প্রকাশিত: ০৪ জানুয়ারি, ২০২৬ ০০:০৭
আমি বারবার দল পরিবর্তন করি নি, যেখানে মতের অমিল হয়, সেখানে বসবাস করা যায় না, স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করা যায় না, তাই আমি দল পরিবর্তন করেছি।
সম্প্রতি কে এস ব্রিকস ও মোবারক ফ্যাশনের সহযোগিতায় দৈনিক সুনামগঞ্জের খবর এর বিশেষ আয়োজন ‘চল যাই ভোটে’ অনুষ্ঠানে সুনামগঞ্জ —১ আসনের ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর মনোনীত প্রার্থী ডা. রফিকুল ইসলাম চৌধুরী এসব কথা বলেন।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাধারণ জনগণ কেন আপনাকে ভোট দিবে— এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এবারের নির্বাচন কোনো মার্কার নয়, এবারের নির্বাচন হচ্ছে ব্যক্তির। এখানে জনগণ উপযুক্ত প্রার্থী বেছে নেবেন। ২৪ এর গণঅভ্যুত্থানের পরে মানুষের মধ্যে একটা পরিবর্তন এসেছে। আগে নৌকা এবং ধানের শীষ ছিল। কিন্তু নৌকা এখন নেই, নৌকার জায়গায় ধানের শীষ এসে জায়গা নিয়েছে। তাই মানুষ চায়, কোনো ফ্যাসিবাদের জায়গায় নব্য ফ্যাসিবাদ যাতে না আসে। এইজন্য মার্কার চেয়ে ব্যক্তিকে মানুষ মূল্যায়ন করবে।
তিনি বলেন, আমার নির্বাচন করার অভিজ্ঞতা, আমার সততা, মানুষের জন্য কাজ করা, মানুষের পাশে থাকা— এগুলো বিবেচনা করে জনগণ আমাকে ভোট দেবেন বলে আমি বিশ্বাস করি।
আমি জনগণের সাথে সম্পৃক্ত, উন্নয়নমূলক কাজে ছিলাম। আমি নিজের নামে একটা হাইস্কুল, মায়ের নামে এতিমখানা, মাদ্রাসা করেছি, আমি শিক্ষা এবং চিকিৎসা সেবায় কাজ করছি উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমার একটা ইংরেজি কিন্ডারগার্টেন, কালচার একাডেমি আছে। বিভিন্নভাবে আমি জনগণের সাথে সম্পৃক্ত। জনগণের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে আমি ১৯ বছর বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসাসহ ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের মাধ্যমে বিনামূল্যে ওষুধ দিয়ে সহায়তা করেছি। তাছাড়া জনগণের বিভিন্ন সমস্যায় পাশে থেকেছি, আছি এবং আজীবন থাকবো।
আপনার নির্বাচনী এলাকায় এগারো দলীয় জোটের প্রার্থী মাঠে আছেন, বিশেষ করে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন, এক্ষেত্রে আপনি মনোনয়নের ব্যাপারে কতটুকু আশাবাদী— এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমাদের জোটের নীতিমালায় উল্লেখ আছে, নির্বাচনী এলাকায় জোটের মধ্যে যে প্রার্থীই যোগ্য তাঁকেই মনোনয়ন দেওয়া হবে। সেই প্রার্থী যে দলেরই হোক। আমাদের আসনে জোটের চারজন মনোনয়ন দিয়েছেন, এখানে জোট বিবেচনা করবেন যে, চারজনের মধ্যে কে উপযুক্ত, কে জনগণের ভোট টানতে পারবে, জনগণ কাকে নির্বাচিত করবে, সেই হিসেবে তারা হয়তো আমাদেরকে মনোনয়ন দেবেন। তবে আমার বিশ্বাস, আমাকেই মনোনয়ন দেয়া হবে। যদি আমাকে মনোনয়ন দেন, তাহলে আমি জনগণের রায় নেওয়ার চেষ্টা করব ইনশাআল্লাহ। আর যদি মনোনয়ন না দেন, তাহলে জোটের সিদ্ধান্ত মেনে নেব।
উপজেলার খবর থেকে আরো পড়ুন