প্রকাশিত: ২৮ আগস্ট, ২০২৩ ০৮:২৩
জামলাবাজ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কোমলমতি ছাত্রছাত্রীদের বিদ্যালয়ে যাতায়াতে গ্রামবাসী সে¦চ্ছাশ্রমে নির্মাণ করেছেন বাঁশের সাঁকো। মাটিয়ান হাওরের মধ্যবর্তী স্থানে দ্বীপের মতো দাঁড়িয়ে আছে জামলাবাজ গ্রাম। এ গ্রামের নামেই গ্রামবাসী ১৯৬২ সালে জামলাবাজ রেজিস্টার্ড প্রাথমিক বিদ্যালয় নির্মাণ করেন। ১৯৭৩ সালে এটি জাতীয়করণের পর নাম হয় জামলাবাজ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। বর্ষাকালে গ্রামের কোথাও বের হতে হলে নৌকা ছাড়া বিকল্প কোন ব্যবস্থা নেই। জামলাবাজ ও খাস হাটি মিলে হচ্ছে জামলাবাজ গ্রাম। এই দুইগ্রামে রয়েছে ৬৫টি পরিবার। এসব পরিবারের ১২০ জন শিশুরাই হচ্ছে জামলাবাজ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রী। বিদ্যালয়ে শিক্ষক রয়েছেন ৪ জন।
জামলাবাজ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অলি রানী রায় বলেন, জামলাবাজ গ্রামের লোকসংখ্যা খুবই কম। সে তুলনায় শিক্ষার্থীর সংখ্যা মোটামুটি ভালো। বিদ্যালয় সংলগ্ন রাস্তাটিতে বর্ষাকালে প্রায় ৪ ফুট পানি থাকে, এতে শিশুরা স্কুলে যাতায়াত করতে পারে না। গ্রামবাসীর উদ্যোগে সাঁকোটি নির্মাণ করে দেয়ায় বিদ্যালয়ে উপস্থিতির হার বেড়েছে।
জামলাবাজ গ্রামের সমাজসেবক আক্তার মিয়া বলেন, বিদ্যালয় সংলগ্ন রাস্তাটিতে বর্ষাকালে কোমর পানি থাকে। সেজন্য শিশুরা স্কুলে যাতায়াত করতে পারে না। এ সমস্যা দূরীকরণের লক্ষে গ্রামবাসীর সহযোগিতায় আমরা স্বেচ্ছাশ্রমে বাঁশের সেতু নির্মাণ করে দিয়েছি।
বড়দল দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ইউনূছ আলী জানান বিদ্যালয়ে শিশুদের যাতায়াতে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করে দেয়া তিনি গ্রামবাসীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। আমাকে কেউ এই সমস্যাটির কথা বলেননি। আমি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেখেছি। এসময় আগামী হেমন্ত মৌসুমের শুরুতেই এ রাস্তাটি নির্মাণ করে দিবেন বলে তিনি জানান।
উপজেলার খবর থেকে আরো পড়ুন