প্রকাশিত: ০১ জানুয়ারি, ২০২৬ ২২:৩২
সুনামগঞ্জ সদর এবং বিশ্বম্ভরপুর উপজেলায় নানাবিধ সমস্যা রয়েছে উল্লেখ করে সুনামগঞ্জ-৪ আসনের বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মনোনীত প্রার্থী মুফতি আজিজুল হক বলেছেন, উল্লেখযোগ্য সমস্যা হচ্ছে যোগাযোগ ব্যবস্থা। বিশেষ করে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার ধারারগাঁও- হালুয়াঘাটের মাঝামাঝি সুরমা নদীতে একটা ব্রিজ নির্মাণ খুবই জরুরি। এছাড়াও সদর উপজেলার জাহাঙ্গীরনগর, সুরমা এবং রঙ্গারচর ইউনিয়নের জনসাধারণের যাতায়াতের সুবিধার জন্য বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার সাথে সংযোগ স্থাপনের জন্য রামপুর-বালাকান্দা এরিয়ায় একটা ব্রিজ নির্মাণ করা দরকার।
শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং চিকিৎসার দিক দিয়ে সারা বাংলাদেশের ৬৪ টি জেলার মধ্যে সবচেয়ে বেশি অনুন্নত আমাদের সুনামগঞ্জ উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমাদের পাহাড় ঘেঁষে যে এলাকাগুলো রয়েছে, সেই এলাকাগুলো আবার হাওর অধ্যুষিত। যে কারণে রাস্তাঘাট, শিক্ষা এবং চিকিৎসায় অবহেলিত। আমাকে যদি সুযোগ দেওয়া হয় প্রথমেই আমি হালুয়াঘাট - ধারারগাঁও এলাকায় একটা ব্রিজ নির্মাণ করে দেব এবং রামপুর- বালাকান্দা এরিয়ায় একটা ব্রিজ নির্মাণ করব। এছাড়াও শিক্ষা, চিকিৎসা এবং যোগাযোগের ব্যবস্থা উন্নত করব।
সম্প্রতি কেএস ব্রিকস ও মোবারক ফ্যাশনের সহযোগিতায় দৈনিক সুনামগঞ্জের খবর এর বিশেষ আয়োজন ‘চল যাই ভোটে’ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, আমাদের অঞ্চলে ব্রিটিশ আমল থেকে যে রাস্তাগুলো দেখে এসেছি, সবগুলো রাস্তাই এখনও অনুন্নত রয়েছে। আমি যদি সুযোগ পাই সবগুলো ব্রিজ- কালভার্ট সহ যত রাস্তা রয়েছে সবগুলো পাকাকরণ করে দেব।
৮ দলীয় জোটের মনোনয়ন পাওয়ার বিষয়ে আপনি কতটুকু আশাবাদী- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি গত ৩৫ বছর ধরে অসহায়দের পাশে থেকে সেবা ও সহযোগিতা করে আসছি। এলাকায় গরিব ও বিধবা মহিলারা যারা অর্থাভাবে কন্যার বিবাহ দিতে পারেন না, আমি তাদেরকে বিবাহ দেয়ার কাজে আর্থিক সহায়তা করে আসছি। মেয়েদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষে সেলাই মেশিন দিচ্ছি, রিকশা, ভ্যানগাড়ি চালক, ঠেলাগাড়ি চালকদেরকে রিকশা, ভ্যানগাড়ি এবং ঠেলাগাড়ি দিয়ে সহায়তা করছি। গ্রামে- গঞ্জে অনেকেই আছেন চোখে ছানি পড়ে গেছে, চোখ দিয়ে দেখতে পায় না, অর্থের অভাবে চিকিৎসা করতে পারেন না, আমি তাদেরকে চিকিৎসা সেবায় আর্থিক সহায়তা করে আসছি। অনেক মহিলাদেরকে ব্যবসার জন্য আর্থিক সহায়তা করে আসছি ও তাদের ছাগল- ভেড়া কিনে দিচ্ছি।
তিনি বলেন, সুনামগঞ্জ সদর ও বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার প্রতিটি গ্রামের দরিদ্র পরিবারের সঙ্গে আমার সুসম্পর্ক গড়ে উঠেছে। এজন্য আমি আশাবাদী, যদি আমাকে এই আসনে মনোনয়ন দেওয়া হয়, তাহলে আমি জনগণের ভোটে নির্বাচিত হতে পারব।
জোটের পক্ষ থেকে যদি আপনাকে মনোনয়ন দেওয়া না হয়,তাহলে কি আপনি জোটের প্রার্থীর পক্ষে কাজ করবেন নাকি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করবেন - এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমাদের দলের প্রাধান, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক আমাকে জোটের পক্ষে মনোনয়ন দিয়েছেন। এরপরও জোট পরামর্শ করে যাকে দিবেন, আমরা তার পক্ষেই কাজ করব।
উপজেলার খবর থেকে আরো পড়ুন