প্রকাশিত: ১৯ অক্টোবর, ২০২৪ ২০:৪৮
সুনামগঞ্জ পৌর শহরে অভিযান পরিচালনা করে তিনটি প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করেছেন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. আল আমিন। শনিবার বিকালে শহরের জেল রোড, কিচেন মার্কেট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের প্রতিনিধি, পুলিশ প্রশাসনের সদস্যসহ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থীরা।
উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ধরে নিত্যপণ্যসহ সবজির দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং বাজারে পোল্ট্রি মুরগির ডিমের সংকট দেখা দিয়েছে। এতে করে ভোক্তাদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। নিম্ন আয়ের মানুষের মাঝে নাভিশ্বাস উঠেছে। এই লক্ষ্যে সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসন এবং ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযান জোরদার করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার বিকালে শহরে অভিযান পরিচালনা করা হয় এবং বিক্রেতাদের দোকানে মূল্য তালিকা সেঁটে না রাখা এবং বেশি দামে পণ্য বিক্রি সহ ওজনে কম দেওয়ার দায়ে তিনটি প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হয়। জুয়েল মিয়ার সবজির দোকানকে ৫০০ টাকা, সেলিম মিয়ার সবজির দোকানকে ৫০০ টাকা এবং এমরান মিয়ার মাছের দোকানকে ৫০০ টাকা করে মোট ১ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
এ বিষয়ে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. আল আমিন বলেন, আজকে বিশেষ টাস্কফোর্স কমিটি নিয়ে আমরা বাজারে অভিযান পরিচালনা করেছি। বেশ কিছু অনিয়মের কারণে তিনটি প্রতিষ্ঠানকে ৫০০ টাকা করে মোট ১ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এই অনিয়মের মধ্যে ছিল- ওজনে কম দেওয়া, মূল্য তালিকা সেঁটে না রাখা এবং বাড়তি দামে পণ্য বিক্রি করা, ভাউচার সংগ্রহ না করার কারণে জরিমানা করা হয়েছে। আমরা তাদেরকে নির্দেশনা দিয়েছি, তারা যেন নিয়মিত মূল্য তালিকা সেঁটে রাখেন, ন্যায্যমূল্যে পণ্য বিক্রি করেন।
তিনি বলেন, বেশকিছু সবজি সহ পণ্যের দাম বেড়েছে। বিশেষ করে কাঁচামরিচের কেজি ৫০০ টাকা হয়েছে। আমরা চেষ্টা করছি, যেসব পণ্যের দাম বেড়েছে তা নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং সরকার কর্তৃক ডিমের দাম নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে, সেই দামটা সুনামগঞ্জে এখনও প্রয়োগ হচ্ছে না। এর কারণ হচ্ছে, বাজারে চাহিদা অনুসারে সরবরাহ কম। সরবরাহ কমার কারণ হচ্ছে, বেশকিছু অঞ্চলে বন্যায় খামার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে সুনামগঞ্জের বাজারগুলোতে। তবে শীঘ্রই দামটা নিয়ন্ত্রণে আসবে। আমরা সেই লক্ষ্যে কাজ করছি। আমাদের অভিযান চলমান আছে এবং থাকবে।
উপজেলার খবর থেকে আরো পড়ুন