অর্থনৈতিক শুমারি দেশের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ : জেলা প্রশাসক

প্রকাশিত: ০৩ ডিসেম্বর, ২০২৪ ০৮:০২

জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া বলেছেন, প্রত্যেকটি শুমারিই দেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে একটি দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা জানতে অর্থনৈতিক শুমারি দেশ ও জাতির জন্য আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আগামী ১০ ডিসেম্বর থেকে ২৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত জেলাব্যাপী অর্থনৈতিক শুমারি অনুষ্ঠিত হবে। শুমারির কাজে প্রায় ৯০০ গণনাকারী মাঠ পর্যায়ে কাজ করবেন। তাদেরকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করতে হবে। নইলে প্রকৃত তথ্য বেরিয়ে আসবে না। আমাদের দেশের অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ এই শুমারির তথ্যের ভিত্তিতে সম্পন্ন করা হতে পারে। বিষয়টিকে ছোট করে দেখার কোনো  সুযোগ নেই।
সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায়  জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে উপজেলা শুমারি সমন্বয়কারী, জোনাল অফিসার, আইটি সুপারভাইজারগণের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম উদ্বোধনের সময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। 
শুমারির কাজে অংশ নেওয়া সকল কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, যারা ভালো প্রশিক্ষণ গ্রহণ করবেন তারা ভালো কাজ করবেন। ভালো শুমারি করতে চাইলে একজন কর্মকর্তা বা তথ্য সংগ্রহকারী মাঠপর্যায়ে গিয়ে প্রশ্ন করে উত্তর নিয়ে আসতে হবে। আন্তরিকতার সাথে কাজ করতে হবে। কেউ অসহযোগিতা মূলক আচরণ করলে তাকে বুঝিয়ে তথ্য আদায় করে নিতে হবে।
সুনামগঞ্জ জেলা পরিসংখ্যান কার্যালয়ের আয়োজিত কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন জেলা পরিসংখ্যান কার্যালয়ের উপ—পরিচালক মুশফিকুর রহমান পারভেজ। শান্তিগঞ্জ পরিসংখ্যান কর্মকর্তা মো. মাসুদ সরকারের পরিচালনায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ—পরিচালক সুচিত্রা রায়। এসময় উপস্থিত ছিলেন সহকারি কমিশনার (এনডিসি) মো. মোস্তাফিজুর রহমান।
এর আগে রবিবার (১ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টায় প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু হয়। এদিন সিলেট বিভাগীয় পরিসংখ্যান কার্যালয়ের যুগ্ম—পরিচালক মো. সাহাবুদ্দীন সরকার উপস্থিত ছিলেন।
প্রশিক্ষণসূত্রে জানা যায়, পনেরো দিনব্যাপী এি কার্যক্রমে সুনামগঞ্জ জেলার ১২ উপজেলাকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে। সমস্ত জেলায় দুই জন সমন্বয়কারী (ডিসিসি), ২৮ জন জোনাল অফিসার, ২৮ জন আইটি সুপারভাইজার, ১৮৩ জন সুপারভাইজার ও ৮৯৪ জন তথ্য সংগ্রহকারী মাঠ পর্যায়ে কাজ করবেন। জেলায় মোট ১ লক্ষ ২৮ হাজার ৪৫৪টি অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানের নাম প্রাথমিকভাবে তালিকাবদ্ধ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৭৪ হাজার ১৯২টি স্থায়ী ও ৫৪ হাজার ২৬২টি অস্থায়ী। তথ্য সংগ্রহকারীরা ট্যাব ব্যবহার করে CAPI এ্যাপের মাধ্যমে ডিজিটাল প্রক্রিয়ায় কাজ করবেন।
তিনদিন ব্যাপী কর্মশালায় মাস্টার ট্রেইনারা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন জেলা পরিসংখ্যান কার্যালয়ের উপ—পরিচালক মুশফিকুর রহমান পারভেজ ও পোলাপগঞ্জ, সিলেটের পরিসংখ্যান কর্মকর্তা মিন্টু সরকার। প্রশিক্ষকদের সহযোগিতা করেন বিবিএস’র পরিসংখ্যান কর্মকর্তা মহসিন উদ্দিন আহমদ।
এসময় জেলার ১২টি উপজেলার ৬২ জন ইউসিসি, জোনাল অফিসার, আইটি সুপারভাইজার উপস্থিত ছিলেন। 

উপজেলার খবর থেকে আরো পড়ুন


সম্পাদক মণ্ডলীর উপদেষ্টা : স্বপন কুমার দেব, কুমার সৌরভ

সম্পাদক ও প্রকাশক : পঙ্কজ কান্তি দে

অনলাইন সম্পাদক : মাহবুবুল হাছান শাহীন

সম্পাদক কর্তৃক অক্ষর মুদ্রণ অফসেট প্রেস, জোয়াহের রাজা ট্রেড সেন্টার, পুরাতন বাসস্টেশন, সুনামগঞ্জ।

মোবাইল : ০১৭১৮৩৪৫৯৭৫

বিজ্ঞাপন : ০১৩২৫৪৬২৪৯৫

ই-মেইল : [email protected]

সুনামগঞ্জের খবর পরিবার