প্রকাশিত: ০২ জানুয়ারি, ২০২৬ ২৩:২৪
বানিয়াগাঁও বালিয়াঘাটা কমিউনিটি প্রাথমিক বিদালয়
বানিয়াগাঁও বালিয়াঘাটা কমিউনিটি প্রাথমিক বিদালয়ের ভবন আছে কিন্তু শিক্ষক, ছাত্রছাত্রী ও আসবাবপত্র বলতে কিছুই নেই। বিদ্যালয় বলতে দাঁড়িয়ে থাকা ওই ভবনই সার।
তাহিরপুর উপজেলার শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়নের এই বিদ্যালয়টি ১৯৯২ সালে স্থাপিত হয়। ১৯৯৭ সালে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের উদ্যোগে একটি ভবন নির্মিত হয়। তবে ২০০২ সাল থেকে বিদ্যায়টিতে শিক্ষক ও শিক্ষার্থী বলতে কিছুই নেই। বিদ্যালয়টি বন্ধ থাকায় বানিয়াগাঁও বালিয়াঘাটার ছাত্রছাত্রীরা বালিয়াঘাট গ্রামে ২০১৭ সালে প্রতিষ্ঠিত আবুল কাশেম খান দারুল আরকাম ইবতেদায়ী মাদ্রাসা ও একই গ্রামে ২০২৩ সালে প্রতিষ্ঠিত গুলে মদিনা মহিলা মাদ্রাসায় লেখাপড়া করে। গুলে মদিনা মহিলা মাদ্রাসাটি ক্বওমি মাদ্রাসা এবং আবুল কাশেম খান দারুল আরকাম ইবতেদায়ী মাদ্রাসাটি ইসলামিক ফাউন্ডেশন কর্তৃক চারজন শিক্ষক দ্বারা পরিচালিত হয়ে আসছে।
অপরদিকে বালিয়াঘাট ও বানিয়াগাঁও গ্রামের হিন্দু অধিবাসী শিক্ষার্থীরা পার্শ্ববর্তী তেলীগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে লেখাপড়া করছে।
উপজেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় সমিতির সভাপতি অজয় কুমার দে বলেন, বিদ্যালয়টি চালু থাকলে ২০১৩ সালে সারা দেশের ২৬ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মতো বানিয়াগাঁও বালিয়াঘাটা কমিউনিটি প্রাথমিক বিদালয়টিও জাতীয়করণ হয়ে যেত।
আবুল কাশেম খান দারুল আরকাম ইবতেদায়ী মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক মাও. নূরুল ইসলাম বলেন, সারা দেশের শতশত কমিউনিটি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ করা হলো। অথচ বানিয়াগাঁও বালিয়াঘাটা কমিউনিটি প্রাথমিক বিদালয়টি সরকারী অর্থায়নে ভবন থাকার করার পরও এটি বন্ধ রয়েছে। তিনি প্রশসনের কাছে বিদ্যালয়টি চালু রাখার জন্য জোর দাবি জানিয়েছেন।
তেলীগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নিতাই পাল জানান, তার বিদ্যালয়ে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ৩০০ জন ছাত্রছাত্রী লেখাপড়া করতে পারে। বানিয়াগাঁও বালিয়াঘাটা কমিউনিটি প্রাথমিক বিদালয়টি বন্ধ থাকার কারণে সেখানকার কিছু শিক্ষার্থী এখানে এসে লেখাপড়া করে।
এ ব্যাপারে তাহিরপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. সুলেমান মিয়ার মোবাইলে বারবার যোগাযোগ করে কোন প্রকার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।
তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মেহেদী হাসান মানিক বলেন, বিষয়টি তিনি শুনেছেন। খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবেন বলে জানিয়েছেন।
উপজেলার খবর থেকে আরো পড়ুন