তাহিরপুর টানা বৃষ্টি, আউসের ভালো ফলনের সম্ভাবনা

প্রকাশিত: ০৪ জুলাই, ২০২৫ ২৩:৩২

তাহিরপুর উপজেলার ৪টি ইউনিয়নে প্রায় একহাজার একর জমিতে আউশ ধান রোপণ করা হয়েছে। বর্তমানে টানা বৃষ্টি শুরু হওয়ায় খুশি কৃষকরা। তারা জানান, এই বৃষ্টির কারণে আউশ ধানের ফলন ভালো হবে।


তাহিরপুর উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ৭টি ইউনিয়নের মধ্যে বাদাঘাট, উত্তর বড়দল, শ্রীপুর উত্তর ও বালিজুড়ি ইউনিয়নে এ বছর এক হাজার একর আউশ ধানের জমি চাষাবাদ করা হয়। এরমধ্যে বাদাঘাট ইউনিয়নে রয়েছে ৪০০ ও উত্তর বড়দল ইউনিয়নে রয়েছে ৩০০ একর, বালিজুড়ি ইউনিয়নে ১০০ এবং উত্তর শ্রীপুর ইউনিয়নে ২০০ একর।


বাদাঘাট ইউনিয়নের মুকসেদপুর গ্রামের কৃষক দ্বীন ইসলাম বলেন, আউশ ধান জ্যৈষ্ঠ মাসে রোপণ করা হয় এবং শ্রাবণ মাসে কাটা হয়। তাহিরপুরে আউশ ধান রোপণ শেষ কিছুদিন পরেই কাটা হবে। কয়েকদিন ধরে টানা বৃষ্টিপাতের কারণে এবার আউশ ধানের ফলন খুবই ভালো হবে।

 


একই গ্রামের সুলেমান মিয়া জানান, তিনি ৪ কিয়ার (৩০ শতকে এক কিয়ার) জমিতে আউশ ধান আবাদ করেছেন। একই জমিতেই তিনি পর্যায়ক্রমে বোরো, আউশ ও আমন ধান চাষ করে থাকেন। যা দিয়ে তিনি তার পরিবারের যাবতীয় খরচ মিটিয়ে থাকেন। বৃষ্টির পানি আউশের ফলনের জন্য ভালো বলে তিনি জানান।
মুকসেদপুর গ্রামের কৃষক হাবিকুল ইসলাম বলেন, তার এক একর জমিতে আউস ধান চাষাবাদ করেছেন। এ বছর কৃষি প্রণোদনা হিসেবে তিনি উপজেলা কৃষি অফিস থেকে বিনামূল্যে আউস ধানের বীজ ও সার পাওয়ায় তার জমিগুলোতে আউশ ধান রোপণ করতে সহজ হয়েছে।

 


তাহিরপুর উপজেলা উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান বলেন, উপজেলা কৃষি অফিসের মাধ্যমে কৃষি প্রণোদনা হিসেবে বাদাঘাট, উত্তর বড়দল, উত্তর শ্রীপুর ও বালিজুড়ি ইউনিয়নের ৩০০ কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে আউশ ধানের বীজ ও সার বিতরণ করা হয়েছে।


তাহিরপুর উপজেলা কৃষি অফিসার মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, আউশ ধান উৎপাদনে পোকা—মাকড়ের ঝামেলা কম। এছাড়াও সেচের কোনো প্রয়োজন হয় না। তাই কৃষকরা উফসী আউশ ধান রোপণে বেশি লাভবান হন।

উপজেলার খবর থেকে আরো পড়ুন


সম্পাদক মণ্ডলীর উপদেষ্টা : স্বপন কুমার দেব, কুমার সৌরভ

সম্পাদক ও প্রকাশক : পঙ্কজ কান্তি দে

অনলাইন সম্পাদক : মাহবুবুল হাছান শাহীন

সম্পাদক কর্তৃক অক্ষর মুদ্রণ অফসেট প্রেস, জোয়াহের রাজা ট্রেড সেন্টার, পুরাতন বাসস্টেশন, সুনামগঞ্জ।

মোবাইল : ০১৭১৮৩৪৫৯৭৫

বিজ্ঞাপন : ০১৩২৫৪৬২৪৯৫

ই-মেইল : [email protected]

সুনামগঞ্জের খবর পরিবার