প্রকাশিত: ২৫ মার্চ, ২০২৫ ০৭:৫৫
আসন্ন ঈদুল ফিতরকে ঘিরে জমে উঠেছে ঈদ বাজার। জেলা শহর সহ উপজেলার বাজারগুলোতে এখন ধুম চলছে ঈদের কেনাকাটার। ঈদ যতই ঘনিয়ে আসছে পৌর শহর ও গ্রামের বাজারগুলোতে ক্রেতাদের ভিড় ততই বাড়ছে। পৌর শহরের মার্কেটগুলোতে কাপড় ও জুতার দোকানে নারী—পুরুষদের উপচেপড়া ভিড়। পৌর শহরের প্রতিটি বিপণি বিতানেই নানা ধরনের ঈদের কাপড়ে ভরপুর। ক্রেতারা তাদের চাহিদা মতো কেনাকাটা করছেন, আর দোকানীরা দম নেওয়ার সময় পাচ্ছেন না।
বিভিন্ন বাজারে গিয়ে দেখা গেছে, প্রতি বছরের মতো এবারো বাজারে এসেছে বিভিন্ন ধরনের আকর্ষণীয় পোশাক। দেশীয় বিভিন্ন ব্র্যান্ডের পাঞ্জাবি, শার্ট, গেঞ্জি, ফতোয়া, থ্রি পিস, টুপিস ও শিশুদের সব ধরনের কাপড়। পুরুষ ক্রেতাদের তুলনায় নারী ক্রেতারাই দোকানে বেশি ভিড় করছেন। বড়দের তুলনায় শিশুদের কাপড় বিক্রি হচ্ছে বেশি। তবে ক্রেতারা দাবি করেছেন, গত বছরের তুলনায় এবার পোশাকের দাম একটু বেশি। আর দোকানীরা বলেছেন এবার ২০ রোজার পর থেকে ঈদের বিক্রি পুরোদমে শুরু হয়েছে।
তাহিরপুর উপজেলার বাদাঘাট বাজারের দিগন্ত মেঘা শপের মালিক মো. কুখন মিয়া বলেন, এবার ক্রেতাদের চাহিদা মাথায় রেখে ভিন্ন ভিন্ন ডিজাইনের পোশাক তুলেছেন দোকানে। রোজার শুরুতে ক্রেতাদের ভিড় কম থাকলেও, ইদ যত ঘনিয়ে আসছে ক্রেতাদের উপস্থিতি ততই বাড়ছে।
সুনামগঞ্জ পৌর শহরের মোবারক ফ্যাশনের মালিক আব্দুস সামাদ বলেন, ঈদ উপলক্ষে ক্রেতাদের পছন্দ অনুযায়ী সব রকমের কাপড় দোকানে রয়েছে। বিশ রোজার পর থেকে দোকানে আস্তে আস্তে বিক্রি বাড়ছে। গত কয়েকদিন ক্রেতাদের উপস্থিতি কম হলেও এখন বিক্রি বাড়ছে।
শহরের শাওন ফ্যাশনে কেনাকাটা করতে এসে লাবনী বললেন, নিজের সহ পরিবারের সবার জন্য কেনাকাটা করেছেন। এবার নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী পোশাক কিনতে পেরেছেন। তবে, গত বছরের চেয়ে এবার বাচ্চাদের পোশাকের দাম একটু বেশি।
তাহিরপুরের বাদাঘাট বাজারের রয়েল ফ্যাশনে কাপড় কিনতে এসে মনির হোসেন নামে একজন বললেন, এবার বাচ্চাদের পোশাকে অতিরিক্ত দাম। কম টাকায় কোন কাপড় কিনা যাচ্ছে না। একটু ভাল মানের নিতে চাইলেই দেড় হাজার থেকে আড়াই হাজার টাকা লাগছে। এরপরও বাচ্চাদের মুখের দিকে তাকিয়ে কিনতে হচ্ছে।
আলী ফ্যাশনের মালিক আলী হোসেন বলেন, বিক্রি এবার ভালই হচ্ছে, তবে রোজার শেষের দিকে আরও ভালো হবে।
উপজেলার খবর থেকে আরো পড়ুন