প্রকাশিত: ০৫ অক্টোবর, ২০২৫ ২১:৩৬
জেলার বৃহৎ বালু মহাল যাদুকাটা নদী-১ এ লাল নিশান টানিয়ে সীমানা নির্ধারণ করে দিয়েছেন প্রশাসনের কর্মকর্তারা। এতে দীর্ঘদিনের জটিলতা ও বিভ্রান্তি কাটিয়ে স্বচ্ছভাবে বালু উত্তোলনের সুযোগ তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন নদী তীরবর্তী গ্রামের লোকজন ও সংশ্লিষ্টরা।
রবিবার দুপুরে তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মেহেদী হাসান মানিক এর নেতৃত্বে প্রশাসনের একটি দল যাদুকাটা নদীর নির্ধারিত অংশে উপস্থিত হয়ে বালু উত্তোলনযোগ্য জায়গা পরিদর্শন ও সীমানা নির্ধারণ করে দেন।
এ সময় জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান হৃদয়, সহকারী কমিশনার (ভূমি) তাহিরপুর শাহরুখ হাসান শান্তনু, তাহিরপুর থানা অফিসার ইনচার্জ মো. দেলোয়ার হোসেন, সার্ভেয়ার আব্দুল্লাহ আল মামুন, ডিহিবিটি তহশীলের তহশিলদার আশিষ কুমার চক্রবর্তী, ইজারাদার নাসির মিয়া সহ স্থানীয় সাংবাদিক, তাহিরপুর থানা পুলিশ ও বিজিবির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
নদীপাড়ের স্থানীয় লোকজন ও পরিবেশকর্মীরা প্রশাসনের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, যাদুকাটা নদীর ইজারাকৃত জায়গা নির্ধারণ করে দেয়ার ফলে ইজারাদাররা নির্ধারিত স্থান থেকে বালু উত্তোলন করতে পারবে, চাইলেই তারা পাড় কাটতে পরবে না। সরকারি নিয়ম মেনে বালু উত্তোলন করলে নদী ও আশপাশের হাওরাঞ্চলের ক্ষতি অনেকাংশে কমে যাবে।
যাদুকাটা—১ বালু মহালের ইজারাদার নাসির মিয়া বলেন, প্রশাসন আমাদের জায়গা নির্ধারণ করে দেওয়ায় এখন আমরা স্বস্তিতে আছি। আগে অনিশ্চয়তায় কাজ বন্ধ ছিল, এখন নিয়ম মেনে বালু উত্তোলন করবো।
তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মেহেদী হাসান মানিক বলেন, সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী নির্ধারিত স্থান ছাড়া অন্য কোথাও বালু উত্তোলন করা যাবে না। আমরা আজ মাঠ পরিদর্শন করে লাল নিশান টানিয়ে সীমানা নির্ধারণ করে দিয়েছি।
তাহিরপুর থানা অফিসার ইনচার্জ মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে পুলিশ সর্বদা সতর্ক রয়েছে।
উপজেলার খবর থেকে আরো পড়ুন