প্রকাশিত: ০৭ নভেম্বর, ২০২৬ ২৩:০৮
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে সিলেটের প্রথম বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় লিডিং ইউনিভার্সিটিতে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্যালারী—১ এ আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে লিডিং ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান দানবীর ড. সৈয়দ রাগীব আলী উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটিতে সভাপতিত্ব করেন লিডিং ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ তাজ উদ্দিন।
জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও স্বাধীনতাকে সুসংহত করতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে লিডিং ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান দানবীর ড. সৈয়দ রাগীব আলী বলেন, এটি দেশের তৎকালীন চরম রাজনৈতিক শূন্যতা ও বৈদেশিক হস্তক্ষেপের শঙ্কা থেকে দেশকে রক্ষা করেছিল। তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের পটভূমি গড়ে উঠেছিল ওই বছরের বেশ কয়েকটি নাটকীয় ও রক্তক্ষয়ী ঘটনার মধ্য দিয়ে। ৭ নভেম্বরের ঘটনার মধ্য দিয়েই মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে আবির্ভূত হয়ে পরবর্তীতে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এই পটপরিবর্তনের ফলে একদলীয় শাসনব্যবস্থা (বাকশাল) পরবর্তী অচলাবস্থা কাটিয়ে বহুদলীয় গণতন্ত্র চর্চার সূচনা হয় এবং সমাজতান্ত্রিক অর্থনীতির বদলে মুক্তবাজার অর্থনীতির দিকে দেশের অর্থনৈতিক নীতি মোড় নেয়।
১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখিয়েছে উল্লেখ করে সভাপতির বক্তব্যে লিডিং ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ তাজ উদ্দিন বলেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস গুরুত্বপূর্ণ টার্নিং পয়েন্ট হিসেবে বিবেচিত। তিনি আরো বলেন, ১৯৭৫ সালের এই দিনে সংঘটিত সিপাহি—জনতার অভ্যুত্থান দেশের তৎকালীন চরম রাজনৈতিক শূন্যতা এবং দেশের তৎকালীন রাজনীতি ও ক্ষমতার গতিপথ সম্পূর্ণ পরিবর্তন করে দিয়েছিল।
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. মফিজুল ইসলাম।
আইন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস অনুষ্ঠান আয়োজক কমিটির আহবায়ক আব্দুল্লাহ আল মামুনের কো—অরডিনেশনে অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদান করেন লিডিং ইউনিভার্সিটির ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. বশির আহমেদ ভূঁইয়া, কলা ও আধুনিক ভাষা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. রেজাউল করিম, ট্রাস্টি বোর্ডের সচিব ইঞ্জিনিয়ার মো. লুৎফর রহমান, সকল বিভাগীয় প্রধানের পক্ষ থেকে স্থাপত্য বিভাগের বিভাগীয় প্রধান সৈয়দ মহসিন আলী এবং সকল শিক্ষকদের পক্ষ থেকে পাবলিক হেলথ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোসা. হালিমা বেগম।
আইন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. রেজাউল করিমের সঞ্চালনায় জাতীয় সংগীতের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া অনুষ্ঠানে পবিত্র কোরআন থেকে তিলাওয়াত করেন ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফজলে এলাহী মামুন। আলোচনা অনুষ্ঠানে লিডিং ইউনিভার্সিটির ছাত্রকল্যাণ উপদেষ্টা প্রফেসর ডা. মো. আব্দুল মজিদ মিয়া, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর মো. কবির আহমেদ, বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক —শিক্ষার্থী এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সিলেট থেকে আরো পড়ুন