প্রকাশিত: ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ ০৭:১৭
বিদ্যালয়ে প্রতি মাসে উপস্থিত থাকেন তিন থেকে চারদিন। শিক্ষকদের মাসিক সমন্বয় সভায় দুই বছর ধরে অনুপস্থিত থাকা ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের নাম মো. সাইফুল ইসলাম। তিনি তাহিরপুর উপজেলার বাদাঘাট ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী পুরান লাউড় পশ্চিম সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক। বিদ্যালয়টি ২০১৩ সালে জাতীয়করণ করা হয়। রেজিষ্টার্ড বিদ্যালয় থাকা অবস্থায় তিনি প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। জাতীয়করণের পর ২০১৩ সালের ৪৮৫নং স্মরকে ৬০ নং ক্রমিকে তিনি ‘সহকারী শিক্ষক’ হিসাবে গেজেটভূক্ত হন। বর্তমানে বিদ্যালয়টিতে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য থাকায় তিনি ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
পুরান লাউড় পশ্চিম সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সাবেক সভাপতি জসিম উদ্দিন বলেন, বিদ্যালয়ে বর্তমানে স্থানীয়ভাবে কমিটি না থাকায় এলাকার লোকজন দেখভাল করতে পারছেন না। ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক প্রতিমাসে তিন/চারদিন বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকেন। এলাকার সকল অভিভাবকগণ ওই ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের প্রতি অসন্তোষ্ট। প্রধান শিক্ষকের অনুপস্থিতিতে বিদ্যালয়টি সার্বিকভাবে ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে।
পুরান লাউড় পশ্চিম সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. সাইফুল ইসলামের বক্তব্য নিতে চাইলে বারবার ফোন করার পরও তিনি মোবাইল রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।
তাহিরপুর উপজেলা সহকারী প্রাথমিক অফিসার ও বিদ্যালয়ের ক্লাস্টার অফিসার কামরুজ্জামান শেখ বলেন, উপজেলা মাসিক প্রধান শিক্ষক সমন্বয় সভায় ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. সাইফুল ইসলাম দুই বছর ধরে আসেন না। যে কারণে তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করা হয়েছে। নোটিশেরও তিনি কোন জবাব দেন নি। পুনরায় নোটিশ প্রদান করা হবে বলে তিনি জানান।
উপজেলার খবর থেকে আরো পড়ুন