প্রকাশিত: ১৯ অক্টোবর, ২০২৪ ১৩:৩৬
ধোপাজান বালু মহালে রাতভর যৌথ বাহিনীর অভিযান
নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে প্রশাসনের দেওয়া আড় ভেঙে শুক্রবার রাতে বালু বুঝাই যানবাহন নিয়ে বের হবার সময় ১৩ চালক-শ্রমিককে গ্রেপ্তার করে এক মাসের কারাদণ্ড, সাতটি নৌকা এবং প্রায় সাড়ে ৫ হাজার ফুট বালু জব্ধ করা হয়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে রাতব্যাপী ধোপাজান চলতি নদীর সুরমা পাড়ের মুখে অভিযান চালায় যৌথবাহিনী। এসময় ভ্রাম্যমাণ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট এই দণ্ডাদেশ প্রদান করেন।
প্রশাসনের দায়িত্বশীলরা জানান, সুনামগঞ্জের স্পর্শকাতর ধোপাজান চলতি নদীতে বাল্কহেডসহ বালু ও পাথর পরিবহনে সব ধরনের নৌযান প্রবেশ বন্ধ এবং অবৈধভাবে বালু-পাথর উত্তোলন বন্ধ রাখার নিষেধ দিয়েছে জেলা প্রশাসন। নদীর প্রবেশমুখে শুক্রবার বাঁশের আড় নির্মাণ করা হয়েছে প্রশাসনের পক্ষ থেকে।
শুক্রবার রাতে সেনাবাহিনীসহ যৌথ বাহিনী চলতি নদীর মুখে অবস্থান নিয়ে অভিযান চালায়। সন্ধ্যা থেকে রাত দুইটা পর্যন্ত অভিযানে ১৩ জন চালক - শ্রমিক কে গ্রেপ্তার করে এক মাসের কারাদ- প্রদান করেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অতীশ দর্শী চাকমা। এসময় সাতটি বালু বহনকারী ইঞ্জিন চালিত বড় নৌকা এবং ৫৪০০ ফুট বালু জব্ধ করা হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অতীশ দর্শী চাকমা জানান, চলতি নদীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধ করতে জেলা প্রশাসক মহোদয়ের নির্দেশে নানামুখী উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। কিন্তু নদীর মুখে বাঁশের আড় দেওয়া হয়েছে। যারা নদীর ভেতরে ছিল এরা বালু নিয়ে বের হবার সময় আড় ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। আমরা সাতটি নৌকা আটক করেছি। পাঁচ হাজার ৪০০ ফুট বালু জব্ধ করেছি। ১৩ জনকে এক মাসের কারাদণ্ড দিয়েছি। এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।
পিডি/টিডি
উপজেলার খবর থেকে আরো পড়ুন