প্রকাশিত: ১৭ নভেম্বর, ২০২৫ ২২:৪৭
ঐতিহ্যবাহী শীতলপাটির নাম শুনলে দেহ-মনে চলে আসে প্রশান্তি। প্রশান্তি আনা শীতলপাটি এক সময় বাংলার প্রতিটি ঘরে শোভা পেত। এক্ষেত্রে জামালগঞ্জের শিল্পীদের খ্যাতি ছিল দেশজুড়ে। তবে নানামুখি সমস্যার কারণে জামালগঞ্জের শীতলপাটির খ্যাতি আজ বিলুপ্তির পথে। প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে চলে আসা এই শিল্পকে পেশা নয়, নিজের ঐতিহ্য হিসেবে লালন করে আসছেন শিল্পীরা। অথচ সরকারি সহযোগিতার হাত বাড়ালে এই শিল্পটি বিকাশে সম্ভাবনা রয়েছে।
ঐতিহ্যবাহী শীতলপাটির শিল্পীরা আজ আর্থিক অনটন, দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি, পাটি তৈরি উপকরণের স্বল্পতা, প্লাস্টিকের পাটি তৈরির প্রবণতা বেড়ে যাওয়ায় মানবেতর জীবনযাপন করছেন। বাপ-দাদার প্রায় দেড়শ বছরের শিল্প এখন হুমকির মুখে। এরপরও ঐতিহ্য ধরে রেখেছে উপজেলার সদর ইউনিয়নের কদমতলী, সোনাপুর, দুর্গাপুর, ভীমখালী ইউনিয়নের কালীপুর গ্রামের পাটিশিল্পী পরিবারগুলো। সাহায্য-সহযোগিতা আর পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে উপজেলার চারটি গ্রামের চার থেকে পাঁচশত পরিবার চরম দুর্দিনের মধ্যে কাটাচ্ছে। বাজার মূল্যের উর্ধ্বগতি আর শীতলপাটির ন্যায্যমূল্যের অভাবে পূর্বপুরুষদের এই শিল্পটি ধরে রাখতে পারছে না অনেকে।
শীতলপাটি তৈরির একমাত্র কাঁচামাল হচ্ছে মুর্তা জাতীয় গাছ। গ্রামের আশেপাশে তিন দশক আগেও ৫০ থেকে ৬০ বিঘা জমিতে মুর্তা চাষ হতো। এসব জমির মালিক ছিলেন গ্রামের বাসিন্দারা। কাল পরিক্রমায় সাংসারিক টানাপোড়েনে এসব জমি অনেকে বিক্রি করে দিয়েছেন, আবার অনেকে ধান, শাক-সবজি চাষ করছেন। তাই মুর্তা চাষীরা অনেকেই এখন অসহায় হয়ে পড়েছেন। এক সময় পরিবারের পুরুষেরা মুর্তা চাষে ব্যস্ত থাকতেন আর নারীরা পাটি বুননের কাজে ব্যস্ত থাকতেন। এই পাটি শিল্পটি ছিল পরিবারের ঐতিহ্য ও আয়ের উৎস। বছরের পর বছর ধরে এই কাজ করুয়া পরিবারগুলো এখন নানামুখি সমস্যায় ভুগছে। এক দশক আগেও একপন মুর্তা একশত টাকায় পাওয়া যেত, বর্তমানে সেই মুর্তা বিভিন্ন এলাকা থেকে কিনতে হচ্ছে সাতশ থেকে আটশ টাকায়।
সরেজমিনে জামালগঞ্জ সদর ইউনিয়নের কদমতলী গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, বিভিন্ন বয়সের নারী পুরুষদের কর্ম ব্যস্ততার শেষ নেই। কেউ যার যার উঠানে বসে পাটি বুনছে, কেউ মুর্তা কাটছে, আবার কেউ মুর্তা গাছের বেত ছাড়াচ্ছেন। প্রতিটি বাড়ির আঙ্গিনায় কিংবা বারান্দায় পাটি বুনন চলছে।
