিএ—৫ পেয়েছেন ৪ জন। বাংলাবাজার সমরুন্নেসা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে ২১ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ১৪ জন। পাশের হার ৬৬.৬৭ শতাংশ। বুড়াইয়া স্কুল এন্ড কলেজে ৪১ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ১১ জন। পাশের হার ২৬.৮৩ শতাংশ। ছাতক কলেজে ৭৪৪ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ২৭৩ জন। পাশের হার ৩৬.৬৯ শতাংশ। জিপিএ—৫ পেয়েছেন ২ জন। গোবিন্দগঞ্জ আবদুল হক স্মৃতি কলেজে ৭৫৬ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ২৮১ জন। পাশের হার ৩৭.১৭ শতাংশ। জিপিএ—৫ পেয়েছেন ১ জন। হাজী কমর আলী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে ৩৮ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ২ জন। পাশের হার ৫.২৬ শতাংশ। জনতা মহাবিদ্যালয়ে ৩৩১ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ২৩০ জন। পাশের হার ৬৯.৪৯ শতাংশ।
জাউয়াবাজার কলেজে ৫৬৪ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ২৬৯ জন। পাশের হার ৪৭.৭০ শতাংশ। ঝিগলি হাই স্কুল এবং কলেজে ১২৮ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ৪৩ জন। পাশের হার ৩৩.৫৯ শতাংশ। জিপিএ—৫ পেয়েছেন ১ জন। নতুন বাজার বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে ৭২ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ৩২ জন। পাশের হার ৪৪.৪৪ শতাংশ। পালপুর হাই স্কুল এবং কলেজে ২৩ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ১১ জন। পাশের হার ৪৭.৮৩ শতাংশ। সমতা সেকেন্ডারি স্কুল এন্ড কলেজে ১২৩ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ৫১ জন। পাশের হার ৪১.৪৬ শতাংশ।
দিরাই উপজেলায় ১০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১৮৪৬ জন অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ৮৮৯ জন। পাশের হার ৪৮.১৬ শতাংশ। জিপিএ—৫ পেয়েছেন ১০ জন। আলহাজ্ব আবদুল মতলব হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজে ১৫ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে কেউ পাশ করতে পারেনি। বাংলাদেশ ফিমেল একাডেমিতে ৬১ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ২৪ জন। পাশের হার ৩৯.৩৪ শতাংশ। বিবিয়ানা মডেল কলেজে ৪৬৪ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ২৮৬ জন। পাশের হার ৬১.৬৪ শতাংশ। জিপিএ—৫ পেয়েছেন ৪ জন। চরনারচর এসইএসডিপি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে ১৩ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ২ জন। পাশের হার ১৫.৩৮ শতাংশ। দিরাই কলেজে ৯৪৯ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ৪৬৪ জন। পাশের হার ৪৮.৮৯ শতাংশ। জিপিএ—৫ পেয়েছেন ৬ জন। ড. সৈয়দ মুনাওয়ার আলী অষ্টগ্রাম কলেজে ৩৮ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ১৮ জন। পাশের হার ৪৭.৩৭ শতাংশ। হাতিয়া উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে ৫১ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ৯ জন। পাশের হার ১৭.৬৫ শতাংশ। জগদল কলেজে ৬৫ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ৪২ জন। পাশের হার ৬৪.৬২ শতাংশ। রাজনীগঞ্জ হাই স্কুল এবং কলেজে ৫৭ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ৫ জন। পাশের হার ৮.৭৭ শতাংশ। সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত মহিলা কলেজে ১৩৩ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ৩৯ জন। পাশের হার ২৯.৩২ শতাংশ।
ধর্মপাশা ও মধ্যনগর উপজেলার ৬টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১১৬২ জন অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ৫৬৮ জন। পাশের হার ৪৮.৮৮ শতাংশ। জিপিএ—৫ পেয়েছেন ২ জন। বাদশাগঞ্জ কলেজে ৩৪৩ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ১১৫ জন। পাশের হার ৩৩.৫৩ শতাংশ। বংশীকুন্ডা কলেজে ৪৯ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ৩২ জন। পাশের হার ৬৫.৩১ শতাংশ। ধর্মপাশা কলেজে ৪৩৪ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ১৮৫ জন। পাশের হার ৪২.৬৩ শতাংশ। জিপিএ—৫ পেয়েছেন ১ জন। গোলকপুর হাজী এ. হাফেজ হাই স্কুল এবং কলেজে ১০ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ৩ জন। পাশের হার ৩০.০০ শতাংশ। লায়েছ ভূইয়া উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে ১১১ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ৬২ জন। পাশের হার ৫৫.৮৬ শতাংশ। জিপিএ—৫ পেয়েছেন ১ জন। মধ্যনগর বিশ্বেশ^র পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে ২১৫ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ১৭১ জন। পাশের হার ৭৯.৫৩ শতাংশ।
দোয়ারাবাজার উপজেলার ৯টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৭৪৭ জন অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ২০০ জন। পাশের হার ২৬.৭৭ শতাংশ। বড়খাল উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে ১৯৬ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ৪৯ জন। পাশের হার ২৫.০০ শতাংশ। বগুলা রসমত আলী— রামসুন্দর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে ৮৩ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ২০ জন। পাশের হার ২৪.১০ শতাংশ। দোয়ারাবাজার কলেজে ১২০ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ৩৫ জন। পাশের হার ২৯.১৭ শতাংশ। ঘিলছরা মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজে ৯৮ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ৩৭ জন। পাশের হার ৩৭.