দুই ভাইয়ের সম্পত্তির দ্বন্দ্বে অভিযোগ

প্রকাশিত: ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ২১:২৬

দুই ভাইয়ের মধ্যে সম্পত্তি নিয়ে দ্বন্দ্ব। তারা দু’জনই শান্তিগঞ্জ উপজেলার দরগাপাশা ইউনিয়নের দরগাপাশা গ্রামের বাসিন্দা মৃত আবদুল হাশিম চৌধুরীর ছেলে।
একজন ইংল্যান্ড প্রবাসী মুস্তাক আহমদ চৌধুরী ও অপরজন আছাবুর রহমান চৌধুরী। ইংল্যান্ড প্রবাসী মুস্তাক আহমদ দেশে এসে নিজের সম্পত্তি বুঝে না পাওয়ায় সম্পত্তি বেদখলের অভিযোগ তুলেছেন বড়ভাই আছাবুর রহমানের বিরুদ্ধে। সম্পত্তি সংক্রান্ত দ্বন্দ্বে ঢাকাস্থ প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবরে অভিযোগ করেছেন প্রবাসী মুস্তাক আহমদ। গত বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) এই অভিযোগ করেন তিনি। অভিযোগপত্রের রিসিভ কপির অনুলিপি এই প্রতিবেদকের  কাছে সংরক্ষিত আছে।
অভিযোগ পত্রে তিনি বলেন, বাংলাদেশের শান্তিগঞ্জ উপজেলার দরগাপাশার গ্রামের বাড়িতে আমি যে বাড়িতে বসত করছি তা দখল করে রেখেছেন আমারই বড়ভাই আছাবুর রহমান চৌধুরী। গত ফেব্রয়ারিতে দেশে এসে নিজ সম্পত্তি বুঝে নিতে চাইলে আমার ভাই ও ভাতিজা এতে বাধা দেন এবং দখল করা ঘর ছাড়েননি। এ নিয়ে আমি একাধিকবার স্থানীয়ভাবে শালিস বৈঠক করে বিষয়টি সুরাহা করার চেষ্টা করেছি। কিন্তু আছাবুর রহমান চৌধুরী তা মেনে নেন নি এবং আমাকে (প্রবাসী মুস্তাক আহমদ চৌধুরী) নানানভাবে প্রাণনাশের হুমকি দিতে থাকেন। পরে প্রাণ ভয়ে আমি আমার কর্মস্থল ইংল্যান্ডে চলে আসি। আসার পর আমার স্বাক্ষী ও আমার অপর বড় ভাই সুনু মিয়া চৌধুরীকে রামদা দিয়ে আঘাত করে এবং চাঁদা দাবি করে। তারা আমার দলিল দস্তাবেজ লুকিয়ে রেখেছেন। অভিযোগপত্রে, নিজের বাসাবাড়ি দখলমুক্ত করে নিজ বাড়ি ফিরিয়ে দেওয়ার আবেদন করেন তিনি।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত আছাবুর রহমান চৌধুরী বলেন, আমার উপর যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। আপনি (প্রতিবেদক) সরেজমিনে এসে দেখে যেতে পারেন। আমাকে পঞ্চায়েতে যে ঘরে থাকতে বলেছেন সে ঘরেই আছি। আমাকে কিছু টাকা দেওয়ার কথা ছিলো তিনি তা দেননি। টালবাহানা করছেন। আমাকে মিথ্যা অভিযোগে হয়রানি করা হচ্ছে। 
 

উপজেলার খবর থেকে আরো পড়ুন


সম্পাদক মণ্ডলীর উপদেষ্টা : স্বপন কুমার দেব, কুমার সৌরভ

সম্পাদক ও প্রকাশক : পঙ্কজ কান্তি দে

অনলাইন সম্পাদক : মাহবুবুল হাছান শাহীন

সম্পাদক কর্তৃক অক্ষর মুদ্রণ অফসেট প্রেস, জোয়াহের রাজা ট্রেড সেন্টার, পুরাতন বাসস্টেশন, সুনামগঞ্জ।

মোবাইল : ০১৭১৮৩৪৫৯৭৫

বিজ্ঞাপন : ০১৩২৫৪৬২৪৯৫

ই-মেইল : [email protected]

সুনামগঞ্জের খবর পরিবার