রহস্য খুঁজছে পুলিশ

প্রকাশিত: ০২ অক্টোবর, ২০২৪ ০০:০৩

ধর্মপাশার শীমের খালের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা মঙ্গলবার সকালে নিছক দুর্ঘটনা মনে হলেও সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এবং দুপুরে পুলিশ এসে নানা আলামত উদ্ধারের পর এ নিয়ে নানা রহস্য দেখছেন এলাকাবাসী।
দরজা - জানালা ঠিক থাকা অবস্থায় ভেতর থেকে তালা মেরে ঘুমানোর কি প্রয়োজন, সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন পুলিশসহ স্থানীয়রা। রহস্যময় অগ্নিকা-ের প্রকৃত ঘটনা বের করতে পুলিশের দুইটি বিশেষ দল সিআইডি’র ক্রাইম সিন টিম এবং পিবিআইকেও কাজে লাগানো হয়েছে। তারা এসে ঘটনাস্থলে কাজ করছেন।
ঘটনাস্থল থেকে ফিরে স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মী মহিউদ্দিন আরিফ তার ফেসবুক আইডিতে লিখেন, ‘মানুষ কতটা কষ্টে থাকলে ঘরের দরজা ভেতরের দিকে তালা দিয়ে স্বামী-স্ত্রীসহ চার শিশু সন্তানকে নিয়ে মৃত্যুবরণ করেন।’ 
জানতে চাইলে এই গণমাধ্যমকর্মী বলেন, আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরের সুরক্ষিত একটি স্টিলের দরজায় ভেতর থেকে তালা দিয়ে ঘুমাতে কেন যাবে। তালা দেওয়া থাকায় আগুন লাগার পর ভেতর থেকে কেউ বের হতে পারেন নি। আশপাশের মানুষের সাথে কথা বলে জেনেছি, এভাবে তালা মেরে এর আগে কেউ এই পল্লীতে ঘুমাতে কেউ দেখেন নি। অভাব অনটনের কারণে এমারুল ও তার স্ত্রী’র মধ্যে কলহ লেগে থাকতো বলেও জেনেছেন তারা।
ধর্মপাশার সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) আলী ফরিদ বললেন, ‘অগ্নিদগ্ধ হয়ে ছয় জনের মৃত্যু নিয়ে আমাদের সন্দেহ আছে। যেহেতু প্রত্যক্ষদর্শী কেউ নেই, তাই পারিপার্শ্বিক স্বাক্ষ্য প্রমানেই রহস্য উদঘাটন করতে হবে আমাদের। পারিপার্শ্বিক স্বাক্ষ্য প্রমাণ আমরা নিচ্ছি। ফরেনসিক আলামত নেয়ার জন্য সিলেট থেকে স্পেশাল দুটি টিমকে আনা হয়েছে। বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুন লাগার মতো কিছু পাওয়া যায় নি। পেছনের রান্নাঘরও অক্ষত আছে। ঘরের দরজা ভেতর থেকে তালাবদ্ধ ছিল। আমি নিজে এসে দরজার ভেতর দিকে থাকা তালা উদ্ধার করেছি। হয়তো ঘরের ভেতরেও কিছু একটা ঘটতে পারে। তদন্ত করে ঘটনা বের করার চেষ্টা হচ্ছে।’ 
 

উপজেলার খবর থেকে আরো পড়ুন


সম্পাদক মণ্ডলীর উপদেষ্টা : স্বপন কুমার দেব, কুমার সৌরভ

সম্পাদক ও প্রকাশক : পঙ্কজ কান্তি দে

অনলাইন সম্পাদক : মাহবুবুল হাছান শাহীন

সম্পাদক কর্তৃক অক্ষর মুদ্রণ অফসেট প্রেস, জোয়াহের রাজা ট্রেড সেন্টার, পুরাতন বাসস্টেশন, সুনামগঞ্জ।

মোবাইল : ০১৭১৮৩৪৫৯৭৫

বিজ্ঞাপন : ০১৩২৫৪৬২৪৯৫

ই-মেইল : [email protected]

সুনামগঞ্জের খবর পরিবার