জানা যায়, চার গ্রামের প্রায় ৫০০ পরিবারের ২ হাজার মানুষ পাটি শিল্পের কাজে জড়িত। ছোট পাটি প্রতিটির মূল্য ১ হাজার ২০০ টাকা। মাঝারি পাটি ১ হাজার ৫০০ টাকা থেকে ১ হাজার ৮০০ টাকা এবং বিভিন্ন ডিজাইনের শীতল পাটির মূল্য সর্বনিম্ব ১ হাজার ৮০০ টাকা থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে। একটি শীতল পাটি তৈরি করতে তিনজন শিল্পীর চার থেকে পাঁচদিন সময় লাগে। তবে ওর্ডার দিলেই শুধু শীতল পাটি তৈরি করেন পাটিশিল্পীরা। ছোট ও মাঝরি পাটি একদিনেই তৈরি করা যায়। মাসে প্রায় ৫ লক্ষ টাকার ও বছরে প্রায় ৬০ লক্ষ টাকার পাটি বিক্রয় হয়। জামালগঞ্জের সাচনা বাজার, নেত্রকোনা জেলার মোহনগঞ্জ, বারহাট্টা ও সিলেটে পাটি বিক্রয় হয়ে থাকে। পাটি শিল্পীর পরিবারগুলো উৎপাদন খরচ বাদ দিয়ে মাসিক সর্বনিম্ন ৫-৬ হাজার এবং সর্বোচ্চ ১০-১২ হাজার টাকা লাভ করে থাকেন। পরিবারের শিশু থেকে বৃদ্ধ সকলেই পাটি তৈরিতে শ্রম দিয়ে থাকেন।
নেত্রকোনা জেলার বারহাট্টা বাজার ও তাহিরপুরের সীমান্ত এলাকা থেকে পরিবারের পুরুষরা মুর্তা কিনে নিয়ে আসেন। আগে সিলেট থেকে মুর্তা সংগ্রহ করা হলেও যোগাযোগ খরচের বেশি হওয়ার কারণে সেখান থেকে আর মুর্তা সংগ্রহ করা হয় না। পাটি শিল্পীরা জানান, মুর্তা সংগ্রহ করতে গিয়ে ২-৪ দিন পর্যন্ত সেখানে অবস্থান করতে হয়। এতে অতিরিক্ত অর্থ ও সময় ব্যয় হয়। আগে যখন নিজেদের মুর্তা বাগান ছিল তখন এসব খরচ ছিল না, যে কারণে তখন লাভও বেশি হতো। চার গ্রামের বাসিন্দারা স্বল্প লাভ হলেও ঐতিহ্যগত কারণে এই পেশায় টিকে আছেন।
তারা জানান, প্রাক্তন জেলা প্রশাসক মো. সাবিরুল ইসলাম এর সময়ে সুনামগঞ্জ ঐতিহ্য জাদুঘর প্রাঙ্গণে মেলায় প্রথম পুরস্কার পেয়েছিলেন জামালগঞ্জের পাটিশিল্পীরা। চার গ্রামের ১২ জন মহিলা সেই মেলায় জামালগঞ্জের প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন। সেই সময় পাটিশিল্পীদের উন্নয়নে কিছু উদ্যোগ নেয়া হলেও পরবর্তিতে তা থেমে যায়।
গ্রামের অনেক নারী জানিয়েছেন, পাটি বিক্রি করে তারা সংসারের বিভিন্ন প্রয়োজনীয় খরচে সহায়তা করতে পারেন। যদিও বাজারে প্রতিযোগিতা বেড়েছে, তবুও স্থানীয়ভাবে এ পণ্যের চাহিদা এখনও রয়েছে। বিশেষ করে উৎসব, বিয়ে বা নতুন বাসায় ওঠার সময় অনেকের পছন্দের তালিকায় আছে হাতে তৈরি বেতের পাটি। তবে পাটি বুনন গ্রামের নারীদের একটি গুরুত্বপূর্ণ আয়ের উৎস হলেও শ্রমের তুলনায় লাভ খুবই সামান্য। একটি শীতলপাটি তৈরি করতে প্রায় ১২০০ টাকার মুর্তা বেত ও একশ টাকার রং লাগে। বেত শিদ্ধ করা থেকে বোনা পর্যন্ত একজন নারীকে অন্তত ১৫ দিন শ্রম দিতে হয়।
এদিকে বাজারজাত করার মতো সঠিক প্ল্যাটফর্ম না থাকায় ন্যায্য দাম পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। যদি তাদের প্রশিক্ষণ, আর্থিক সহায়তা বা বাজার সম্প্রসারণে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এগিয়ে আসে, তাহলে এই পেশা আরও অনেক নারীকে স্বাবলম্বী করতে পারবে। একই সঙ্গে ঐতিহ্যবাহী এই শিল্পও আরও বড় পরিসরে ছড়িয়ে পড়বে।
