প্রকাশিত: ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ ২০:২৯
দেশ ও জাতি উন্নয়নে আমাদের সবাইকে মিলেমিশে কাজ করতে হবে। রাজনীতি করতে হলে মানুষকে সম্মান দিতে হবে। সময়কে প্রধান্য দিতে হবে। প্রচলিত রাজনীতির কবর দিতে হবে।
শনিবার বেলা ১১টায় শাল্লা উপজেলা গণমিলনায়তনে সম্প্রীতি সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন সুপ্রীম কোর্টের আপিল বিভাগের আইনজীবী শাল্লা উপজেলা সন্তান শিশির মনির।
উপজেলার বলরামপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গঙ্গেশ চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও মাওলানা সুহেল আহমেদ ও জগৎজ্যোতি রায়ের যৌথ সঞ্চালনায় সভায় তিনি আরও বলেন, কে হিন্দু, কে মুসলমান এটা বড় বিষয় নয়, বড় বিষয় হলো আমরা মানুষ। যদি কোন জায়গায় নৌকাডুবির ঘটনা ঘটে সেখানে হিন্দু-মুসলমান না খোঁজে আগে তাদেরকে উদ্ধার করতে হবে এবং সেই হয়ও। স্বাস্থ্য, শিক্ষা, রাজনীতি, সম্প্রীতিতে কোন ধর্ম নেই। কারো যদি স্বাস্থ্যের উন্নতি বা অবনতি হয় সেখানে হিন্দু-মুসলমান হিসেবে হয়ে থাকে না। হিন্দু-মুসলমান ভেদাভেদ ভুলে যেতে হবে। অনেকের বাড়ি, গাড়ি আছে, ছেলে, মেয়ে আছে কিন্তু সুখ শান্তি নেই। আবার অনেকেই রাস্তায় রিক্সা চালায় হাড়ভাঙা পরিশ্রম করে তাদের মধ্যে অনেক সুখ রয়েছে। শুধু পয়সা হলেই সুখ শান্তি লাভ করা যায় না। একজন হতদরিদ্র মানুষ ও একজন অট্টালিকায় বসবাস করা মানুষের সুখের মধ্যে অনেক পার্থক্য রয়েছে।
তিনি বলেন, মানুষের মধ্যে যদি এসব পার্থক্য না থাকতো তাহলে মানুষ ঈশ্বর চিনতো না, আল্লাহকে ডাকতো না। সবাই ফেরাউনের মত হয়ে যেতো।
সভায় উপস্থিত ছিলেন শাল্লা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুস সাত্তার, বাহাড়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বিশ্বজিৎ চৌধুরী নান্টু, হবিবপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সুবল চন্দ্র দাস, গোবিন্দ চন্দ্র সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মহিপাল দাস মিল্টন, শ্যামসুন্দর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নীহার চৌধুরী, জামায়াত ইসলামের শাল্লা শাখার সভাপতি হাফেজ নূরে আলম সিদ্দিকি, খালিয়াজুরি উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা রুহুল আমিন, গোবিন্দ চন্দ্র সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সজল সরকার, পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি অধ্যাপক তরুণ কান্তি দাস, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান বিধান চন্দ্র চৌধুরী, থানা মসজিদের ইমাম মাওলানা আবুল কাশেম প্রমুখ।
উপজেলার খবর থেকে আরো পড়ুন