৭৬ শতাংশ। হাজী কনু মিয়া উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে ২৪ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ৪ জন। পাশের হার ১৬.৬৭ শতাংশ। লিয়াকতগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে ৬০ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ৭ জন। পাশের হার ১১.৬৭ শতাংশ। মিতালি পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে ২১ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করে কেউ পাশ করতে পারেনি। প্রগতি হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজে ৬১ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ২৫ জন। পাশের হার ৪০.৯৮ শতাংশ। সমুজ আলী হাই স্কুল এবং কলেজে ৮৪ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ২৩ জন। পাশের হার ২৭.৩৮ শতাংশ।
জগন্নাথপুর উপজেলার ১২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১৬৪৫ জন অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ৭৬৪ জন। জিপিএ—৫ পেয়েছে ৩ জন। পাশের হার ৪৬.৪৪ শতাংশ। চন্দন মিয়া সাইদুন নেসা কলেজে ১০৮ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ৭০ জন। পাশের হার ৬৪.৮১ শতাংশ। জগন্নাথপুর সরকারি কলেজে ৬৩১ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ২৮১ জন। পাশের হার ৪৪.৫৩ শতাংশ। জিপিএ—৫ পেয়েছে ২ জন। নয়াবন্দর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে ৬৭ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ১৬ জন। পাশের হার ২৩.৮৮ শতাংশ। পঞ্চগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে ৮২ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ৪০ জন। পাশের হার ৪৮.৭৮ শতাংশ। পাড়ারগাঁও আইডিয়াল হাই স্কুল এবং কলেজে ৫২ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ২২ জন। পাশের হার ৪২.৩১ শতাংশ। পাটলী ইউনিয়ন মহিলা কলেজে ৪০ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ৩৭ জন। পাশের হার ৯২.৫০ শতাংশ। রানীগঞ্জ কলেজে ১৩৩ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ৬৭ জন। পাশের হার ৫০.৩৮ শতাংশ। রোয়াইল হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজে ৩২ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ২২ জন। পাশের হার ৬৮.৭৫ শতাংশ। শাহজালাল মহাবিদ্যালয়ে ২৯৪ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ১২৭ জন। পাশের হার ৪৩.২০ শতাংশ। ষড়োপল্লী হাই স্কুল এবং কলেজে ৬৫ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ৪৩ জন। পাশের হার ৬৬.১৫ শতাংশ। জিপিএ—৫ পেয়েছে ১ জন। শ্রীরামসী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে ৪৯ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ১৪ জন। পাশের হার ২৮.৫৭ শতাংশ। সৈয়দপুর আদর্শ কলেজে ৯২ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ৩৫ জন। পাশের হার ৩৮.০৪ শতাংশ।
জামালগঞ্জ উপজেলার জামালগঞ্জ কলেজে ৬৮৪ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ১৯৮ জন। পাশের হার ২৮.৯৫ শতাংশ।
শাল্লা উপজেলার ৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৫৬৬ জন অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ২১৪ জন। পাশের হার ৩৭.৮১ শতাংশ। ভাটিবাংলা কলেজে ৩৯ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ১৫ জন। পাশের হার ৩৮.৪৬ শতাংশ। সাওদেরশ্রী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে ৪৮ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ২২ জন। পাশের হার ৪৫.৪৩ শতাংশ। শাল্লা কলেজে ৪৭৯ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ১৭৭ জন। পাশের হার ৩৬.৯৫ শতাংশ।
শান্তিগঞ্জ উপজেলার ৪টি প্রতিষ্ঠানের ৩৯২ জন অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ২০২ জন। পাশের হার ৫১.৫৩ শতাংশ। জিপিএ—৫ পেয়েছে ২ জন। আব্দুল মজিদ কলেজে ১৪৬ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ৭৯ জন। পাশের হার ৫৪.১১ শতাংশ। ডুংরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে ৬৭ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ৩৭ জন। পাশের হার ৫৫.২২ শতাংশ। পাগলা উচ্চ বিদালয় ও কলেজে ১১১ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ৬৪ জন। পাশের হার ৫৭.৬৬ শতাংশ। জিপিএ—৫ পেয়েছে ২ জন। সুরমা উচ্চ বিদালয় ও কলেজে ৬৮ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ২২ জন। পাশের হার ৩২.৩৫ শতাংশ।
তাহিরপুর উপজেলার ৫টি প্রতিষ্ঠানের ৬৪৫ জন অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ২৮৩ জন। পাশের হার ৪৩.৮৮ শতাংশ। জিপিএ—৫ পেয়েছেন ২ জন। বাদাঘাট কলেজে ৩৯৭ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ১৮৬ জন। পাশের হার ৪৬.৮৫ শতাংশ। জিপিএ—৫ পেয়েছেন ২ জন। আইডিয়াল ভিশন কলেজে ৭ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ৭ জনই পাশ করেছে। এরমধ্যে জিপিএ ৪ পেয়েছে ৪ জন, জিপিএ ৩ পেয়েছে ২ জন, জিপিএ ২ পেয়েছে ১ জন। পাশের হার ১০০.০০ শতাংশ। জয়নাল আবেদীন কলেজে ৭২ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ২৩ জন। পাশের হার ৩১.৯৪ শতাংশ। তাহিরপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে ৯০ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ৩২ জন। পাশের হার ৩৫.৫৬ শতাংশ। টেকেরঘাট চুনাপাথর খনি সেকেন্ডারি স্কুল ও কলেজে ৭৯ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ৩৫ জন। পাশের হার ৪৪.৩০ শতাংশ।
উপজেলার খবর থেকে আরো পড়ুন