প্রকাশিত: ২১ ডিসেম্বর, ২০২৫ ২১:৫৬
সুনামগঞ্জ-২ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির বলেছেন, দিরাই—শাল্লার জনগণ অনেক সমস্যায় ভুগছেন। ইতোমধ্যে আমরা তালিকা করেছি। আমরা ঠিক করেছি কোনটা আগে দরকার এবং কোনটা পরে দরকার। সময়ের প্রেক্ষাপটে সাজিয়ে একটা একটা করে আমাদেরকে এগুলো বাস্তবায়ন করতে হবে।
সম্প্রতি কেএস ব্রিকস ও মোবারক ফ্যাশনের সহযোগিতায় দৈনিক সুনামগঞ্জের খবর— এর বিশেষ আয়োজন ‘চল যাই ভোটে’ এর অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
শিশির মনির বলেন, এখানে যোগাযোগের অসুবিধা। এটি একদিনে ঠিক হবে না, এর জন্য সময়ের দরকার। আছে বেকারত্ব। অনেক মানুষ বেকার। এর জন্য বিকল্প ব্যবস্থা বের করতে হবে। আরেকটা বড় সমস্যা হচ্ছে স্বাস্থ্য। এখানে হাসপাতাল, চিকিৎসা কেন্দ্রের ভঙ্গুর অবস্থা। এছাড়াও পরিবেশ বিপর্যয় রোধ ও শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন করতে হবে।
তিনি বলেন, কলেজ আছে, কিন্তু শিক্ষক থাকেন না। এখানকার রাজনৈতিক সংস্কৃতি ভঙ্গুর। এখানে কেউ কারও প্রতি আস্থা এবং বিশ্বাস রাখেন না। আস্থা এবং বিশ্বাস ছাড়া দেশকে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়।
এই এলাকার জনগণ আপনাকে কেন ভোট দিবে এমন প্রশ্নের জবাবে শিশির মনির বলেন,
একজন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের কাজ এবং একজন সংসদ সদস্যের কাজ এক নয়। একজন সংসদ সদস্যের কাজ হলো আইন প্রণয়ন করা। তিনি পার্লামেন্টে যাবেন, সরকারের সঙ্গে কথা বলবেন, সরকারের কাছে নিজের এলাকার মানুষের কথা তুলে ধরবেন এবং এখানে কি করণীয় তা বুঝাতে সক্ষম হবেন। আমার অবস্থান কাজে লাগিয়ে দেশে—বিদেশে যে কোনো ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলে কনভেন্স করা আমার জন্য সহজ। সরকারি ভাবে যেটা করা সম্ভব না সেগুলো দেশি—বিদেশি এনজিও, ব্যক্তি— যারা কনটিবিউট করতে চায়, গ্রামীণ এলাকায় পরিবর্তন ঘটাতে চায়, শিক্ষা, স্বাস্থ্যের পরিবর্তন ঘটাতে চায় তাদের দিয়ে করবো। আমার ধারণা এই সমস্ত কাজ করা অন্যান্য প্রার্থীদের পক্ষে করা সহজ নয়। এজন্য আমি মনে করি, অন্যদের চাইতে আমার দিকে ঝুঁকা উচিত।
তিনি বলেন, আমি দেখেছি, আমার প্রতিদ্বন্দ্বি জনাব নাছির উদ্দিন চৌধুরী কখনও বিএনপি থেকে নির্বাচিত হননি। তিনি ছিলেন জাতীয় পার্টির নির্বাচিত এমপি। তিনি বিএনপি থেকে যে কয়বার সংসদ নির্বাচন করেছেন সেই কয়বারই পরাজিত হয়েছেন। বর্তমানে উনার (নাছির উদ্দিন চৌধুরী) শারীরিক ও স্বাস্থ্যের এই অবস্থায় মধ্যে মানুষের জন্য যা করা দরকার— যে কষ্ট, পরিশ্রম, সাধনা, চেষ্টা, কায়িক শ্রম, মানসিক পরিশ্রম দরকার তাতে যথেষ্ট ঘাটতি রয়েছে। আমি এক্সপেক্ট করি, উনি দ্রুত আরোগ্য লাভ করবেন, মানুষের কাছে ফিরে যাবেন— এটা আমার প্রত্যাশা।
উপজেলার খবর থেকে আরো পড়ুন