প্রকাশিত: ১৫ মে, ২০২৫ ২২:০৬
বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ও যুক্তরাজ্য বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কয়ছর এম আহমদ বলেছেন, যেহেতু এই সরকার আওয়ামী লীগ সরকারকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে— তাই এই নিষিদ্ধকে নিষিদ্ধই রাখুন। বিএনপি সবসময় আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। আমাদের নেতা তারেক রহমান সকল নেতাকর্মীকে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে নির্দেশনা দিয়েছেন।
কয়ছর এম আহমদ আরও বলেন, বাংলাদেশের মানুষ দ্রুত সময়ের মধ্যে একটি নির্বাচন দেখতে চায়। যখনই অবাদ, সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে একটি গণতান্ত্রিক সরকার ক্ষমতায় আসবে, তখনই বাংলাদেশের মানুষ শান্ত হবে এবং একটি সিস্টেম এস্টাব্লিশ হবে, ডেভেলাপ হবে। আপনারা দেখছেন, বাংলাদেশের কোনো প্রতিষ্ঠানই এখন প্রোপারলি কাজ করছে না। আমাদের নেতা তারেক রহমান ৩১ দফার মাধ্যমে পরিষ্কার ভাষায় বলেছেন, জনগণের যে ক্ষমতা, তা জনগণের কাছে ফিরিয়ে দিতে হবে। জনগণ ভোট দিয়ে যে সরকার বানাবে তখনই জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত হবে। আমি মনে করি, এই মুহুর্তে বাংলাদশর ১৮ কোটি মানুষের দাবি, অবাধ—সুষ্ঠু নির্বাচন, দ্রুত সময়ের মধ্যে নির্বাচন।
বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় দরগাপাশা ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে চক্ষু ক্যাম্প পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে এই কথা বলেন তিনি। ফ্রি চক্ষু ক্যাম্পের আয়োজন করে শান্তিগঞ্জ উপজেলা বিএনপি।
এসময় পুশইন বিষয়ে কয়ছর এম আহমদ বলেন, সরকারকে বিষয়টিকে খুব গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে। যখনই এ দেশে নির্বাচিত সরকার আসবে তখনই রোহিঙ্গা ইস্যু সমাধান হবে। এই সরকার একটি নির্বাচনকালীন সরকার। নির্বাচন বাস্তবায়ন করতে যত বিলম্ব হবে, তত সমস্যা বাড়তে পারে। আমি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে অনুরোধ করবো দ্রুত সময়ের মধ্যে নির্বাচন দিন। সময় নিতে চাইলে বা সময়কে টেনে টেনে লম্বা করতে চাইলে, এদেশের মানুষ এটাকে ভালোভাবে নেবে না।
চক্ষু ক্যাম্পে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আবদুল হক, আনছার উদ্দিন ও ফারুক আহমদ।
এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য নূর আলী, উপজেলা বিএনটির আহ্বায়ক হাজি জালাল উদ্দিন, প্রথম যুগ্ম আহ্বায়ক রওশন খান সাগর, যুগ্ম—আহ্বায়ক আক্তারুজ্জামান বাবুল, আবুল কাশেম নাঈম, সদস্য মো. নূরুল ইসলাম, লুৎফুর রহমান জায়গীরদার খোকন, মহির উদ্দিন মহির, মোশাহিদ আলী, জিয়াউল হক, অজিত দাশ, জেলা বিএনপির সাবেক বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক এবাদুর রহমান, জেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আমিনুর রশিদ আমীন, বিএনপি নেতা লুৎফুর রহমান, ইলিয়াছ মিয়া, আওলাদ হোসেন, ফারুক মিয়া, মোমিন চৌধুরী, ইরান উদ্দিন, মতিউর রহমান, মাস্টার শফিক উদ্দিন, সাব্বির আহমদ, মজনু মিয়া, ছালেক উদ্দিন মেম্বার, শিপাউর রহমান, খলিলুর রহমান খলিল মেম্বার, মাসুক আলী মেম্বার, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ইকবাল হোসেন, সাবেক যুগ্ম—সাধারণ সম্পাদক কামাল পারভেজ সাজন, সদস্য মাছুম আহমদ, উপজেলা যুবদলের সদস্য শহিদুল ইসলাম মুন্সি, দরগাপাশা ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি ছালিক আহমদ, সিনিয়ন সহ—সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, সাধারণ সম্পাদক আখলুছ মিয়া, যুবদল নেতা জগলু আহমদ, মোহাম্মদ আলী চৌধুরী শাহ আলম, শ্যামল চৌধুরী, সিজিল আহমদ রনি, ইমরান হোসেন, সুমন আহমদ মেম্বার, ইউনূস খান, সৈয়দ টিপু আলী, শিমুলবাক ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মুহিবুর রহমান মানিক, যুবদল নেতা শাহ আলম, আবু হানিফ, উপজেলা ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাছুম আহমদ, যুগ্ম—আহ্বায়ক হারুনুর রশিদ হারুন, ছাত্রদল নেতা মানছুর আহমদ, লিটন মিয়া মেম্বার, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম—আহ্বায়ক জুনেদ আহমদ ফয়সল, জেলা প্রজন্ম দলের সভাপতি জাহিদুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক শব্দেন নূর আহমদ সাগর, উপজেলা প্রজন্মদলের সভাপতি জাকার উদ্দিন, ছাত্রদল নেতা সাদিকুর রহমান, আবু সাঈদ সুমন, রাকীব আহমদ, আল আমীন ও সাব্বির আহমদ প্রমুখ।
উপজেলার খবর থেকে আরো পড়ুন