শীতলপাটি যে সকল শিল্পীরা তৈরি করে তাদের মধ্যে সুজাতা রানী কর, সুমতি রানী কর জানান, এই পেশাটি যুগের পর যুগ ধরে বংশানুক্রমে চলে আসছে। তারা ছোটবেলা থেকেই এই পেশার সাথে জড়িত রয়েছেন। তাদের পরিবারের ৮ থেকে ১০ জন রয়েছেন, সকলে মিলেমিশে পাটি বুনন করেন। পরিবারের সম্বলিত প্রচেষ্টায় একটি পাটি তৈরি করতে ৪ থেকে ৫ দিন সময় লাগে। তাদের তৈরি করা পাটি বিভিন্ন এলাকা থেকে পাইকাররা এসে নিয়ে যায়। আর কেউ কেউ স্থানীয় সাচনা বাজারে গিয়ে বিক্রি করেন। একটি শীতলপাটি ১২০০ টাকা থেকে ৫০০০ টাকায় বিক্রি হয়। আবার কেউ বিভিন্ন নকশাসহ অর্ডার করলে ৮ থেকে ১০ হাজার নেওয়া হয়। কিন্তু মুর্তার আকাশচুম্বী দাম থাকায় এখন আর আগের মতো লাভ হয় না। পুঁজির সব টাকাই মুর্তা কিনতে শেষ হয়ে যায়। পরিবারের সবাই মিলে মাসে ৫ থেকে ৬ হাজার টাকা আয় হয়। সামান্য আয়ে সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হয়।
রত্না রানী করের স্বামী সুবল চন্দ্র কর জানান, পাটি তৈরি করে যা আয় করি তা দিয়ে সংসার চলতে কষ্ট হয়।
অপরদিকে সুপ্রতি রানী কর জানায়, শিশু বয়স থেকে এই কাজ করে আসছি। বাবার সংসারেও এই কাজ করতাম আবার স্বামীর সংসারেও এই কাজ করছি। বর্তমানে আমরা বড় সমস্যার মধ্যে দিন কাটাচ্ছি। আগে মুর্তা ছিল ৬ থেকে ৭ ফুট লম্বা। তাই ৫ থেকে ৬ ফুট লম্বা পাটি জোড়া না দিয়েই তৈরি হতো। এখন মুর্তা ৩ থেকে ৪ ফুট হওয়ায় জোড়া দিয়ে পাটি তৈরি করতে হয়। আর এজন্য পাটির দাম ভাল পাওয়া যায় না। আগে আমাদের নিজেদের মুর্তার জমি ছিল। এখন আর তা নেই। অভাবের তাড়নায় মুর্তা জমি বিক্রি করে দিয়েছি। বিভিন্ন এলাকা থেকে মুর্তা আনতে চার থেকে পাঁচ দিন সময় লাগে, দামও বেশি দিতে হয়। যার কারণে আগের মত লাভ হয় না। অন্যের জমিতে শ্রমিকেরা প্রতিদিন যে মজুরি পায় সেই তুলনায় ঐতিহ্যের শীতলপাটি তৈরি করে তার অর্ধেক টাকাও রুজি হয় না। কালের আবর্তমানে এই উপজেলায় কদমতলী, সোনাপুর, দুর্গাপুর, কালীপুর গ্রামের পাটি শিল্পের বয়স প্রায় দেড়শত বছর। পাটি শিল্পের জন্য বিখ্যাত হওয়ায় এই গ্রামগুলোকে পাটি শিল্পের গ্রাম বলা হয়।
কদমতলী গ্রামের নারায়ন নন্দি জানান, কয়েক যুগ আগে সবার প্রচেষ্টায় বেসরকারি সংস্থা আইডিয়ার মাধ্যমে কিছু ঋণের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। এখন এই সংস্থাটির প্রকল্পটি না থাকায় তা বন্ধ হয়ে গেছে। সরকারি কোন প্রতিষ্ঠান কিংবা তাদের পৃষ্ঠপোষকতায় মুর্তা চাষীদের খাস জমি বন্দোবস্ত দিলে এবং সরকারি যে কোন ব্যাংক থেকে বার্ষিক কিস্তিতে ঋণের ব্যবস্থা করা গেলে ঐতিহ্যের পাটি শিল্পটি উজ্জ্বল সম্ভাবনাময়ী হতে পারে। নতুবা কালের পরিক্রমায় ধীরে ধীরে এই শিল্পটি এক সময় হারিয়ে যাবে। আমার বাবা-মা পাটি বানাতেন, তাদের কাছ থেকেই শিখেছি উল্লেখ করে তিনি বলেন, এখন আমি কৃষি কাজ করি। রাতে এসে মুর্তা থেকে বেত তৈরি করে দিই, পরে মহিলারা এটি শুকিয়ে, সিদ্ধ করে পাটি তৈরি করেন। আগের মতো এখন মুর্তা গাছ চাষ করি না। পাটি বানানোর পরিমাণও আস্তে আস্তে কমিয়েছি।
রতনপুর গ্রামের বাসিন্দা রতন কুমার গোস্বামী বলেন, এই শিল্পটি প্রায় দেড়শ বছরের পুরোনো। মুর্তা গাছের দাম ও পরিশ্রমের সঙ্গে বিক্রয় মূল্য ঠিক নেই, এজন্য এখন পাটি বানিয়ে পুষে না। আমাদের শ্রমের মূল্য না দিয়েই বিক্রি করতে হয়।
