প্রকাশিত: ১৬ জুলাই, ২০২৫ ২২:৪০
তাহিরপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়
বিদ্যালয়ের বকেয়া বেতন ও পরীক্ষার ফিস জমা দিতে গিয়ে শিক্ষককে বেতন কার্ড দেখাতে না পারায় নবম শ্রেণির তিনজন ছাত্রকে ওয়াইফাই সংযোগের তার দিয়ে বেধড়ক পেটানোর অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। আহত শিক্ষার্থীরা তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জরুরী বিভাগে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছে বলে জানা গেছে। আহত শিক্ষার্থীরা হলেন— সিয়াম আহমদ, তীব্র মিয়া ও মুবিন মিয়া।
বুধবার তাহিরপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে এই ঘটনা ঘটিয়েছেন বিদ্যালয়ের ভৌত বিজ্ঞানের শিক্ষক জামাল উদ্দিন।
ছাত্র সিয়াম আহমদের পিতা শাহিন মিয়া জানান, তার ছেলেকে বিদ্যালয়ের মাসিক বেতন ও পরীক্ষা ফি দিয়ে বিদ্যালয়ে পাঠিয়েছিলেন। বুধবার বিকালে ছেলে তাকে জানায়, বেতন ফি’র সাথে বেতন কার্ড বিদ্যালয়ে না নিয়ে যাওয়াতে সে এবং তার তিন বন্ধুকে ওয়াইফাই সংযোগের তার দিয়ে বেধড়ক মারধর করে শরীরের বিভিন্ন স্থান জখম করেন শিক্ষক। এমতাবস্থায় তিনি তার ছেলে সিয়াম, তীব্র মিয়া ও মুবিন মিয়াকে নিয়ে তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে আসেন।
তিনি আরও জানান, বিদ্যালয়ের শিক্ষক জামাল উদ্দিন স্থানীয় হওয়ার সুবাদে বিদ্যালয়ে অতিরিক্ত প্রভাব খাটান।
তাহিরপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ভৌত বিজ্ঞানের শিক্ষক জামাল উদ্দিন বলেন, বিদ্যালয়ে শিক্ষক কম থাকার কারণে ৩ জন শিক্ষককে ৫টি শ্রেণিতে পাঠদান সামাল দিতে হয়, এজন্য আমাদের একটু স্টিক হয়ে থাকতে হয়। বিদ্যালয়ের ৩ জন ছাত্র বেতন কার্ড ছাড়া বেতন দিতে এলে তাদের একটু বেশী শাসন করে ফেলেছি।
উপজেলার খবর থেকে আরো পড়ুন