প্রকাশিত: ১০ অক্টোবর, ২০২৪ ২০:৩৫
ছাতকে সহকারী কমিশনার (ভূমি) কর্তৃক তদন্ত কার্যক্রমে অনিয়ম হয়েছে দাবী করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে লিখিত অভিযোগ দেয়া হয়েছে। অভিযোগে উল্লেখিত বিরোধকৃত ভূমির তদন্ত না করে অন্য দাগের ভূমিতে দায়সারা তদন্ত করায় এলাকাবাসীর অসন্তোষের বহি:প্রকাশ হিসেবে ১ অক্টোবর এই অভিযোগ দেয়া হয়।
জানা যায়, উপজেলার সদর ইউনিয়নের মানসিনগর মৌজার ০.৫৩ একর সরকারি খাল রকম ভূমি দীর্ঘদিন ধরে এলাকার লোকজন নৌকা চলাচল সহ পানি নিস্কাশন ব্যবস্থা এবং গরুর গোপাট হিসেবে ব্যবহার করে আসছে। সরকারি এই খালের উপর একটি পাকা ব্রিজও রয়েছে। সম্প্রতি এলাকার একটি প্রভাবশালী মহল বেআইনীভাবে ভূমির অধিকাংশ দখল করে ঘর-বাড়ি ও দেয়াল নির্মাণ করেছে। বিষয়টি স্থানীয় লোকজন বাধা-বিপত্তি দিলে তারা এসবের কোন কর্ণপাত না করে অবশিষ্ট অংশও দখলে নেয়ার কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। তারা ব্রিজের নীচের অংশ মাটি ভরাট করে সেখানে দাপটের সাথে বিভিন্ন প্রজাতির গাছ রোপণ করছে। এতে সরকারি ভূমি সহ এলাকার গরুর গোপাট দখলের পাশাপাশি এলাকার পানি নিস্কাশন ব্যবস্থা ও নৌকা চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশংকা দেখা দিয়েছে। বিষয়টি তদন্তপূর্বক আইনী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মানসিনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের পক্ষে গ্রামের মৃত আব্দুল বারীর পুত্র কামাল উদ্দিন একই এলাকার আলাউদ্দিন সহ ৩ জনের বিরুদ্ধে সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবরে একটি লিখিত অভিযোগ দেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে ২৯ সেপ্টেম্বর সরকারি সার্ভেয়ার নিয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) আবু নাসের বিষয়টি সরজমিনে তদন্ত করেন।
এলাকাবাসী অভিযোগ, উল্লখিত সরকারি ভূমির তদন্ত না করে সহকারী কমিশনার (ভূমি) পার্শ্ববর্তী একটি দাগের সড়ক মাফিয়া (মেপে) বিভিন্ন টালবাহানা করে তিনি চলে যান। এসময় তদন্ত কার্যক্রম অনিয়ম ও অসন্তোষ প্রকাশ করে তিনি চলে যাওয়ার সময় স্থানীয় লোকজন তাঁর গাড়ির সামনে অবস্থান নিয়ে প্রতিবাদ জানায়। বেশ কিছু সময় গাড়ি আটকে রাখার পর স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ঘটনাস্থলে এসে প্রতিবাদকারীদের সরিয়ে দিলে তিনি অবস্থান ত্যাগ করেন। এরপর সহকারী কমিশনার (ভূমি) এর সরজমিন তদন্ত কার্যক্রমে অসন্তোষ প্রকাশ করে সরকারি ভূমি ও গোপাট রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে আবেদন দেন কামাল উদ্দিন।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গোলাম মোস্তাফা মুন্না জানান, এমন একটি অভিযোগ তিনি পেয়েছেন।
এ ব্যাপারে সহকারী কমিশনার (ভূমি) আবু নাসেরের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেন নি।
উপজেলার খবর থেকে আরো পড়ুন