কদমতলী গ্রামের বাসিন্দা মৃতুঞ্জয় চন্দ্র কর বলেন, আমি নিজেই মুর্তা চাষ করেছি। পাটি তৈরি করার জন্য মুর্তা কি না লাগে না। পাশাপাশি কিছু মুর্তা বিক্রিও করতে পারছি।
গ্রামের বাসিন্দা সুশিলা রানী কর বলেন, মুরতা গাছের বেত এখন আগের মতো পাওয়া যায় না। মোহনগঞ্জ সিলেট থেকে কিনতে হয়। যাদের জায়গা আছে তারা মুরতা গাছ লাগায়। তাদের আর কিনতে হয় না। বাড়িতে থেকে কিছু না করার চেয়ে পাটি বানালে কিছু টাকা রোজগার করা যায়। সেই নেশা থেকেই পাটি তৈরি করি।
জনতা কর বলেন, বাড়ির মুরব্বিদের কাছ থেকে পাটি বানানো শিখেছি। অনেকেই এখন নেই। আমাদেরও বয়স বেড়েছে। এই পাটি বানিয়ে বিক্রি করেই সংসার চলতো। এখন চাহিদা কিছুটা কমায় বাড়ির পুরুষেরা অন্য পেশায় গেছেন। কারণ শ্রম ও খরচ করে বানিয়ে তেমন লাভ হয় না। পাইকারদের কাছে কম দরে বিক্রি করতে হয়। সরকারি বা বেসরকারি সহযোগিতা পেলে হয়তো আমরা লাভবান হতাম।
গীতাবাণী দত্ত বলেন, বাড়ির পুরুষ সদস্যরা মুরতা সংগ্রহ করে বেত বের করেন। পরে সেগুলো রোদে শুকাতে দেন। আমরা পানিতে ভিজিয়ে রেখে পাটি বুনা শুরু করি। সাধারণ পাটি বানাতে এক সপ্তাহ লাগে। তিনশ’ টাকার বেতের প্রয়োজন হয়। বানানো শেষ হলে পাইকাররা এসে কিনে নেন। এই পাটি সাতশ’ টাকা দরে বিক্রি করতে পারি।
তিনি বলেন, আমরা তিন ধরণের পাটি বানাই। শিতলপাটি, জামদানি ও সাধারণ পাটি। শিতলপাটি কেউ নিতে চাইলে বানাই। চাহিদা থাকলে ৫ থেকে ৭ হাজার টাকাও মেলে। জামদানি পাটি পনেরোশ’ টাকা বিক্রি করা যায়। ওই দুই রকমের পাটি অর্ডার দিলে বানিয়ে দিই। অর্ডার না এলে দাম পাওয়া যায় না। এজন্য বেশি সাধারণ পাটি তৈরি করি।
উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা সাব্বির সারোয়ার জানান, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ২০২১ সালে ৪০ জন পাটি শিল্পীকে প্রশিক্ষণ দিয়ে ১৮ হাজার টাকা করে অনুদান দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে প্রকল্পটি পুনরায় চালু হলে এদের জীবনমান উন্নয়নে সর্বাত্মক চেষ্টা করা হবে।
জামালগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুশফিকীন নূর বলেন, পাটিশিল্পীদের ব্যাপারে জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া অত্যন্ত আন্তরিক। উনি পাটিশিল্পদের খোঁজখবর নিয়েছেন ও তাদের (পাটিশিল্পী) সকল ধরণের সহযোগিতা প্রদানের বিষয়ে আমাকে আশ^স্ত করেছেন। উপজেলা প্রশাসনও তাদের সকল ধরণের সহযোগিতা করতে প্রস্তুত রয়েছে। আমরা গণমাধ্যমকর্মীদের সহযোগিতায় পাটিশিল্পীদের তালিকা করে সহযোগিতা প্রদান করব।
বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশ (বিসিক) এর সুনামগঞ্জ শিল্পনগরীর কর্মকর্তা মো. আবুল কাশেম বলেন, কদমতলীতে আমাদের কোন কাজ নেই। জামালগঞ্জে কাজ করার সময় আমি জানতাম। কিন্তু তারা আমাদের কাছে কখনো আসে নি, এই বিষয়ে কোন তথ্যও আমার জানা নেই। আমরা এইগুলো সংরক্ষণ করি না।
উপজেলার খবর থেকে আরো পড়ুন