প্রকাশিত: ২৫ ডিসেম্বর, ২০২৫ ০০:০০
সুনামগঞ্জ-৪ (সুনামগঞ্জ সদর ও বিশ্বম্ভরপুর) আসনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট মো. সামছ উদ্দিন বলেছেন, সদর উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন, বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার ৫টি ইউনিয়ন ও পৌরসভা মিলিয়ে ৩ লক্ষ ৬৬ হাজার ভোটার আছেন। এলাকার ভোটারদের কাছে আমরা নিয়মিতই যাচ্ছি। ভোটারদের বেশ সাড়া পাচ্ছি। সাংগঠনিকভাবে আমরা অনেক আগে থেকেই আমাদের কার্যক্রম চালিয়ে আসছি। গণঅভ্যুত্থানের পর যে আকাক্সক্ষা রয়েছে- দেশ থেকে দুর্নীতি এবং চাঁদাবাজি দূর করতে হলে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী যে বক্তব্য তুলে ধরছে, সেই দিকেই মানুষ ধাবিত হচ্ছে। জনগণের ম্যান্ডেট আমরাই পাবো বলে আশা করছি।
আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনগণ কেন আপনাদেরকে ভোট দিবে- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা আওয়ামী লীগ, বিএনপি এবং জাতীয় পার্টির শাসনামল দেখেছি। তাদের আমলে দেশে তেমন কোনো উন্নয়ন হয়নি, দুর্নীতিও বন্ধ হয়নি। যাদের দেশপ্রেম আছে, আল্লাহকে ভয় করে- তাদের দ্বারাই দুর্নীতি রোধ করা সম্ভব। আমাদের দেশের নির্বাচনে যারা প্রার্থী হন তারা একে ব্যবসা মনে করেন। এই ব্যবসায় তারা পুঁজি বিনিয়োগ করেন ও লাভের জন্য চেষ্টা করেন। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী অতীতে নির্বাচন করেছে। বিগত নির্বাচনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর এমপি সাহেবরা কাজ করেছেন। আমরা কিন্তু দুর্নীতির সাথে সম্পৃক্ত নই। দেশকে দুর্নীতিমুক্ত এবং চাঁদাবাজমুক্ত করা গেলে দেশের মানুষ শান্তি পাবে। এজন্য সাধারণ মানুষ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীদের ভোট দিবে বলে আমরা মনে করি। তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামী এককভাবে সরকার গঠন করলে মানুষের প্রত্যাশা পূরণ হবে।
চলতি নদীতে বিগত দিনে বালু লুটপাট হয়েছে, এখনও লুটপাটের কারণে শ্রমিকদের কর্মসংস্থান বন্ধ রয়েছে, নির্বাচিত হলে এক্ষেত্রে আপনি কি উদ্যোগ নিবেন- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সুনামগঞ্জের সদর উপজেলার উত্তরাঞ্চলের তিনটি ইউনিয়ন রয়েছে। এই ইউনিয়নগুলো যাতায়াতের ভোগান্তিতে আছে। একটা সেতুর কারণে সেখানকার মানুষ উন্নয়ন বঞ্চিত আছে। একটা সেতু নির্মাণ জরুরি। সুরমা নদীর ধারারগাঁও এলাকায় যদি একটা সেতু নির্মাণ করা যায়, তাহলে সেই এলাকার উন্নয়নে বিরাট ভূমিকা রাখবে।
তিনি বলেন, ধোপাজান নদী প্রাকৃতিক সম্পদ। এই নদীতে যে বালু-পাথর রয়েছে। এগুলো যদি ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে উত্তোলন করা হয় তাহলে আমাদের শ্রমিকরা উপকৃত হতো। কিন্তু বোমা মেশিনের মাধ্যমে উত্তোলন করায় একদিকে শ্রমিকরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং অপরদিকে এলাকার নদী তীরবর্তী এলাকা ধ্বংস হচ্ছে। আমি আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় বলেছি, জনগণ যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় এবং শ্রমিকরা উপকৃত হয়- সেভাবে ইজারা বন্দোবস্ত দিতে হবে। তিনি বলেন, আমাদের দল সরকারে আসতে পারলে এর একটা স্থায়ী সমাধানের চেষ্টা করব।
উপজেলার খবর থেকে আরো পড়ুন